Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

Login
ইউনিজয়
ফনেটিক
English

গড় রেটিং: 3.0/5 (80 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

print

আপডেট : ০৩-২২-২০১৮

২৯ মার্চ যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী, নতুন সাজে সাজছে ঠাকুরগাঁও

বদরুল ইসলাম বিপ্লব


২৯ মার্চ যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী, নতুন সাজে সাজছে ঠাকুরগাঁও

ঠাকুরগাঁও, ২২ মার্চ- দীর্ঘ ১৭ বছর পর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ঠাকুরগাঁও সফরকে কেন্দ্র করে শহরকে তিলোত্তমা নগরী হিসেবে সাজানোর প্রস্তুতি চলছে। চলছে অফিস, আদালতসহ বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানকে নতুন রূপে সাজানোর প্রক্রিয়া। সৌন্দর্য বাড়াতে চলছে চুনকাম, রংসহ ধোয়া মোছার কাজ।

ঠাকুরগাঁওয়ের সকল সরকারি প্রতিষ্ঠান-ঠাকুরগাঁও সার্কিট হাউস, সড়ক ভবন, পিটিআই, জেলা আনসার ভিডিপি, বিদ্যুৎ ভবন, গণপূর্ত ভবনসহ সকল প্রতিষ্ঠানে ঘষামাজা ও রঙের কাজ চলছে।

শহরের রাস্তায় চলছে পরিষ্কার পরিছন্নতার কাজ। চলছে রোড ডিভাইডারে রং করার কাজ। যে দিক দিয়ে প্রধানমন্ত্রী সমাবেশস্থলে প্রবেশ করবেন সেদিকের ভাঙাচুড়া রাস্তা ও ভবনের প্রাচীর মেরামতও চলছে জোরেসোরে। রাস্তার খানাখন্দ ভরাট করা হচ্ছে দ্রুতগতিতে। ঝিমিয়ে পরা ঠাকুরগাঁও যেন ২৯ মার্চকে কেন্দ্র করে চাঙ্গা হয়ে উঠেছে। সবকিছু মিলে রঙের উন্নয়ন শুরু হয়েছে ব্যাপকভাবে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২৯ মার্চ বিকাল ৩টায় জিলা স্কুল বড়মাঠের সমাবেশে বক্তব্য দেবেন।

তার সমাবেশকে সফল করার জন্য চলছে রাজনৈতিকভাবে ব্যাপক প্রস্তুতি। সেখানে পাঁচ থেকে সাত লাখ  মানুষের সমাগম করার প্রস্তুতি নেয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগ জেলা নেতৃবৃন্দ। সেজন্য  ওয়ার্ড ও   ইউনিয়ন পর্যায়েও জনসংযোগ, প্রচারণা ও মাইকিং চলছে।

সকল প্রকার সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে রাস্তায় রাস্তায় তোরণ নির্মাণের জন্য প্রতিষ্ঠান প্রধানদের অনুরোধ জানানো হয়েছে।

জনসভায় জনসমুদ্র সৃষ্টির জন্য তৃণমূল নেতৃবৃন্দকে ক্ষোভ হতাশা ভুলে কাজ করার অনুরোধ জানানো হয়েছে জেলা ও উপজেলা আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে।

সাড়ে ১৭ বছর পর ঠাকুরগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রী আসছেন এ জন্য জেলার মানুষের দাবি-দাওয়ার তালিকাটাও একটু বড়।

ঠাকুরগাঁওয়ের মানুষের দীর্ঘদিনের দাবি, বন্ধ থাকা রেশম কারখানা চালু, বিমানবন্দর আবার চালু করা, ঠাকুরগাঁও থেকে সরাসরি ঢাকা আন্তঃনগর ট্রেন  চালু করা, পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়, মেডিকেল কলেজ, ইপিজেড, রুহিয়া উপজেলা ঘোষণাসহ বিভিন্ন উন্নয়নমূলক প্রকল্প।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সর্বশেষ ২০০১ সালের জাতীয় নির্বাচনের আগে নির্বাচনী প্রচারণা চালাতে ঠাকুরগাঁওয়ে এসেছিলেন।

ঠাকুরগাঁও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) জহুরুল ইসলাম জানান, ২৯ মার্চ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বেলা সাড়ে ১১টায় ঠাকুরগাঁও বিজিবি সেক্টর মাঠে হেলিকপ্টার যোগে অবতরণ করবেন। ৩টা পর্যন্ত কয়েকটি স্থাপনা উদ্বোধন ও উন্নয়ন কাজের ভিত্তিস্থাপন করবেন।

এরপর তিনি বড়মাঠে জেলা আওয়ামী লীগ আয়োজিত জনসভায় বক্তব্য রাখবেন। বিকাল সাড়ে ৪টায় প্রধানমন্ত্রী হেলিকপ্টারে করে ঢাকার উদ্দেশে রওনা দেবেন। প্রধানমন্ত্রীর সফর কেন্দ্র করে ঠাকুরগাঁওবাসীর ব্যাপক প্রত্যাশা।

ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসক মো. আখতারুজ্জামান বলেন, প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাতে আমরা অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছি। এ লক্ষ্যে প্রশাসন এবং স্থানীয় রাজনৈতিক ও সামাজিক বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান সমন্বয় করে কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। আমরা প্রধানমন্ত্রীর সামনে একটি তিলোত্তমা শহর তুলে ধরতে কাজ করছি।


পুলিশ সুপার ফারহাত আহমেদ বলেন, ঠাকুরগাঁওয়ে সফরকালে প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তার ব্যাপারে সার্বিক প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে। জনসভা স্থলের বিভিন্ন বাড়িতে কারা অবস্থান করছেন তাদের খোঁজ-খবর নেয়া হচ্ছে। সরিয়ে নেয়া হচ্ছে অবৈধ স্থাপনা ও দোকানপাট।

আরও পড়ুন: যাত্রা শুরু করল কীর্তনখোলা-১০‘বরিশালের টাইটানিক’

জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ সাদেক কুরাইশী বলেন, আমরা ১৭ বছর পর প্রধানমন্ত্রীকে বরণ করতে ঠাকুরগাঁওয়ে ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছি। জনসভায় প্রায় ১০ লাখ মানুষের সমাগমের জন্য নেতাকর্মীরা নিরলসভাবে কাজ করছে। প্রধানমন্ত্রীর কাছে ঠাকুরগাঁওবাসীর দাবি- ঠাকুরগাঁও-ঢাকা আন্তঃনগর ট্রেন চালু, ব্রিটিশ আমলের বিমান বন্দর চালু, কৃষিভিত্তিক ইপিজেড চাই, একটি পূর্ণাঙ্গ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় ও মেডিকেল কলেজ স্থাপন। এছাড়াও  বন্ধ থাকা রেশম কারখানাটি চালু ও যানজট নিরসনে বাইপাস সড়কের প্রস্তাবনা তুলে ধরা হবে।

সূত্র: ঢাকাটাইমস

আর/০৭:১৪/২২ মার্চ

ঠাকুরগাঁও

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে