Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, সোমবার, ১৫ জুলাই, ২০১৯ , ৩১ আষাঢ় ১৪২৬

গড় রেটিং: 3.0/5 (53 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)


আপডেট : ০৭-০৬-২০১৮

দিনাজপুর-২: শক্ত অবস্থানে আ.লীগ, নড়বড়ে বিএনপি

দিনাজপুর-২: শক্ত অবস্থানে আ.লীগ, নড়বড়ে বিএনপি

দিনাজপুর, ০৬ জুলাই- আসন্ন একাদশ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ইতোমধ্যেই হিসাব-নিকাশ শুরু হয়ে গেছে । দিনাজপুর- ২ (বোচাগঞ্জ বিরল) জাতীয় সংসদের ৭ নম্বর আসন। বোচাগঞ্জ উপজেলার ৬ টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভা রয়েছে, বিরল উপজেলায় ১২ টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা নিয়ে গঠিত।

বোচাগঞ্জ উপজেলায় পুরুষ ভোটার ৫৮ হাজার ৯শ’ ৮৫ জন , মহিলা ভোটার ৫৯ হাজার ৩শ’ ৩৩ জন। এই উপজেলায় মোট ভোটার ১ লাখ ১৮ হাজার ২শ’ ১৮ জন। বিরল উপজেলায় পুরুষ ভোটার ৯৬ হাজার ৭শ’ ৬২ জন, মহিলা ভোটার ৯৪ হাজার ১শ’ ৮৭ জন। এই উপজেলায় মোট ভোটার ১ লাখ ৯০ হাজার ৯শ’ ৪৯ জন । এই আসনে সর্বশেষ জরিফ অনুযায়ী মোট ভোটার রয়েছে ৩ লাখ ৯ হাজার ১শ’ ৬৭ জন।

২০০৮ সালে জাতীয় নির্বাচনে আওয়ামী লীগের তরুণ নেতা বিএনপি’র শক্তিশালী প্রার্থী বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সাবেক সংসদ সদস্য লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মাহবুবুর রহমানকে ৫০ হাজার ভোটের ব্যবধানে হারিয়ে প্রথমবারের মত সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। এরপর গত ৫ই জানুয়ারি ২০১৪ সালে এককভাবে মনোনয়ন দাখিল করায় বিনা প্রতিদ্বন্দ্বীতায় আওয়ামী লীগে বর্তমান সংসদ সদস্য দলটির কেন্দ্রীর তিনবারের সাংগঠনিক সম্পাদক খালিদ মাহমুদ চৌধুরী নির্বাচিত হন ।

তার নির্বাচনী এলাকায় ব্যাপক উন্নয়ন হওয়ায় আকাশচুম্বী জনপ্রিয়তা রয়েছে। উন্নয়নের রোল মডেল হওয়ায় আওয়ামী লীগের একক প্রার্থী হিসাবে মাঠে রয়েছেন। বয়সের ভারে নজ্জিবিত হওয়ায় রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে তেমন দেখা যায় না আওয়ামী লীগের সাবে প্রেসিডিয়াম সদস্য ও সাবেক প্রতিমন্ত্রী ও সংসদ সদস্য বাবু শ্রী সতীশ চন্দ্র রায়কে। বাবার উত্তর সুরী হিসাবে চিকিৎসা পেশার পাশাপাশি সতীশ চন্দ্রের ছেলে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় উপকমিটির সহসম্পাদক ডা. মানবেন্দ্র রায় মানব আলোচনায় আছে।

দিনাজপুর-২ আসন থেকে পঞ্চম জাতীয় সংসদ নির্বাচন ( ১৯৯১) নির্বাচিত হন সতীশ চন্দ্র রায় (আওয়ামী লীগ) প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ছিলেন এ.এফ.এম.রিয়াজুল হক চৌধুরী (জাতীয় পার্টি)। সপ্তম জাতীয় সংসদ নির্বাচন (১৯৯৬) নির্বাচিত হন সতীশ চন্দ্র রায় (আওয়ামী লীগ ) প্রতিদ্বন্দ্বী প্রাথী ছিলেন এ.এফ এম. রিয়াজুল হক চৌধুরী ( জাতীয় পার্টি)।

অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচর্ন (২০০১) নির্বাচিত হন লেঃ জেঃ(অবঃ) মাহবুবুর রহমান ( বিএনপি) প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী সতীশ চন্দ্র রায় ( আওয়ামী লীগ ) নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচন ( ২০০৮) নির্বাচিত হন খালিদ মাহমুদ চৌধুরী ( আওয়ামী লীগ ) প্রতিদ্বন্দ্বী লেঃ জেঃ ( অব) মাহবুবুর রহমান ( বিএনপি) । দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচন (২০১৪) নিয়ম রক্ষার নির্বাচনে আওয়ামী লীগ প্রার্থী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বীতায় নির্বাচিত হন কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের তিনবারের সাংগঠনিক সম্পাদক খালিদ মাহমুদ চৌধুরী।

অন্যদিকে বিএনপির শক্তিশালী প্রার্থী হিসেবে বিবেচিত হচ্ছেন দু’জন। একজন হলেন সাবেক সংসদ সদস্য প্রয়াত এ এফ এম রিয়াজুল হক চৌধুরীর ছেলে দলের বোচাগঞ্জ উপজেলা শাখার সভাপতি সাদিক চৌধুরী পিনাক। আরেকজন হলেন বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক সংসদ সদস্য লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মাহবুবুর রহমান। বিএনপি জোটের প্রার্থী হওয়া নিয়ে এলাকায় তিনি আলোচনার শীর্ষে রয়েছেন।

এছাড়া দলটির মনোনয়ন প্রত্যাশীদের মধ্যে আরও যারা রয়েছেন তারা হলেন- দলের চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার সাবেক ব্যক্তিগত সহকারী ও ছাত্রনেতা এম এ জলিল, দলের বিরল উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান, বোচাগঞ্জ উপজেলা শাখা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও বাংলাদেশ শিক্ষক-কর্মচারী ঐক্যজোটের রংপুর বিভাগীয় মহাসচিব অধ্যাপক মঞ্জুরুল ইসলাম।

বিরল উপজেলা জামায়াতের সাবেক আমির ও উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান এ কে এম আফজালুল আনামও সম্ভাব্য প্রার্থীদের একজন। এদিকে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জাতীয় পার্টির মনোনয়ন প্রত্যাশীদের মধ্যে দলের কেন্দ্রীয় সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান ড. আনোয়ার চৌধুরী জীবন রয়েছেন শীর্ষে। এছাড়া আছেন অ্যাডভোকেট সুধীর চন্দ্র শীল।

বিরল ও বোচাগঞ্জ উপজেলা সরজমিনে গিয়ে জানা যায়, এখানকার রাজনীতির একটা ইতিবাচক দিক হলো দলীয় কারণে মামলা দিয়ে কাউকে হয়রানি না করার নজির। আবার বড় দলগুলোতে অভ্যন্তরীণ কোন্দল, দলীয় হাঙ্গামাও খুব একটা নেই। নেই আওয়ামী লীগে চরম দ্বন্দ্ব-ফ্যাসাদও। সব মিলিয়ে খালিদ মাহমুদ চৌধুরীর জনপ্রিয়তা তুঙ্গে।

আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা জানান, এবার সাবেক প্রতিমন্ত্রী সতীশ চন্দ্র রায়ও মনোনয়ন চাইতে পারেন বলে আলোচনা রয়েছে। তাকে মনোনয়ন না দিলে তিনি ছেলে ডা. মানবেন্দ্র রায় মানবের জন্য মনোনয়ন চাইবেন তিনি।

ইতোমধ্যে ডা. মানবও মাঠে নেমেছেন। বাবার উত্তরসূরি হিসেবে তিনি মনোনয়ন প্রত্যাশা করছেন। এমনটাই বোঝা গেছে মাঠপর্যায়ে ঘুরে। তিনি বলেন, জন্ম থেকে আওয়ামী লীগ পরিবারের সন্তান হিসেবে মানুষ আমাকে জানে। আমার বাবার উত্তরসূরি হিসেবে নির্বাচন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর আশীর্বাদে দলের মনোনয়ন পেলে আশা করি বিপুল ভোটের ব্যবধানে জয়লাভ করব।

ডা. মানব বলেন, চিকিৎসাসেবা দেওয়াসহ সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকে অসহায় ও দুস্থ মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে কাজ করছি। সম্প্রতি ঘটে যাওয়া বন্যায় ওষুধসহ বিভিন্নভাবে সেবা দিয়েছি। দুঃখী মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে বঙ্গবন্ধুর আদর্শ লালন করে কাজ করছি।

স্থানীয় আওয়ামী লীগের রাজনীতি সম্পর্কে মানব চন্দ্র রায় বলেন, যে প্রত্যাশা নিয়ে খালিদ মাহমুদ চৌধুরী এমপি হয়েছেন জনগণের সে প্রত্যাশা পূরণ করতে পারেননি তিনি। বিগত উপজেলা পরিষদ নির্বাচনেই তার প্রমাণ মেলে। ওই নির্বাচনে আমাকে দুই হাজার ভোটের ব্যবধানে পরাজিত করা হয়েছে। আর দলের ইঙ্গিতে এ পরাজয় হয় আমার।

বর্তমান সংসদ সদস্য প্রার্থী হলে বিরল-বোচাগঞ্জ নির্বাচনী এলাকায় ভোটের ফল পাল্টে যেতে পারে বলে মনে করছেন তিনি।

সংসদ সদস্য খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেন, আমার নির্বাচনী এলাকাসহ দিনাজপুরে আওয়ামী লীগের আসনগুলোতে ব্যাপক উন্নয়ন সাধিত হয়েছে। সমাজ ও জনগণের জন্য কাজ করেছি। তাতে আগামী জাতীয় নির্বাচনের দিনাজপুরের সব আসনে নৌকার প্রার্থী বিপুল ভোটের ব্যবধানে জয়লাভ করবে বলে আশা করি।

মনোনয়ন বিষয়ে জানতে চাইলে খালিদ বলেন, নির্বাচনী বোর্ড যাঁকে মনোনয়ন দেবে তিনি হবেন এ আসনের প্রার্থী। আর আমি তো অবশ্যই প্রার্থী হতে চাইব। এখানে ব্যক্তি বড় নয়, দল বড়। জনগণের স্বার্থে দলের জন্য যারা কাজ করবেন তারাই মনোনয়ন পাবেন। এখন আমার বিকল্প কেউ যদি তৈরি হয় তিনি প্রার্থী হতে কোনও বাধা নেই। নির্বাচনী বোর্ডের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত হবে।

অন্যদিকে দিনাজপুর বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার জন্মস্থান হলেও এখানে আগের মতো দলটির জনপ্রিয়তা নেই বলে মনে করছে এ নির্বাচনী এলাকার লোকজন। এছাড়া এ আসনে মনোনয়ন নিয়েও নিশ্চিত হতে পারছে না দলের নেতাকর্মীরা।

বিএনপির প্রার্থী হিসেবে দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য মাহবুবুর রহমানের নাম শোনা যাচ্ছে। তবে দলের অনেক নেতাকর্মীর বিস্তর অভিযোগ রয়েছে তার বিষয়ে। তার সঙ্গে বিএনপি জোটের অন্য শরিক দলেরও ভালো সম্পর্ক যাচ্ছে না। তাকে নিয়ে দ্বিধাদ্বন্দ্বে রয়েছে খোদ বিএনপির নেতাকর্মী ও সমর্থকরা। এর বড় কারণ তিনি বিগত বছরগুলোতে এলাকায় তেমন একটা আসেননি বলে নেতাকর্মীরা দাবি করছে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে বিএনপির এক নেতা বলেন, কালেভদ্রেও এলাকায় দেখা যায় না মাহবুবুর রহমানকে। তিনি হচ্ছেন ডুমুরের ফুল। এমন অবস্থায় দলীয় কর্মসূচি পালন করতে নেতৃত্ব দেওয়ার মতো কেউ নেই। কারণ এখানে দলে কোনো শৃঙ্খলা নেই বললেই চলে। এ জন্য অনেকেরই অভিমত, তার পরিবর্তে এবার বিকল্প কোনও প্রার্থী এলেই বরং ভালো।

তিনি আরও জানান, মাহবুবুর রহমান দিনাজপুর-৩ (সদর) আসনেও প্রার্থী হতে পারেন বলে গুঞ্জন রয়েছে।

মাহবুবুর রহমান ছাড়াও এ আসনে বিএনপি থেকে প্রার্থী হতে পারেন বলে আলোচনায় আছেন বোচাগঞ্জ উপজেলা শাখা বিএনপির সভাপতি সাদিক চৌধুরী পিনাক। তিনি আপদে-বিপদে মানুষের পাশে থাকেন বলে সুনাম রয়েছে। এবার বন্যাকবলিত এলাকায় তিনি ব্যক্তিগত তহবিল থেকে ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তা করেছেন। তাকে নিয়ে আশাবাদী স্থানীয় বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা।

বোচাগঞ্জের ভোটার পিনাক চৌধুরী ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির নির্বাচনের আগেও মনোনয়নপ্রত্যাশী ছিলেন। পিনাক চৌধুরীর বাবা এ এফ এম রিয়াজুল হক চৌধুরীও রাজনীতি করতেন। তিনি এরশাদের আমলে একবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন।

বিএনপি সমর্থন করেন আজিম উদ্দিন নামের এক ভোটার বলেন, কেবল পিনাক চৌধুরী নির্বাচন করলেই খালিদ মাহমুদের সঙ্গে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হবে। তাছাড়া আওয়ামী লীগের সঙ্গে ফাইট করার মতো লোক কম আছে এখানে।

এদিকে স্থানীয় ভোটাররা মনে করছেন, খালিদ মাহমুদ চৌধুরীর সঙ্গে ভোটের লড়াইয়ে নামলে মাহবুবুর রহমান হয়তো বড়জোর ৩০ থেকে ৩৫ শতাংশ ভোট পাবেন। অন্যদিকে পিনাক চৌধুরী প্রার্থী হলে পাবেন এর চেয়ে অনেক বেশি ভোট।

পিনাক চৌধুরী বলেন, বিএনপির প্রার্থীর হওয়ার ব্যাপারে শত ভাগ প্রত্যাশা করছি। মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে বন্যাদুর্গতদের সাধ্যমতো সাহায্য সহযোগিতা দেওয়ার চেষ্টা করেছি। অসহায় মানুষের পাশে আমার বাবাও ছিলেন, আমিও আছি।

তবে ভিন্ন কথা বললেন বিরল উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আরেক মনোনয়নপ্রত্যাশী মিজানুর রহমান। তিনি বলেন, যে যত কথাই বলুক, এখানে বিএনপি থেকে মনোনয়ন পাবেন মাহবুবুর রহমান। কারণ খালিদ মাহমুদ চৌধুরীর সঙ্গে লড়াই করতে হলে এখানে তাকেই প্রয়োজন। তাঁর বিকল্প রয়েছে বিএনপি চেয়ারপারসনের সাবেক ব্যক্তিগত সহকারী এম এ জলিল। আর পিনাক চৌধুরী নতুন ছেলে। এখনো রাজনৈতিক অবস্থা তৈরি করতে পারেননি তিনি।

তার মতে, আওয়ামী লীগের অভ্যন্তরীণ কোন্দলের ফল পেতে পারে বিএনপি, যদি শক্তিশালী প্রার্থী দেওয়া যায়।

বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোটের শরিক জামায়াতও প্রকাশ্যে ও গোপনে তৎপরতা চালাচ্ছে। দলের বিরল উপজেলা শাখার সাবেক আমির আফজালুল আনাম মনোনয়নের প্রত্যাশায় মাঠপর্যায়ে প্রচার চালাচ্ছেন।

এদিকে জাতীয় পার্টি থেকে প্রার্থী হওয়ার জন্য দৌড়ঝাঁপ শুরু করেছেন ড. আনোয়ার চৌধুরী জীবন ও সুধীর চন্দ্র শীল। তারা দলের চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করে চলছেন। বন্যাকবলিত এলাকায় তারা প্রশাসনের পাশাপাশি ব্যক্তিগত উদ্যোগে দিয়েছেন ত্রাণসামগ্রী।

বিরল উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান ও জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান আনোয়ার চৌধুরী বলেন, ‘মাঠ জরিপের ভিত্তিতে পার্টি থেকে যদি মনোনয়ন দেওয়া হয়, তবে দলের হয়ে নির্বাচনে অংশ নেব। তবে এ আসনে এখনও জাতীয় পার্টির সম্ভাব্য কোনো প্রার্থীর নাম ঘোষণা করা হয়নি।

বিরল উপজেলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান বাবু বলেন ,স্বাধীনতার পর যত উন্নয়ন হয়েছে তা বর্তমান সাংসদ খালিদ মাহমুদ চৌধুরীর হাত দিয়ে বিরল ও বোচাগঞ্জে উন্নয়ন হয়েছে । খালিদ মাহমুদ চৌধুরী সাধরণ মানুষের হৃদয়ে স্থান দখল করে নিয়েছে । তাই খালিদ মাহমুদ চৌধুরী এই আসন থেকে মনোনয়ন পাবেন আর তিনিই নিবার্চিত হবেন ।

সূত্র: পূর্বপশ্চিম

আর/১৭:১৪/০৬ জুলাই

দিনাজপুর

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে