Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

Login
ইউনিজয়
ফনেটিক
English

গড় রেটিং: 3.0/5 (72 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

print

আপডেট : ০৮-১১-২০১৮

এক পায়ে স্কুলে যায় ক্যান্সার আক্রান্ত ইতি!

এক পায়ে স্কুলে যায় ক্যান্সার আক্রান্ত ইতি!

ময়মনসিংহ, ১১ আগস্ট- ময়মনসিংহের ত্রিশালের দরিরামপুর খাবলাপাড়া গ্রামের ইতি আক্তার (১৪) ভুগছে দুরারোগ্য ক্যান্সারে। মরণব্যাধি ওই রোগের কথা না জানলেও সুস্থ হতে চায় ইতি, লেখাপড়া করতে চায় সে।

চার বছর আগে সড়ক দুর্ঘটনায় মারা যান ইতির বাবা মনু মিয়া। মা নার্গিস আক্তার বাড়ি বাড়ি ঝিয়ের কাজ করে। দু ’বছর আগে প্রাথমিকের সমাপনী পরিক্ষার প্রথমদিনেই বাড়ি ফেরারপথে আকস্মিক ভাবেই বা’পায়ের হাঁটুর নিচের অংশ ব্যথা অনুভব করে মাটিতে লুটিয়ে পড়ে ইতি আক্তার। রিকসায় করে সহপাঠীরা তাকে বাড়ি পৌঁছে দেয়। ওইদিন রাত থেকেই একটু একটু ফুলতে থাকে তার পা। তবুও সমাপনী শেষ না করে হাসপাতালে যাবে না বলে জেদ ধরে অদম্য এ শিক্ষার্থী।

সমাপনী পরীক্ষার দুইদিন পর স্থানীয়দের পরামর্শ ও সহযোগিতায় ইতির মা তাকে ময়মনসিংহের ডেলটা হেলথ কেয়ারে ভর্তি করেন।

চাচাদের কাছ থেকে টাকা ধার নিয়ে চিকিৎসা শুরু করেন তার মা। এক্সরে ও আলট্রাসনোগ্রাফি রিপোর্টে ধরা পড়ে বা’পায়ের হাঁটুর নিচের অংশের হাড় ক্ষয় হয়ে মারাত্মক ব্যাধি ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়েছে সে। ফলে ক্যান্সারে আক্রান্ত পায়ের হাঁটুর ওপর থেকে নিচের অংশ কেটে ফেলেন চিকিৎসক।

এক পায়ে স্কুল যাতায়াত

ভিটেবাড়ির বাইরে কয়েক শতক জমি ছাড়া কোনো সম্পদ নেই ওই পরিবারের। তার চাচারা সবাই দিনমজুরের কাজ করে করেন।

পরিবারের পক্ষে চিকিৎসার ব্যয়ভার বহন সম্ভব না হলেও ইতির চিকিৎসা চলে ধার-কর্জ করে। কিছুটা সুস্থতাবোধ করার পর চিকিৎসালয় থেকে বাড়ি ফিরে স্থানীয় আলী আকবর ভূইয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে ষষ্ঠ শ্রেণিতে ভর্তি হয় সে। পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও প্রতিটি থেরাপির জন্য প্রয়োজন সর্বনিম্ন ৩০ হাজার টাকা। এলাকার লোকজনের সহায়তায় থেমে থেমে মাস ছয় চলে চিকিৎসা।

এখন টাকার অভাবে একবারেই বন্ধ রয়েছে চিকিৎসা। এতে সে প্রায়ই খুব অসুস্থ হয়ে পড়ে। কিন্তু থেমে নেই তার পড়াশোনা। সে এবার সপ্তম শ্রেণিতে পড়ছে। কিছুটা সুস্থতাবোধ করলেই একপায়ে ভর করে যায় স্কুলে।

ইতির ইচ্ছা মরণব্যাধি রোগের কথা না জানলেও সুস্থ হতে চায় ইতি। লেখাপড়া করতে চায় সে।

চিকিৎসকের বক্তব্য ইতির চিকিৎসক জাতীয় ক্যান্সার গবেষণা ইন্সটিটিউট ও হাসপাতালের রেডিয়েশন অ্যান্ড অনকোলজি বিভাগের রেজিস্ট্রার সাজ্জাদ হোসেন জানায়, নিয়মিত তার চিকিৎসা চালিয়ে যেতে অনেক টাকার প্রয়োজন।

দেশবাসীকে পাশে চায় পরিবার

ইতিকে বাঁচাতে তার ব্যয়বহুল চিকিৎসার জন্য সমাজের বিত্তবানদের প্রতি সাহায্যের আবেদন করেন তার পরিবার।

সাহায্যের জন্য প্রয়োজনে যোগাযোগ ও বিকাশ নাম্বার - ০১৭৮২৪৩১৬৭১ সাথী আক্তার ( ইতির বড় বোন)।

সূত্র: যুগান্তর
এমএ/ ১০:৫৫/ ১১ আগস্ট

ময়মনসিংহ

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে