Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, শুক্রবার, ৬ ডিসেম্বর, ২০১৯ , ২২ অগ্রহায়ণ ১৪২৬

গড় রেটিং: 3.0/5 (100 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ১১-১০-২০১১

বায়তুল আমান মসজিদ : মসজিদের তহবিল থেকে ৩৭ হাজার ডলার মামলার খরচ : নবনির্বাচিত পরিচালনা কমিটির কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর

বায়তুল আমান মসজিদ : মসজিদের তহবিল থেকে ৩৭ হাজার ডলার মামলার খরচ : নবনির্বাচিত পরিচালনা কমিটির কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর
।। দেশে বিদেশে রিপোর্ট।।
মসজিদ তহবিল থেকে মামলা বাবদ ৩৭ হাজার ডলার খরচ দেখিয়ে অবশেষে টরন্টোর বায়তুল আমান মসজিদের নবনির্বাচিত কমিটির কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করা হয়েছে। গত ৮ই নভেম্বর রাত আটটায় আনুষ্ঠানিকভাবে এ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়। পূর্বতন কমিটির সভাপতি জয়নাল আবদীন নতুন কমিটির সভাপতি আবু তাহের নূরীর কাছে মসজিদের চাবি হস্তান্তর করেন। (হিসাব ও মসজিদ সংক্রান্ত কাগজপত্র সম্পূর্ণভাবে এখনও দেয়া হয়নি।)  উল্লেখ্য, নবনির্বাচিত কমিটির কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করার জন্য সুপিরিয়র কোট অব জাষ্টিসের নির্দেশ ছিল। হস্তান্তর প্রক্রিয়া অনুষ্ঠানে মসজিদ পরিচালনা কমিটির লোক ছাড়াও স্থানীয় গণমাধ্যমের প্রতিনিধি এবং বিপুল সংখ্যক মুসল্লি উপস্থিত ছিলেন। `ক্ষমতা কুক্ষিগত করে রাখার জন্য জয়নাল আবদীন ধর্মপ্রাণ মানুষের দান করা অর্থ থেকে ৩৭ হাজার ডলার তাঁর মামলার খরচ নিয়েছেন' এ খবর শুনে ক্ষোভে ফেটে পড়েন মুসল্লীরা। নতুন কমিটির কর্মকর্তারা তাঁদের বিরত রাখেন এবং প্রক্রিয়াটি শান্তিপূর্ণভাবে সমাপ্ত হওয়ার জন্য অনুরোধ জানান।
জানা যায়, হিসাব এবং মসজিদ সংক্রান্ত কাগজপত্র এখনও সম্পূর্ণভাবে নতুন কমিটি বুঝে নিতে পারেননি। যা দেয়া হয়েছে সবই গোঁজামিল। তবে তারা শীঘ্রই আনুষ্ঠানিকভাবে সবকিছু বুঝিয়ে দেয়ার জন্য পূর্বতন সভাপতির কাছে চিঠি পাঠাবেন বলে এ প্রতিবেদককে জানান। `ক্ষমতাকে কেন্দ্র করে নিজেদের মধ্যে মামলা-মোকদ্দমা করে মসজিদের তহবিল ব্যবহার করা যুক্তি সঙ্গত কিনা' এ প্রশ্নের জবাবে নব নির্বাচিত কোষাধক্ষ্য জহির উদ্দিন বলেন, `মোটেই যুক্তিযুক্ত নয়। এ সংক্রান্ত একটি প্রস্তাব জয়নাল আবদিন গতবছর আমাদের কমিটির সাধারণ সভায় উত্থাপন করলে আমরা নাকচ করে দিই। মানুষ দান-খয়রাত করে মসজিদের উন্নয়নের জন্য, মামলা-মোকদ্দমা বা ঝগড়া-ঝাটি করার জন্য নয়।'
বিশ্বস্ত সূত্রে জানা যায়, জয়নাল-ফজল গং হস্তান্তরের দিন পর্যন্ত ক্ষমতায় টিকে থাকার জন্য প্রাণপণ চেষ্টা করেছিলেন। তাদের সকল প্রচেষ্টা একে একে ব্যর্থ হয়ে যায়। মসজিদের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক শাহজাহান উদ্দিন বলেন, সত্যের জয় হয়েছে। তিনি মুসল্লীদের মধ্যে মিষ্টি বিতরণ করছিলেন। তাঁকে খুবই উৎফুল্ল দেখাচ্ছিল। তিনি বাংলাদেশের মুক্তি সংগ্রামের কথা উল্লেখ করে বলেন, `১৬ই ডিসেম্বর যেভাবে বিজয়ের আনন্দে দেশবাসী ভাসছিল, আজ তেমনি একটি দিন বলে আমাদের কাছে মনে হচ্ছে। ষড়যন্ত্রকারীদের হাত থেকে বায়তুল আমান মসজিদ এখন মুক্ত।'
নবনির্বাচিত সহ কোষাধক্ষ্য আকিল আহমেদ বলেন, `জয়নাল-ফজল গং বায়তুল আমান মসজিদকে বাংলাদেশের স্বাধীনতাবিরোধীদের গোপন শাখা কার্যালয় বানাতে চেয়েছিলেন। তাদের কমিটিতে তারা প্রতিষ্ঠাতা-সদস্যদের বাদ দিয়ে মৌলবাদী ও ধর্মব্যবসায়ীদের একে একে নিয়োগ দিয়ে যাচ্ছিলেন। তারা ফেতরা ও যাকাতের টাকা তাদের পছন্দের লোকদের দেয়ার জন্য আগে থেকে সব প্রস্তুতি নিয়ে রাখতেন। আমরা তাদের নির্লজ্জ কর্মতৎপরতা দেখে প্রথমে অবাকই হয়েছি, তারপর প্রতিবাদ করেছি। আজ আমরা বিজয়ী হয়েছি। মসজিদের পবিত্রতা রক্ষা করতে আমরা বদ্ধ পরিকর।'
মসজিদের প্রতিষ্ঠাতা -কোষাধক্ষ্য আরিফুর রহমান সারওয়ার দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, শুরু থেকে গত বছরের অক্টোবর পর্যন্ত তিনি কোষাধক্ষ্যের দায়িত্বে ছিলেন কিন্তু চেকবুক, ডিপোজিট বুক কখনও হাতে পাননি বা কোনদিন দেখেননি। একাউন্ট, বা ব্যাংকের আর্থিক লেন-দেন কি হচ্ছে তা তিনি কিছুই জানতেন না। যখনই তার দায়িত্ব সম্পর্কে তিনি জিজ্ঞেস করতেন- বলা হতো সব ঠিকঠাক চলছে। অর্থাৎ তাকে একাউন্ট সম্পর্কে কোন কিছু জানার সুযোগই দেয়া হতো না। পরবর্তীতে জয়নাল-ফজল তাদের স্বার্থ হাসিল করার জন্য তাঁকে বাদ দিয়ে অনিয়মতান্ত্রিকভাবে আকরাম খান নামে জনৈক ব্যক্তিকে দায়িত্ব দেন।
মসজিদের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী বাহার বলেন, `ঈদের দিন পর্যন্ত তারা চক্রান্তে লিপ্ত ছিল। ঐদিন জয়নাল-ফজল পুলিশের কাছে গিয়ে অভিযোগ করেন, আমরা মসজিদের অর্থ হাইজ্যাক করেছি। অথচ আমরা পুলিশকে অবগত করেই আদালতের রায় অনুযায়ী কার্যক্রম চালাচ্ছিলাম। পুলিশের কাছে গিয়ে তারা অপদস্ত হয়ে ফিরে আসে।' তিনি আরও বলেন, `গতকাল পর্যন্ত দানবাক্সে যা অর্থ মানুষে দান করেছিল তা সব তারা নিয়ে গেছে। দানবাক্সগুলো মসজিদে এখন খালি পড়ে আছে।'
মসজিদ পরিচালনা কমিটির একজন মুখপাত্র জানিয়েছেন, বিগত দিনে মসজিদ নিয়ে যা করা হয়েছে তা অনিয়ম এবং স্বেচ্ছাচারিতার এক অবিশ্বাস্য কাহিনী। প্রথমতঃ মসজিদের নামে যে নগদ টাকা পয়সা আসতো তার কোন সঠিক হিসেব রাখা হতো না। এছাড়া বিভিন্ন দেশ থেকে বা অন্যান্যভাবে যে টাকা-পয়সা আসতো তা পরিচালক ফজল মোহাম্মদ তাঁর ব্যক্তিগত একাউন্টে জমা করতেন এবং সেখান থেকে চেক ইস্যু করা হতো। (অথচ মসজিদের নামে তিন ব্যাংকে তিনটি একাউন্ট রয়েছে)। মসজিদ সংক্রান্ত যাবতীয় যোগাযোগের ঠিকানা জয়নাল আবদীন তার নিজ বাড়ির ঠিকানা ব্যবহার করতেন। তিনি যেসব লোককে তার কমিটিতে নিয়োগ দিতেন তাদের যোগ্যতা বা সামাজিকভাবে গ্রহণযোগ্যতা আছে কিনা তা তিনি দেখতেন না। তিনি তার আজ্ঞাবহ লোক দেখেই নিতেন। দেখা যায়, তার কমিটির প্রায় প্রত্যেকটি লোকই নানা কেলেংকারির হোতা এবং বিতর্কিত। সামাজিকভাবে এরা নিন্দিত এবং প্রত্যাখাত। কমিউনিটির একজন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী এবং নিয়মিত মুসল্লী জানালেন, `জয়নাল-ফজল গং এর সদস্য তালিকায় (আদালত কর্তৃক ভূয়া প্রমাণিত) দেখা যায়, তারা এমন একজনকে বায়তুল আমান মসজিদের পক্ষ থেকে ইসলাম প্রচারের জন্য `এম্বেসেডর' বানিয়েছিলেন যার ধর্ম সম্পর্কে একাডেমিক শিক্ষাতো দূরের কথা, মৌলিক জ্ঞানও নেই। ভূয়া ঠিকানা ব্যবহারকারী এই সদস্যের নামে প্রচার আছে যে ফিউনারেল ফান্ডের প্রায় কুড়ি হাজার ডলার তিনি আত্মসাৎ করেছেন।' উল্লিখিত মুসল্লী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, `আজকাল সমাজের দাগী ক্রিমিনাল, প্রতারক, অর্থ আত্মসাৎকারীরা মসজিদের ছত্র ছায়ায় ঢুকে ভাল মানুষ সাজার চেষ্টা করছে।' উদাহরণ হিসেবে তিনি বলেন, `মালয়েশিয়া থেকে বাংলাদেশী শ্রমিকদের বিপুল পরিমাণ অর্থ আত্মসাৎ করে আসা এক দাগী অপরাধী এখন কমিউনিটিতে প্রতিষ্ঠা পাওয়ার জন্য মসজিদকে বেছে নিয়েছে। তার মতো আরও বেশ কিছু লোককে এখন কমিউনিটিতে নেতা হওয়ার জন্য ঘুরাঘুরি করতে দেখা যায়। বড় অঙ্কের অর্থ দান করে এসব চিহ্নিত ক্রিমিনালরা তাদের কৃতকর্ম আড়াল করার জন্য বিভিন্ন সংগঠনে ঢুকে পড়েছে। এদের বিরুদ্ধে কমিউনিটির মানুষ সচেতন না হলে আমাদের দূর্দশার অন্ত থাকবে না।'
মসজিদের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা-পরিচালক আব্দুল ওয়াহিদ উপস্থিত সকলের দোয়া কামনা করে এ প্রতিবেদককে বলেন, `ইনশাল্লাহ ছয় মাস থেকে এক বছরের মধ্যে আমরা মসজিদের সকল ঋণ পরিশোধ করবো।
মসজিদের প্রতিষ্ঠাতা ইমাম মোহাম্মদ কামরুজ্জামান জানান, আগামী শুক্রবার তিনি জুম্মার নামাজে ইমামতী করবেন।
নবনির্বাচিত সভাপতি আবু তাহের নূরী মসজিদের কার্যক্রমকে বিস্তৃত করতে সকলের সহযোগিতা কামনা করেন।
উল্লেখ্য, প্রায় এক লাখ ডলার উজাড় করার পর অবশেষে পুলিশ প্রহারার মধ্য দিয়ে আদালত মধ্যস্থতাকারী একটি প্রতিষ্ঠানকে টরন্টোর বায়তুল আমান মসজিদ পরিচালনা কমিটির নির্বাচন অনুষ্ঠান পরিচালনার দায়িত্ব অর্পন করে। মাত্র ৫৪ জন ভোটারের জন্য এ ব্যাপক আয়োজনে কমিউনিটি বিস্মিত।
গত ৩০শে অক্টোবর টরন্টোর ড্যানফোর্থ-ভিক্টোরিয়া পার্কের সন্নিকটস্থ বাংলাদেশীদের উদ্যোগে স্থাপিত বায়তুল আমান মসজিদ পরিচালনা কমিটির নির্বাচন শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়েছে। নির্বাচনে বিজয়ী ৭ সদস্য বিশিষ্ট পরিচালনা কমিটির নাম আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়। ফলাফল ঘোষণার পর গত ২রা নভেম্বর নবনির্বাচিত কমিটির প্রথম সভায় সর্বসম্মতিক্রম আবু তাহের নুরী- সভাপতি, মোহাম্মদ শাজাহান উদ্দিন-সহ সভাপতি, খালেদ মামুন- সাধারন সম্পাদক, মোহাম্মদ জাহিদুর রহিম পরিচালক (প্রশাসন), জহিরুদ্দিন একেএম-কোষাধক্ষ্য, মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির সহ- সাধারন সম্পাদক এবং আকিল আহমদকে-সহকারি কোষাধক্ষ্য মনোনীত করা হয়।
উল্লেখ্য, এ নির্বাচন নিয়ে বহু টাল-বাহানা এবং ঘটনা-অ-ঘটনার এক পর্যায়ে বিষয়টি আদালত পর্যন্ত গড়ায়। প্রায় দশমাস ধরে কয়েক দফা শুনানী শেষে সুপিরিয়র কোর্ট অব জাষ্টিস এর বিচারক কুইগলি- স্ট্রেন কোহেন এলএলপি নামক একটি প্রতিষ্ঠানকে এ নির্বাচন তত্ববধানের দায়িত্ব প্রদান করেন। অবশেষে উল্লিখিত প্রতিষ্ঠানের তত্বাবধানে শান্তিপূর্ণভাবে একটি নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। গত ১লা নভেম্বর আদালত নির্বাচিত কমিটির কাছে দায়িত্ব অর্পণ করার জন্য পূর্বতন কমিটিকে নির্দেশ প্রদান করে। জানা যায়, পরিচালনা কমিটির এ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে কেবল আইনজীবীর পেছনে দুই পক্ষের লক্ষাধিক ডলার খরচ হয়েছে।
বিভিন্ন সূত্রে প্রাপ্ত তথ্যে জানা যায়, পূর্বেকার পরিচালনা কমিটির সভাপতি জয়নাল আবদীন এবং পরিচালক (প্রশাসন) ফজল মোহাম্মদের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার, স্বজনপ্রীতি, হিসাবসহ নানা অনিয়মের অভিযোগ এলে মসজিদের প্রতিষ্ঠাকালীন পরিচালকদের বৃহদাংশ এর প্রতিবাদ করেন। এক পর্যায়ে মসজিদের প্রধান উদ্যোক্তা-ইমাম মোহাম্মদ কামরুজ্জামানকে ইমামতি থেকে সরিয়ে দেয়ার জন্য ষড়যন্ত্র শুরু হয় (যদিও তিনি পরিচালনা কমিটিতে ছিলেন না)। এসময় ইমামের বিরুদ্ধে নানা কুৎসা রটনা করে ড্যানফোর্থ এলাকায় ফ্লায়ারও বিলি করা হয় এবং পরবর্তিতে তাকে অসম্মান করে মসজিদ থেকে বিতাড়িত করা হয়। এ ঘটনাসহ অ-গঠণতান্ত্রিক কর্মকান্ডের প্রতিবাদ করতে গেলে মসজিদের প্রতিষ্ঠাতা-সদস্য আরিফুর রহমান সারওয়ার, শাহজাহান উদ্দিন, মোহাম্মদ আব্দুল ওয়হিদ, খালেদ মামুন ও নুরুল আলমকে চক্রান্ত করে নানা অজুহাতে কমিটি থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয় (মসজিদ প্রতিষ্ঠাকালীন সাত সদস্যের মধ্যে এরা পাঁচজন)। সূত্র জানায়, চক্রান্ত ফলপ্রসু করতে জয়নাল এবং ফজল অনিময়তান্ত্রিকভাবে কতিপয় বিতর্কিত ব্যক্তিকে কমিটিতে নিয়ে আসেন। এসব ঘটনায় মুসল্লিদের মধ্যে ব্যাপক অসন্তোষ দেখা দেয়। কিন্তু সভাপতি এবং তার অনুসারীরা কারো কথায় কর্ণপাত না করে, ক্ষমতা আঁকড়ে রাখার জন্য নির্বাচন বানচালসহ একের পর এক নানা ফন্দি ফিকির করতে থাকেন। এরিমধ্যে মসজিদের একজন স্থায়ী সদস্য আবেদনকারী ফয়সল আহমেদ চৌধুরি (যিনি ৭ হাজার ডলার দান করেছেন) এর প্রতিবাদ করতে গেলে তাকে পুলিশের হাতে তুলে দেয় তারা। এ ঘটনায় বাংলাদেশী কমিউনিটিতে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। পরবর্তীতে নির্বাচনকে কেন্দ্র করে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে যায় এবং এক পর্যায়ে অধিকাংশ প্রতিষ্ঠাতা সদস্য আদালতের দ্বারস্থ হন।
আদালত থেকে প্রাপ্ত একটি নথিতে দেখা যায়- পূর্বেকার কমিটি বিগত দুই রমজান মাসে প্রায় ৬০ হাজার ডলারের ইফতারি আপ্যায়ন বাবদ খরচ দেখিয়েছেন। মসজিদে নিয়মিত যাতায়তকারী বেশ কয়েকজন মুসল্লী এবং পরিচালনা কমিটির কয়েকজনের কাছ থেকে জানা যায়, এটা সম্পূর্ণ ভূয়া হিসাব। মসজিদে যাতায়তকারী মুসল্লিরা নিজেরাই প্রতিদিন ইফতারের আয়োজন করতেন এবং মসজিদের ভেতরে একটি বোর্ডে ইফতার প্রদানকারীদের নাম লেখা থাকতো।
মসজিদে নিয়মিত যাতায়তকারী অত্র এলাকার নেতৃস্থানীয় কয়েকজন ব্যবসায়ী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, মসজিদ আল্লাহর ঘর। এখানে মানুষ যায় এবাদত করতে অথচ কতিপয় ব্যক্তি এটাকে ব্যবসা হিসেবে বেছে নিয়েছে। মসজিদ পরিচালনা কমিটির অনেকেরই আয়-রোজগার সম্পর্কে কারো কোন ধারণা নেই। তারা কিভাবে চলে এ নিয়ে অনেকের মনে প্রশ্ন। অনেকের বিরুদ্ধে বিভিন্ন মানুষের কাছ থেকে অর্থ আত্মসাৎ সহ নানা ধরনের অপকর্মের অভিযোগ রয়েছে।
নবনির্বাচিত কমিটি মসজিদের সকল অনিয়ম এবং অবৈধ কর্মকান্ড জনসমক্ষে প্রকাশ করবেন বলে দেশে বিদেশেকে জানান।

কানাডা

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে