Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, সোমবার, ২৭ মে, ২০১৯ , ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬

গড় রেটিং: 3.0/5 (30 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)


আপডেট : ০৭-১৭-২০১৮

৮ কারণে ফ্রান্সের ঘরে এলো বিশ্বকাপ

৮ কারণে ফ্রান্সের ঘরে এলো বিশ্বকাপ

মস্কো, ১৭ জুলাই- পুরো এক মাসের ফুটবলযজ্ঞ শেষে শেষ হাসিটা হাসল ছবি ও কবিতার দেশ ফ্রান্স।বর্ণীল আলোয় শোভিত হলো আইফেল টাওয়ার। বিশ্ব দেখলো মুক্তঝরা হাসির ফরাসি প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল ম্যাক্রনের নাচ।

অথচ আসরের প্রথম ম্যাচে ডেনমার্কের সঙ্গে টেনেটুনে গোলশূন্য ড্র করেছিল এমবাপ্পেরা। ফুটবলবোদ্ধাদের অনেকই ভেবেছিলেন এবার জিদানের ফ্রান্সের দৌড় বড়জোর কোয়ার্টার ফাইনাল। কিন্তু সব ধারণাকে উল্টে দিয়ে স্বর্ণস্বাদ নিলেন দিদিয়ে দেশমের দলই। গতকাল রাতে ফ্রান্স প্রমাণ করে দিল, স্লো বাট স্টেডি উইনস দ্য রেস।

২০ বছর পর ফ্রান্সের দ্বিতীয়বারের মত বিশ্বকাপ জয়ের পেছনে যেসব কারণ খুঁজেছেন বিশেষজ্ঞরা তা হলো:

১. তারুণ্যে ভরপুর ফ্রান্স দল। এই দলের গড় বয়স মাত্র ২৬। তারুণ্যের উপর ভর করেই এবারে চ্যাম্পিয়ন হল ফ্রান্স। দলের উল্লেখযোগ্য খেলোয়ার এমবাপ্পের সেরা তরুণ খেলোয়াড় হওয়ার পর এমন কথা বলাই যায়।

২. শুধু তারুণ্য নয় ফরাসি শিবিরের এ তরুণদের মধ্যে ছিল অসামান্য ফুটবল প্রতিভা। তুলনামূলক ভাবে নতুন প্রতিভাদের নিয়ে গড়া দলটির প্রধান মনযোগ ছিল মাঠে যে যতই কারিশ্মার দেখাক ফুটবলে গোল করাই হলো প্রধান কর্ম।

৩. ফরাসি দলে আছে পরীক্ষিত ও উদীয়মান তারকারা৷ বিশ্বকাপ জুড়ে তারা ব্যক্তিগত নৈপুণ্যে সবাইকে ছাপিয়ে না গেলেও শক্তিশালী দল হিসেবে সমীহ আদায় করেছে। উমতিতি, এমবাপ্পে, পগবা, গ্রিজম্যানদের লক্ষ্যভেদই ফ্রান্সকে এনে দিয়েছে জয়ের শিরোপা।

৪. ফাইনালে ক্রোট তারকা মানজুকিচের মাথা ছুঁয়ে বল জালে জড়ানোর আত্মঘাতী গোলে পিছিয়ে পড়ে লুকা মডরিচের দল। এখান থেকেই ফ্রান্স শুরু করে ফাইনাল ম্যাচ জয়ের সোপান।

৫. এবারের বিশ্বকাপে গতি তারকা হলেন মাত্র উনিশ বছর বয়সি ফরাসি স্ট্রাইকার কিলিয়ান এমবাপ্পে। পুরো বিশ্বকাপে এ স্ট্রাইকার গতি সমস্যায় ফেলেছে বিপক্ষকে। আর্জেন্টিনার বিপক্ষে ম্যাচে তার ক্ষিপ্রগতির গোলটির পরই তার নতুন নাম জুটে যায়- থার্টি সেভেন। তেমনই একটি দুর্দান্ত গোল করেছেন তিনি ফাইনালেও। ডান পায়ের দুর্দান্ত শটে বিশ্বকাপে নিজের চতুর্থ গোল করে এ তারকা কিংবদন্তি পেলের মতো আরেক কালো মানিক হয়ে উঠেছেন।

৬. রেফারির পেনাল্টি দেওয়ার সিদ্ধান্তটাকে ফ্রান্সের মনোবল বাড়িয়ে দেওয়ার অন্যতম কারণ হিসেবে দেখছেন অনেকে। পেনাল্টি থেকে খেলায় নিজের চতুর্থ গোলটি করে ফ্রান্সকে ২-১ গোলে এগিয়ে দেন আতোঁয়া গ্রিজম্যান।সমতায় থাকা ক্রোয়েশিয়া আবার পিছিয়ে পড়ে।

৭. মিডফিল্ডার কন্তে প্রতিপক্ষের পা থেকে মোট ৫২ বার বল ছিনিয়ে নিয়েছেন। প্রতিটি ম্যাচে তার অসাধারণ নিয়ন্ত্রণ ক্ষমতার উপর নির্ভর করেছিল দল। আর্জেন্টিনাকে যে ম্যাচে ফ্রান্স হারাল, সেখানে মেসিকে কিন্তু আটকে দিয়েছিলেন এই তরুণ তুর্কি।

৮. ফ্রান্সের অভিজ্ঞতাও বড় পার্থক্য গড়ে দিয়েছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। ’৯৮ বিশ্বকাপ জেতার অভিজ্ঞতা পুরো দমে কাজে লাগিয়েছেন ফরাসি কোচ দিদিয়ে দেশম। তার বুদ্ধিদীপ্ত ও চটুল পরিকল্পনার কাছে হেরে গিয়েছেন বিপক্ষের কোচরা।

সূত্র: যুগান্তর

আর/০৭:১৪/১৭ জুলাই

বিশ্বকাপ ফুটবল ২০১৮

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে