Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

Login
ইউনিজয়
ফনেটিক
English

গড় রেটিং: 3.0/5 (65 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

print

আপডেট : ০৮-০৭-২০১৮

বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ নিয়ে দুটি দপ্তরের রশি টানাটানি

বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ নিয়ে দুটি দপ্তরের রশি টানাটানি

পঞ্চগড়, ০৭ আগস্ট- পঞ্চগড়ের তুলারডাংগা এলাকার করতোয়া নদীর বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধটি হুমকির মুখে পড়েছে। বাঁধের উপর নির্মিত পাকা সড়কটি দীর্ঘদিন সংস্কার না করায় চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়েছে।

প্রতি বছর বন্যায় সড়কের বিভিন্ন অংশ ভেঙে পড়ায় বাঁধটিও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। অর্থ বরাদ্দ না পাওয়ার অজুহাতে সড়কটি মেরামত করছে না পানি উন্নয়ন বোর্ড। আবার পৌর এলাকার মধ্যে হলেও সড়কটি পানি উন্নয়ন বোর্ডের আওতাধীন হওয়ায় মেরামত বা সংস্কারের দায়িত্ব নিচ্ছে না পৌর কর্তৃপক্ষ।

পানি উন্নয়ন বোর্ড ও পৌরসভার এই রশি টানাটানিতে দীর্ঘ ১৮ বছরে মেরামত করা হয়নি সড়কটি। এতে হুমকির মুখে পড়েছে নদীর তীর সংরক্ষণ বাধঁটি। দুর্ভোগে পড়েছেন তুলারডাঙ্গা আর পূর্ব জালাসী পাড়ার কয়েক হাজার মানুষ।

স্থানীয়রা জানায়, প্রতি বছর বন্যায় করতোয়ার পানি প্রবেশ করে পঞ্চগড় পৌরসভা এলাকার তুলারডাঙ্গা, কামাতপাড়াসহ জালাসী পাড়া এলাকায় আকস্মিক বন্যা দেখা দিতো। বন্যার কবল থেকে রক্ষায় ২০০০ সালে পানি উন্নয়ন বোর্ড করতোয়ার পাড় ঘেঁষে প্রায় তিন কিলোমিটার বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ নির্মাণ করে।

স্থানীয় মানুষজন ও যান চলাচলের জন্য বাঁধের উপর একটি পাকা সড়কও নির্মাণ করা হয়। বাঁধ ও রাস্তা নির্মাণের পর ওই এলাকায় ঘনবসতি গড়ে উঠে।

অন্যদিকে তুলারডাঙ্গা এলাকায় জেলার প্রধান পশুরহাট গরুহাটি থাকায় বিভিন্ন প্রকার যানবাহনের যাতায়াতও বেশি। প্রতি বছর বর্ষাকালে প্রবল বৃষ্টিতে সরে যাচ্ছে সড়কের মাটি। সেই সঙ্গে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বাঁধটিও। সড়কটি দ্রুত সংস্কার করা না হলেও বড় ধরনের ক্ষতির আশঙ্কা স্থানীয়দের।

কামাতপাড়া বড়ভিটা এলাকার সবজি চাষি কামাল হোসেন বলেন, এই বাঁধের জন্য আমাদের ঘর-বাড়ি ঠিক আছে। বাঁধের উপর সড়কটি ভেঙে যাওয়ায় আমরা রিকশা-ভ্যানে মালামাল নিয়ে যাতায়াত করতে পারি না। সড়কটি নষ্ট হলে বাঁধেরও ক্ষতি হবে। আর একবার এই বাঁধ ভেঙে গেলে আমরা আবারও বন্যার কবলে পড়বো।

পৌর মেয়র তৌহিদুল ইসলাম বলেন, বাঁধের উপর নির্মিত সড়কটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কয়েক হাজার মানুষ ও যানবাহন এই সড়ক দিয়ে চলাচল করে। পানি উন্নয়ন বোর্ড দীর্ঘদিন ধরে সড়কটি মেরামত বা সংস্কার করছে না। পৌরসভার কাছে হস্তান্তরের জন্য আমরা পানি উন্নয়ন বোর্ডকে অনুরোধ করেছি। বিষয়টি জেলা সমন্বয় সভায় একাধিকবার তোলা হয়েছে। জেলা প্রশাসক বরাবরে চিঠিও দিয়েছি। আমরা দায়িত্ব পেলে সংস্কার করে মানুষ ও যান চলাচলের উপযোগী করা হবে।

পঞ্চগড় পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী মো. ওছমান গনি বলেন, প্রায় ১৮ বছর আগে বাঁধ এবং সড়কটি নির্মিত হলেও বরাদ্দের অভাবে মেরামত করা হয়নি। দুই বছর আগে গরুহাটি এলাকার কিছু অংশে মেরামতের কাজ করা হয়। গত অর্থ বছরেও বরাদ্দের জন্য মন্ত্রণালয়ে চিঠি দেয়া হয়েছিল। এবার বরাদ্দ না পেলে সড়কটি পৌরসভায় হস্তান্তরের চিন্তা করা হবে।

তথ্যসূত্র: জাগোনিউজ২৪
এনওবি/১৮:৩৪/০৭ আগস্ট

পঞ্চগড়

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে