Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

Login
ইউনিজয়
ফনেটিক
English

গড় রেটিং: 3.0/5 (137 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

print

আপডেট : ০১-১৭-২০১৮

অনুপস্থিত থেকেও ‘নিয়মিত’ অধ্যক্ষ তিনি!

অনুপস্থিত থেকেও ‘নিয়মিত’ অধ্যক্ষ তিনি!

জামালপুর, ১৭ জানুয়ারি-মাদরাসায় অনুপস্থিত এবং শিক্ষা কার্যক্রমে অংশ না নিয়েও তিনি ‘নিয়মিত’ অধ্যক্ষ। জামালপুরের ইসলামপুর উপজেলার গুঠাইল সিনিয়র মাদরাসার অধ্যক্ষ ইউসুফ আলীর নামে এমন অভিযোগ পাওয়া গেছে।

লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, ১৯৪১ সালে প্রতিষ্ঠিত গুঠাইল সিনিয়র মাদরাসায় বর্তমানে শিক্ষার্থীর সংখ্যা ৪০০ জন। শিক্ষক রয়েছেন ২২ জন।

শুরুর দিকে এটি জেলায় সেরা মাদরাসার সুনাম অর্জন করলেও তা বেশি দিন ধরে রাখতে পারেনি মাদরাসা কর্তৃপক্ষ। এ ক্ষেত্রে মাদরাসার অধ্যক্ষ ইউসুফ আলীকে দায়ী করা হচ্ছে। গত তিন বছর ধরে তার অনিয়মিত উপস্থিতির জন্য মাদরাসার শিক্ষা ব্যবস্থা প্রায় ভেঙে পড়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ১৯৮৭ সালে ওই মাদরাসায় শিক্ষক হিসেবে যোগদান করেন ইউসুফ আলী। এরপর ১৯৯২ সালে অধ্যক্ষ হিসেবে পদোন্নতি লাভ করেন।

২০১৪ সালের মাঝামাঝি সময়ে এক দুর্ঘটনায় পায়ে আঘাত পান। এরপর থেকে শারীরিকভাবে চলাচলে অনেকটাই অক্ষম হয়ে পড়েন। সে সময় থেকেই মাদরাসায় অনিয়মিত হয়ে পড়েন তিনি।

আরও পড়ুন: যে কারণে স্থগিত ঢাকা উত্তর সিটি উপ-নির্বাচন

সেই সঙ্গে, মাসের পর মাস কোনো ধরনের শিক্ষা কার্যক্রমে অংশ না নিয়েও গড় হাজিরা দিয়ে নিয়মিত বেতন নিচ্ছেন এ অধ্যক্ষ। স্থানীয়ভাবে প্রভাবশালী হওয়ায় মাদরাসার অনেক শিক্ষক তার ভয়ে নীরব। ফলে প্রতিবাদ করার সাহস পাচ্ছেন না কেউ।

২০১৬ সালেই শেষ হয়ে গেছে মাদরাসা ব্যবস্থাপনা কমিটির মেয়াদ। ওই কমিটির শেষ সময়ে নৈশপ্রহরী নিয়োগের ক্ষেত্রে মাদরাসার উন্নয়ন বাবদ ৬ লাখ ৫০ হাজার টাকাও আত্মসাৎ করেছেন অধ্যক্ষ ইউসুফ আলী।

তার নানা অপতৎপরতায় দীর্ঘসময় পেরিয়ে গেলেও এখন পর্যন্ত মাদরাসা ব্যবস্থাপনার নতুন কমিটি গঠনের কোনো প্রক্রিয়া শুরু হয়নি। সম্প্রতি ইসলামপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর মাদরাসার কয়েকজন ছাত্র অভিভাবকদের অভিযোগপত্রে এসব তথ্য তুলে ধরা হয়েছে।

অধ্যক্ষ ইউসুফ আলী মাদরাসায় অনিয়মিত থাকার কথা অস্বীকার করে বলেন, সড়ক দুর্ঘটনায় অসুস্থ হওয়ায় চিকিৎসার জন্য কিছুদিন মাদরাসায় যেতে পারিনি। এছাড়া আমি নিয়মিতই মাদরাসায় যাই।

লোক নিয়োগে ম্যানেজিং কমিটির মাধ্যমে মাদরাসার উন্নয়নের জন্য টাকা গ্রহণ করার কথা স্বীকার করলেও টাকার পরিমাণ মাদরাসায় লেখা আছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।

তিনি বলেন, এ মুহূর্তে ওই টাকার পরিমাণ বলতে পারছি না। তবে টাকা আত্মসাতের কোনো সুযোগ নেই বলে তিনি জানান।

লিখিত অভিযোগ পাওয়ার কথা স্বীকার করে এ ব্যাপারে ইসলামপুর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোহাম্মদ গোলাম মোস্তফা বলেন, যেহেতু অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি অবশ্যই তদন্ত করা হবে।

এমএ/ ০৫:৩০/ ১৭ জানুয়ারি

জামালপুর

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে