Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, শনিবার, ১৯ অক্টোবর, ২০১৯ , ৪ কার্তিক ১৪২৬

গড় রেটিং: 3.0/5 (23 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)


আপডেট : ০৩-০৮-২০১৩

‘সেতুকে বাসের জানালা দিয়ে ফেলে দিয়েছিলাম’


	‘সেতুকে বাসের জানালা দিয়ে ফেলে দিয়েছিলাম’

ফরিদপুর, ০৭ ফেব্রুয়ারি- কোনো হরতাল নেই। তবে আমাদের মত সাধারণ নাগরিকের কেন এমন হলো? এমনই প্রশ্ন করে হাউমাউ করে কেঁদে ফেললেন ব্যবসায়ী নাজিম উদ্দিনের স্ত্রী রুমা বেগম। এ প্রশ্নের জবাব দেওয়ার কোনো ভাষা জানা নেই কারো।

বেনাপোলের ট্রান্সপোট ব্যবসায়ী নাজিম, স্ত্রী রুমা ও একমাত্র সন্তান সাড়ে তিন বছরের সেতুকে নিয়ে হানিফ পরিবহনে ঢাকায় যাচ্ছিলেন বুধবার রাতে। রাত ১০টায় ফরিদপুর শহরতলীর বাহিরদিয়া ব্রিজ এলাকায় হরতাল সমর্থনকারীরা ওই বাসে আগুন দেন। মুহূর্তের মধ্যে পুরো বাসে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। মারাত্মকভাবে অগ্নিদগ্ধ হন বাসের ১৫ যাত্রী। তাদের মধ্যে ৯ জনকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ (ফমেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

নাজিম বললেন, ‘‘প্রিয় সন্তানকে বাঁচাতেই গাড়ি থেকে ছুঁড়ে ফেলে দিয়েছিলাম। যখন দেখলাম, গাড়ির সামনে আগুন দেওয়া হয়েছে, হুড়োহুড়ি করে কেউ বের হতে পারছেন না, আর ভয়ঙ্কর আগুন তেড়ে আসছে আমাদের দিকে, তখনই সেতুকে জানালা দিয়ে বাইরে ফেলে দেই। পরে আমরাও জানালা দিয়ে লাফিয়ে নেমে যাই। শরীরে সামান্য চোট লাগলেও সেতু অক্ষত আছে।’’

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বেনাপোল থেকে ছেড়ে আসা চট্টগ্রামগামী ৪২ জন যাত্রী নিয়ে হানিফ পরিবহনের বাসটি (ঢাকা মেট্রো-ব ১৪১৫৬৭) বুধবার রাত ১০টার দিকে ফরিদপুরের বাহিরদিয়া অতিক্রম করার সময় রাস্তায় গাছের গুড়ি ফেলে হরতাল সমর্থনকারীরা বাসে আগুন দেন।

বাসের হেলপার মশিউর জানান, বাসটি ওই স্থানে আসার পর ১৫/১৬ জন লোক একটি গাছের গুঁড়ি দিয়ে রাস্তায় ব্যারিকেড দিয়ে গাড়িটিতে লাঠিপেটা করতে থাকেন। এক পর্যায়ে আগুন ধরিয়ে দেন। মুহূর্তেই পুরো গাড়িতে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। যাত্রীরা জানালা দিয়ে লাফিয়ে প্রাণ বাঁচান।
 
বাসে আগুন দেওয়ার ঘটনায় ফরিদপুরের কোতোয়ালি থানায় অজ্ঞাত ২০/২৫ জনকে আসামি করে মামলা হয়েছে বলে জানিয়েছেন থানার ভারপ্রাপ্ত কমকর্তা সৈয়দ মোহসিনুল হক।

ফরিদপুর

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে