Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, শনিবার, ৩০ মে, ২০২০ , ১৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭

গড় রেটিং: 2.4/5 (31 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)


আপডেট : ০৪-০৪-২০১৩

পদ্মাসেতুর অগ্রগতি প্রতিবেদন: আসছে সপ্তাহে কানাডায় শুনানি


	পদ্মাসেতুর অগ্রগতি প্রতিবেদন: আসছে সপ্তাহে কানাডায় শুনানি

ঢাকা, ৪ এপ্রিল- পদ্মাসেতুর পরামর্শক নিয়োগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দায়ের করা মামলা তদন্তের অগ্রগতিমুলক প্রতিবেদন কমিশনে জমা দিয়েছে তদন্ত টিম। বুধবার এ অগ্রগতিমুলক প্রতিবেদন কমিশন গ্রহণ করেছে।

মামলার ৬০ কার্যদিবসের পর তদন্তের অগ্রগতি সম্পর্কিত এ প্রতিবেদন জমা দেয় তদন্ত দল।

তদন্ত টিম জানায়, ৬০ কার্যদিবসে তারা যেটুকু তথ্য পেয়েছে তা প্রতিবেদনে তুলে ধরা হয়েছে। কমিশন আরেকটু সময় দিলে পুরো তদন্ত কাজটি ভালোভাবে নিষ্পত্তি করা যাবে।

দুদক সূত্র জানায়, ৮ এপ্রিল থেকে কানাডার আদালতে পদ্মাসেতু দুর্নীতির বিচার শুনানি শুরু হচ্ছে। এসএনসি লাভালিনের কর্মকর্তা রমেশ সাহা, মোহাম্মদ ইসমাইল ও কেভিন ওয়ালিস এ দফায় পদ্মা দুর্নীতির বিষয়ে কানাডার আদালতের মুখোমুখি হবেন।

দুদকের তদন্ত টিম আশা করছেন, চলতি মাসেই তারা পদ্মা দুর্নীতির বিষয়ে কানাডিয়ান পুলিশ থেকে তথ্য পেতে পারেন। কানাডা থেকে এ বিষয়ে ইতিবাচক সাড়া শিগগিরই পাবেন বলে তারা আশা করছেন।

দুদক জানায়, কানাডার মনট্রিলে ফেডারেল আদালতে এই তিনজনের বিরুদ্ধে এর আগে মামলার শুনানির তারিখ ছিল গত বছর ২৫ জুন। ওইদিন তাদের পক্ষে আদালতে কোন আইনজীবী না থাকায় মামলাটির পরবর্র্তী শুনানির তারিখ ধার্য করা হয় চলতি বছরের ৮ এপ্রিল থেকে ১৯ এপিল পর্যন্ত। রয়েল কানাডিয়ান পুলিশ রমেশ সাহার ডায়েরির সূত্র ধরে লাভালিনের এই অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে জেলে পাঠায়। পরে অবশ্য তারা জামিনে মুক্তি পান। এ অবস্থায় তাদের আদালতে বিচারের মুখোমুখি হতে হচ্ছে।

দুদক চেয়ারম্যান বলেন, ‘‘কানাডা থেকে দুর্নীতির তথ্য পাওয়ামাত্র অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে। দুদক এখন তথ্য-উপাত্তের অপেক্ষায়।’’
 
দুদক জানায়, পদ্মাসেতু দুর্নীতি মামলার পুরো বিষয়টি এখন নির্ভর করছে কানাডায় সংরক্ষিত দালিলিক প্রমাণের ওপর। আর সেজন্য কমিশন তা সংগ্রহের প্রচেষ্টা চালাচ্ছে। কানাডার রয়েল মাউন্টেড পুলিশের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ এবং বিদেশি তিন আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলেই দুদক এ বিষয়ে একটি উপসংহারে আসতে পারবে।

উল্লেখ্য, গত ১৭ ডিসেম্বর সাবেক যোগাযোগমন্ত্রী সৈয়দ আবুল হোসেন এবং পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আবুল হাসান চৌধুরীকে বাদ দিয়ে মোট সাত জনকে আসামি করে রাজধানীর বনানী থানায় (মামলা নং-১৯) মামলা দায়ের করে দুদক।

মামলার আসামিরা হলেন- সেতু বিভাগের সাবেক সচিব মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়া, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী কাজী মো. ফেরদৌস, সড়ক ও জনপথ বিভাগের (সওজ) নির্বাহী প্রকৌশলী মো. রিয়াজ আহমেদ জাবের, ইপিসির উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক গোলাম মোস্তফা, এসএনসি লাভালিনের ভাইস-প্রেসিডেন্ট কেভিন ওয়ালেস, আন্তর্জাতিক প্রকল্প বিভাগের সাবেক ভাইস-প্রেসিডেন্ট রমেশ সাহা ও সাবেক পরিচালক মোহাম্মদ ইসমাইল।

পদ্মাসেতু দুর্নীতি মামলার অন্যতম দুই আসামি মোশাররফ এবং ফেরদাউসকে গ্রেফতারও করা হয়েছিল। বর্তমানে তারা জামিনে রয়েছেন। আর সড়ক ও জনপথ বিভাগের (সওজ) নির্বাহী প্রকৌশলী মো. রিয়াজ আহমেদ জাবের রিমান্ড শেষে বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন।

পলাতক চার আসামির মধ্যে বিদেশি তিন আসামিই বর্তমানে কানাডায়।

জাতীয়

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে