Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, রবিবার, ২৬ মে, ২০১৯ , ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬

গড় রেটিং: 3.2/5 (28 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ০৫-০৮-২০১৮

বিএনপির বিমর্ষ নেতাদের নিদারুণ অপেক্ষা

বিএনপির বিমর্ষ নেতাদের নিদারুণ অপেক্ষা

ঢাকা, ০৮ মে- দলের চেয়ারপারসন তিন মাস ধরে কারাগারে। সেখান থেকে বারবার খবর আসছে, মারাত্মক অসুস্থ তিনি। দ্রুত মুক্তি এবং সুসিকিৎসা প্রোয়জন তার! কিন্তু আদালতের দ্বারা সাজাপ্রাপ্ত ব্যক্তির মুক্তির বিষয়টিও তো আদালতের হাতে। তাই নানা পরিসরে রাজনৈতিক প্লাটফর্ম থেকে বার বার খালেদা জিয়ার মুক্তি ও সুসিকিৎসার দাবি জানালেও বিএনপি নেতাদের দৃষ্টি নিবদ্ধ ছিল স্থগিত থাকা জামিন আদেশের শুনানীর ওপর।

সে কারণেই হয়তো মঙ্গলবার (০৮ মে) আপিল বিভাগে প্রধান বিচারপতির কোর্টে খালেদা জিয়ার মামলা শুনানী শুরুর আগেই বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমীরসহ দলের শীর্ষ নেতারা হাজির হন।

সকাল ৯ টায় কোর্ট ওঠার আগেই প্রধান বিচারপতির জনাকীর্ণ এজলাসে অনেকটা পেছনের সারির চেয়ারে গিয়ে বসেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, নজরুল ইসলাম খান, ড. মঈন খান, অামীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

দুদকের আইনজীবীরা যখন বক্তব্য উপস্থাপন করছিলেন তখন বিএনপির শীর্ষ নেতারা নিজেদের মধ্যে আকার ইঙ্গিতে নিঃশব্দে আলাপ করছিলেন।

আরও পড়ুন: খালেদার জামিন শুনানিতে যা বললেন দুদকের আইনজীবী

বক্তব্য উপস্থাপনের এক পর্যায়ে একজন বিচারপ্রতি দুদকের আইনজীবীকে প্রশ্ন করেন, একই অপরাধে সবাইকে দিয়েছেন ১০ বছর কারাদণ্ড। অসুস্থতা ও সামাজিক কারণে খালেদা জিয়াকে দিয়েছেন ৫ বছর কারাদণ্ড। তাহলে এখন তার জামিনের বিরোধিতা করছেন কেন?

জবাবে দুদকের আইনজীবী বলেন, জেলকোর্ড অনুযায়ী খালেদা জিয়াকে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
দুদক আইনজীবীর এই বক্তব্যের সময় বিমর্ষ বিএনপি নেতারা নিঃশব্দে এদিক ওদিক মাথা নাড়তে থাকেন। তারা হয়তো বোঝাতে চেষ্টা করেন, বার বার বলা সত্ত্বেও পছন্দের হাসপাতাল ইউনাইটেডে চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়নি তাদের নেত্রীর।

আরও পড়ুন: খালেদার জামিন আবেদনে শুনানি শুরু

সকাল ১১টায় কোর্ট আধা ঘণ্টা বিরতি দিলে বিএনপি নেতারা বেরিয়ে আসেন এজলাস থেকে। বার কাউন্সিল দফতরে গিয়ে ২৫ মিনিট অপেক্ষার পর তারা গিয়ে বসছেন প্রধান বিচারপতির এজলাসে। অপেক্ষা করছেন দলের চেয়ারপারসনে জামিনের ব্যাপারে একটা পজেটিভ রেজাল্টের জন্য।

ওয়ান ইলেভেনের পরিবর্তিত পরিস্থিতে বিএনপির চেয়ারপারসনকে টানা এক বছর জেলে থাকতে হয়েছিল। তখন উপরিস্থিত ছিল ভিন্ন। প্রধান দুই দলের দুই প্রধানসহ সবাই ছিলেন জেলে। সুতরাং কেই কারো মুক্তির জন্য আদালতের বারান্দায় এভাবে অপেক্ষা করেননি। কিন্তু এবার বিএনপি নেতাদের সেটি করতে হচ্ছে।

সূত্র: সারাবাংলা
এমএ/ ১২:৩৩/ ০৮ মে

জাতীয়

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে