Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

Login
ইউনিজয়
ফনেটিক
English

গড় রেটিং: 3.1/5 (91 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

print
আপডেট : ০৪-০১-২০১৮

আমার সঙ্গীরা

ফরিদ কবির


আমার সঙ্গীরা

পৃথিবীতে মানুষ একাই আসে। চলেও যেতে হয় একাই।

কিন্তু যত দিন পৃথিবী থাকে, তত দিন কোনো মানুষই একা থাকতে পারে না। সামান্য পিঁপড়াও দলবল নিয়ে চলে! মানুষ তো কোন ছাড়!

তবে মানুষের সঙ্গী যে সব সময় মানুষই হবে, এমন কথা নেই। যেমন- ছেলেবেলায় আমার সঙ্গী ছিল ডাকটিকিট। আমি প্রায় সারাদিন ডাকটিকিট নিয়ে কাটাতাম। নানা দেশের, নানা রঙের, নানা আকারের ডাকটিকিট দেখে দেখেই আমার দিন কাটত। একটা বয়সে দেড় হাজারের বেশি ডাকটিকিট জমিয়েছিলাম! ছিয়াশি সালে চরম অর্থকষ্টে পড়লে মাত্র পাঁচশ' টাকায় আমার এক সহপাঠীর কাছে সেসব বিক্রি করে দিতে হয়েছিল! 

আমার মনে আছে, টাকার প্রয়োজন শেষ হওয়ার পরই আমার বুক ফাঁকা হয়ে গিয়েছিল। মনে হতো, পুরো ঘরটাই ফাঁকা হয়ে গেছে! সময় কাটতে চাইত না। এখনও সেই ডাকটিকিটগুলোর কথা মনে হলে আমার বুকটা খাঁ খাঁ করে ওঠে।

তবে একটা বড় সময় বই-ই ছিল আমার সঙ্গী। এমন দিন জীবনে কমই এসেছে, যেদিনটায় কোনো বই পড়িনি! গল্প-উপন্যাসই বেশি পড়তাম। কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়েও পাঠ্যবইয়ের সঙ্গে একটা গল্প বা উপন্যাস সঙ্গেই রাখতাম, অবসর সময়ে পড়ার জন্য। কখনও কখনও এমন হয়েছে যে ক্লাসে লেকচার না শুনে বইয়ের পাতায় ডুবে যেতাম। 

আমার ঘনিষ্ঠ সহপাঠীরা বলত, আবে হালায়, কী পড়তাছস?

আমি বইয়ের পাতা থেকে চোখ না সরিয়েই বলতাম, গল্পের বই।

উপন্যাস পড়লেও আমরা সে সময় এ ধরনের বইকে 'গল্পের বই'ই বলতাম। 

সে সময় বই কেনার সঙ্গতি আমার ছিল না। বিভিন্ন জায়গা থেকে, বিভিন্ন ধরনের লোকের কাছ থেকে বই সংগ্রহ করতাম। ফলে নানা ধরনের বই পড়তে হতো। মানে পড়তে বাধ্য হতাম। দেখা গেল, আজ হয়তো হাতে পেয়েছি ফাল্কগ্দুনী মুখোপাধ্যায়ের 'চিতাবহ্নিমান'! কাল ভিক্তর হুগোর 'কাঁদিদ'! 'কাঁদিদ' যখন পড়ি, তখন আমি একেবারেই সেকেন্ড কি থার্ড ইয়ারের ছাত্র। আমার মনে আছে, বইটি পড়তে পড়তে আমি প্রায় ক্লান্ত হয়ে পড়েছিলাম। না। বইটি অনেক মোটা সাইজের বলে নয়। এর কাহিনীটাই ছিল এমন কঠিন সংগ্রামের এবং একটি চরিত্রের বারংবার ব্যর্থতার যে একসময় মনে হচ্ছিল, এর কোনো শেষ নেই!

এখন মনে হয়, সে বই পড়ার মতো বয়স তখন আমার হয়নি। তার মানে, উপযুক্ত বয়সে উপযুক্ত সঙ্গী থাকাটাই আসল কথা! সেটা খুব কম মানুষের জীবনেই ঘটে। আমি এ ক্ষেত্রে কিছুটা ভাগ্যবানই। বিভিন্ন সময়ে আমার সঙ্গী বদল হলেও একা আমাকে কখনও থাকতে হয়নি। যদিও মনেপ্রাণে আমি সব সময়েই ছিলাম নিঃসঙ্গ। আমার ধারণা ছিল, আমার পাশে আসলে কেউ নেই! মা নন, বাবা নন। এমনকি আমার কোনো বন্ধুও নেই- এমনটাই আমার মনে হতো! বিশ্ববিদ্যালয়ে যখন পড়ি, তখন একটি মেয়ের সেঙ্গ আমার সম্পর্ক হয়। সে থাকত ময়মনসিংহে। ফলে তার সঙ্গে আমার দেখা হওয়ার জো ছিল না। সে সময় আমাদের বা সেই মেয়েটির বাসায় কোনো ফোনও ছিল না! ফলে তাকে আমার কখনও সঙ্গী মনে হয়নি। তবে যে কয়েক বছর আমাদের সম্পর্ক ছিল, মেয়েটি আমাকে নিয়মিত চিঠি লিখত। একটা সময় চিঠিই আমার সঙ্গী হয়ে ওঠে। মেয়েটার হাতের লেখা ছিল মুক্তার দানার মতো। ফলে তার পাঠানো খাম পর্যন্ত আমি মনোযোগ দিয়ে পড়তাম। খামের ওপরে ডান পাশে আমার নাম ও ঠিকানা খুব যত্নে ও লিখত। বাঁ পাশে নিজের নাম ও ঠিকানা। ভুল বললাম, নিজের আসল নাম ও কখনও খামের ওপর লিখত না। আমি ওকে যে সম্বোধন করতাম, সেটা ও লিখত। 

কিন্তু শেষ অবধি সেই মেয়েটির সঙ্গ তেমন গভীরভাবে আমি পাইনি, যেমনটা আমি চেয়েছিলাম। বছর চারেকের মাথায় আমাদের ছাড়াছাড়ি হয়ে যায়! কিন্তু প্রেম হচ্ছে এমন এক অভিজ্ঞতা, যেটা একবার চলে গেলে বারবার তা নতুনভাবে ফিরে আসে। আমি নতুন করে আবারও প্রেমে পড়ি। যে ছেলে বা মেয়ের প্রেমে আপনি পড়বেন, তার সঙ্গ সবচেয়ে কাঙ্ক্ষিত। কিন্তু আমাদের সময়ে খোলামেলা প্রেম করা, মানে প্রেমিক-প্রেমিকার অবাধ মেলামেশার সুযোগ তেমন ছিল না। দু-চার মাস পর পর হয়তো দু-একবার সুযোগ মিলত পাশাপাশি বা মুখোমুখি বসে গল্প করার। অনেক জল্পনা-কল্পনার পর সে সুযোগ আসত বলে তার জন্য প্রবল উত্তেজনা কাজ করত। সামান্য স্পর্শও অসামান্য হয়ে উঠত। পরিস্থিতি এমনই হতো যে আমরা হয়তো দু'জনেই একে অপরকে চুমু খেতে চাইছি। কিন্তু সে সুযোগ খুব কমই আসত। আর যখন আসত, তখন উত্তেজনায় বুক এতটাই ধড়ফড় করত যে ঠিকঠাকভাবে, মনমতো তা খাওয়া হতো না। প্রতিবারই মনে হতো, এবার জুতমতো হয়নি, আগামীবার নিশ্চয়ই হবে...। সেই আগামীবার কখনও ঠিকঠাকভাবে আসেনি! কখনও হয়তো সেটা আসেও না।

মানুষের জীবনে আসলে বড় সঙ্গী সম্ভবত তার স্ত্রী বা স্বামী। এই সঙ্গ অতুলনীয়। এ প্রসঙ্গে আমার স্ত্রীর কথা বললেই আপনার বলবেন, আমি স্ত্রৈণ। তা বলেন। এটা বলতেই হবে, সঙ্গী হিসেবে আমার স্ত্রীর কোনো তুলনা নেই। কারণ, তার সঙ্গে সাহিত্য বাদে যে কোনো বিষয়ে কথা বলা যায়। উপযুক্ত সঙ্গী আসলে সে-ই, যার সঙ্গে আপনি মন খুলে যা কিছু বলতে পারেন। আপনার সঙ্গী বা সঙ্গিনী যদি কথায় কথায় রাগ বা অভিমান করেন, তাহলে আপনি বিপদেই পড়বেন। তবে এও ঠিক, আপনার স্বামী বা স্ত্রী যতই আপনার বন্ধু হোক না কেন, বিবাহিত জীবনে আপনি অন্য নারী বা পুরুষের প্রেমে পড়েছেন, সেটা আপনি কিছুতেই স্ত্রী বা স্বামীর কাছে প্রকাশ করতে পারবেন না। আমার এক সহপাঠী তো তার মোবাইলে নারীদের নামে কোনো নম্বরই সেভ করেন না! কারণ, তার বউ খুবই সন্দেহপ্রবণ।

জীবনে উপযুক্ত সঙ্গী না পেলে জীবনই বৃথা। কিন্তু জীবনে এমন অনেক সময়, এমন অনেক উপলক্ষ আসে, যখন উপযুক্ত সঙ্গী বা সঙ্গিনী না পেলে সে সময় বা উপলক্ষটাও বেদনার হয়ে উঠতে পারে। এ ঘটনা আপনাদের অনেকেরই জানা আছে, আমি একবার শ্রীলংকা গিয়েছিলাম, যেখানে আমার ভ্রমণসঙ্গী হয়েছিল আমার এক বন্ধু। 

পঁচিশ দিনের সেই ভ্রমণের প্রথম দিনেই আমার কাছে স্পষ্ট হয়ে উঠেছিল যে ও আমার সঙ্গে একটা বড় ধরনের প্রতারণা করেছে। যাত্রা শুরুর আগে আমাকে দিয়েই ও বিমান টিকিটসহ অন্যান্য কাজ করিয়ে নিয়েছিল। কলকাতায় গিয়ে জানতে পারি, ও আসলে কোনো কানাকড়িই সঙ্গে আনেনি। কিন্তু এমন একটা সময়ে সেটা ফাঁস হয়, যখন আমাদের আর ফিরে আসার উপায় ছিল না। যে বন্ধুটি আপনার সঙ্গে প্রতারণা করেছে, তার সঙ্গে প্রায় এক মাস ভ্রমণ করার, এক বিছানায় রাতযাপন করা কতটা যন্ত্রণার ও দুর্বিষহ, সেটা ভুক্তভোগী ছাড়া কারোর পক্ষে অনুমান করা সম্ভব নয়। কলম্বো থেকে ফেরার সময় আমার টাকা ফুরিয়ে গিয়েছিল। আমরা কলম্বো থেকে ট্রেনে তালেমান্নার এবং সেখান থেকে জাহাজে ভারতের রামেশ্বরম এসে পৌঁছাই। সেখান থেকে পরে ট্রেনে চেন্নাই। চেন্নাই এসে কলকাতার দুটি টিকিট কাটার পর আমাদের কাছে বারো কি তেরো টাকা অবশিষ্ট ছিল। চেন্নাই থেকে কোরামণ্ডল এক্সপ্রেসে কলকাতা আসতে প্রায় দু'দিন লাগে। আমাদের কাছে খাওয়ার কোনো টাকা ছিল না। যেদিন চেন্নাই আসি, তার পরের দিন সকালে আমাদের ট্রেন ছাড়বে, ফলে একদিন আমাদের চেন্নাই থাকতে হবে। ওই একদিন থাকা-খাওয়ার টাকাও আমাদের ছিল না। 

আপনি যদি জানেন, আপনার সঙ্গী আপনার সঙ্গে প্রতারণা করেছে, তখন আপনার ভ্রমণ আনন্দের বদলে বিষাদে রূপ নিতে বাধ্য। আমার তা কেবল বিষাদের নয়, চরম বিরক্তির ও ভয়ানক দুর্বিষহ হয়ে উঠেছিল।

ভ্রমণ সত্যি সত্যিই বিশাল ব্যাপার, যেখানে আপনার উপযুক্ত সঙ্গী বা সঙ্গিনী না হলে পুরো ভ্রমণই নষ্ট। আনন্দের বদলে আপনাকে ফিরতে হবে ভ্রমণের ক্লান্তি ও ভ্রমণকালীন তিক্ত অভিজ্ঞতা নিয়ে। 

আমার বন্ধু আবদুল হক তো মদ খাওয়ার সময়ও অপরিচিত কারোর সঙ্গে বসবে না। তার কথা, মদ খাওয়ার সঙ্গীও জীবনসঙ্গী বা সঙ্গিনী বাছাইয়ের মতোই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।

তবে জীবনে তিনটি ভ্রমণ আমার জন্য বিশেষ হয়ে আছে। সেই গল্প এখানে করতে গেলে বিপদেরই সম্ভাবনা। আমার বউ জানতে পারলে আমাকে আস্ত রাখবে না। কিন্তু একটা ঘটনা বলার লোভ কিছুতেই এড়াতে পারছি না।

একবার খুব শখ হলো, আমার এক বান্ধবীর সঙ্গে লম্বা সময় কাটানোর। অন্তত চব্বিশ ঘণ্টা একসঙ্গে কাটানো। ভাবনাটা সহজ, কিন্তু কাজটা সহজ ছিল না। দু'জনকেই নিজেদের সংসার ফেলে এক জায়গায় এতটা সময় নির্বিঘ্নে কাটানো ছিল কঠিন একটা পরিকল্পনা। কিন্তু আমরা দু'জনেই এমন একটা সময় নিজেদের মতো কাটাতে চাইছিলাম। 

ঘনিষ্ঠ দু-একজনের সঙ্গে পরামর্শ করতেই একটা উপায় পাওয়া গেল। বান্ধবীকে সে কথা বলতেই সে রাজি হয়ে গেল। পরিকল্পনাটা ছিল আসলেই সুন্দর। কিছুটা রোমান্টিকও। আমরা একটা ট্রেনের কেবিন ভাড়া করব। ট্রেনে যাব জয়পুরহাট। একই ট্রেনে আবার ফিরে আসব। মানে, ভোরে রওনা দিয়ে পরের দিন ভোরে ফিরে আসা।

পরিকল্পনা অনুযায়ী ট্রেনের টিকিট কাটার বিষয়টাই ছিল জটিল প্রকৃতির। যাওয়ার সময় কেবিন পাওয়া গেলেও ফিরে আসার জন্য কেবিনের টিকিট ঢাকা থেকে পাওয়া ছিল কঠিন। স্টেশন থেকে জানানো হলো, ফিরে আসার কেবিন জয়পুরহাট থেকে সংগ্রহ করতে হবে। বিবাহিত জীবনে এমন একটা ভ্রমণ পরিকল্পনা যথেষ্ট ঝুঁকির। আমার বউ বা আমার বান্ধবীর স্বামী জানতে পারলে পুরোই কেলেঙ্কারি হয়ে যাবে। কিন্তু আমাদের উদ্দেশ্য ছিল সৎ। কারণ, আমার বান্ধবী আমার সঙ্গে লম্বা একটা সময় কাটাতে চাইলেও তার একটাই শর্ত ছিল, কিছুতেই ট্রেনে শারীরিক সম্পর্ক করা যাবে না। না। তার আরও একটা শর্ত ছিল। তাকে অন্তত চার ঘণ্টা ঘুমাতে দিতে হবে। আমি তাতে সম্মতি দিয়েছিলাম। তা সত্ত্বেও এমন একটা ভ্রমণের ব্যাপারে আমাদের গোপনীয়তা রক্ষা না করে উপায় ছিল না। ফলে জয়পুরহাটে পরিচিত কাউকে একটা কেবিনের টিকিট কেটে আমাদের পাঠানোর ব্যবস্থা করতে বলাটা সহজ ছিল না। 

কিন্তু মানুষ চাইলে কী না পারে! আমরা চারজনের উপযোগী একটা কেবিন ভাড়া করে ফেললাম এবং নির্ধারিত দিন ভোরে আমরা সেই ট্রেনের কেবিনে চেপে বসলাম।

বাংলাদেশের ট্রেন বা বিমান নাকি ঠিক সময়ে ছাড়ে না!

কিন্তু সেদিন আমাদের ট্রেন ঠিক সময়েই ছাড়ল। আমি কেবিনের দরজা ভেতর থেকে আটকে দিয়ে আমার সঙ্গিনীর দিকে তাকালাম। সে মিটমিট করে হাসছিল।

আমি বললাম, হাসছিস কেন?

সে বলল, তোর চোখ-মুখ তো এখনই পুরাই রোমান্টিক হয়ে গেছে! খবরদার কোনো উল্টাপাল্টা বায়না করবি না। করলেই তোকে ট্রেন থেকে ধাক্কা মেরে ফেলে দেবো। 

আমি বললাম, ধুর। আমার চেহারাই ও রকম। তারপর একটু থেমে বললাম, তোর পাশে বসব? নাকি উল্টোদিকে?

তোর যেখানে খুশি। 

আমি তার পাশে বসে পড়লাম। 

বান্ধবী বলল, আর একটা কথা। এ ঘটনা যদি কখনও লিখিস বা কাউকে বলিস, তাহলে তোর খবর আছে।

আমি বললাম, না। কাউকে বলব না। কখনও এটা লিখবও না।

আমি আমার কথা রেখেছি। একবার এমন এক অসামান্য ভ্রমণ এবং এর সঙ্গী সম্পর্কে আমি কখনও কিছু লিখিনি। কাউকে কখনও বলিওনি!

একটু পরেই আমাদের ট্রেন চলতে শুরু করল। আমাদের কথা শুরু হলো। এবং পরের দিন ঢাকায় পৌঁছানোর আগ পর্যন্ত চলতে থাকল...

আমরা এত কী কথা বলেছিলাম, তার সব উদ্ধার করা আজ আর সম্ভব নয়। আমরা এতই মজে গিয়েছিলাম যে চার ঘণ্টা ঘুমাতে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি নিয়ে রাখলেও আমার সঙ্গী তা ব্যবহার করতে ভুলে গিয়েছিল। চব্বিশ ঘণ্টা সময়ও আমাদের কেটে গিয়েছিল যেন কয়েক মুহূর্তের মধ্যেই! ট্রেনের চেয়েও দ্রুতগতিতে। 

ভ্রমণে সঙ্গী বা সঙ্গিনী যদি হয় সে রকম, তখন কোনো পূর্বপ্রতিশ্রুতিই আসলে শেষ পর্যন্ত টেকে না। সে চলে আপন নিয়মেই।

সূত্র: সমকাল
এমএ/ ১০:২২/ ০১ এপ্রিল

প্রবন্ধ

আরও লেখা

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে