Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, সোমবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ , ১ আশ্বিন ১৪২৬

গড় রেটিং: 2.4/5 (46 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ১২-৩১-২০১২

তত্ত্বাবধায়ক নিয়ে তলে তলে ষড়যন্ত্র করছেন -খালেদা


	তত্ত্বাবধায়ক নিয়ে তলে তলে ষড়যন্ত্র করছেন -খালেদা

ঢাকা, ১ জানুয়ারি-তত্ত্বাবধায়ক সরকার নিয়ে অনানুষ্ঠানিক আলোচনা চলার কথা নাকচ করে দিয়ে সরকারের বিরুদ্ধে জনগণকে বিভ্রান্ত করা এবং ষড়যন্ত্রের অভিযোগ এনেছেন বিএনপির চেয়ারপারসন ও বিরোধীদলীয় নেতা খালেদা জিয়া।

আজ মঙ্গলবার জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের ৩৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত ছাত্র সমাবেশে খালেদা জিয়া এসব কথা বলেন। বিকেলে রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন প্রাঙ্গণে এ সমাবেশ হয়। কবুতর ও বেলুন উড়িয়ে খালেদা জিয়া অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন।
সমাবেশের বক্তৃতায় খালেদা জিয়া সরকারকে ইঙ্গিত করে বলেন, ‘আপনারা হয়তো বুঝতে পেরেছেন, আপনাদের সময় ফুরিয়ে যাচ্ছে। তাই জনগণকে বিভ্রান্ত করার জন্য তলে তলে আলোচনার কথা বলছেন। তলে তলে আলোচনা নয়, তলে তলে আপনারা ষড়যন্ত্র করছেন।’
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক স্থানীয় সরকারমন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম গতকাল সোমবার সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ইঙ্গিত দেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকার ইস্যুতে সৃষ্ট সংকট নিরসনে বিএনপির সঙ্গে অনানুষ্ঠানিক পর্যায়ে যোগাযোগ হচ্ছে। তাদের সাড়া পেলে আনুষ্ঠানিক আলোচনা হবে। বিএনপির চেয়ারপারসন বলেন, ‘তলে তলে আলোচনা নয়, কারণ, আলোচনা হলে তো আমাকে জানতে হবে। তাহলে কার সঙ্গে আলোচনা করছেন?’
এ প্রসঙ্গে ১৯৯৬ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবিতে আওয়ামী লীগের আন্দোলনের কথা উল্লেখ করেন খালেদা জিয়া। তিনি বলেন, ‘আমরা তখন তলে তলে নয়, প্রকাশ্যে আলোচনা করেছি। এমনকি বিদেশ থেকে স্যার নিনিয়ান এসে দুই পক্ষকে বসিয়ে আলোচনা করেছেন। তাঁর ফর্মুলাও তখন আপনারা মানেননি। আজ আপনারা যে ফর্মুলা দিচ্ছেন, তাতে কোনো কাজ হবে না। ফর্মুলা পরিষ্কার, আপনাদের অধীনে কোনো নির্বাচন হবে না।’
তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনেই আগামী নির্বাচন হতে হবে—এ কথা উল্লেখ করে খালেদা জিয়া বলেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টাসহ আরও যে ১০ উপদেষ্টা হবেন, তাঁদের নিরপেক্ষ হতে হবে। তাঁদের মেয়াদ আগের মতো ৯০ দিন হবে।
বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, ‘আওয়ামী লীগের অধীনে সুষ্ঠু নির্বাচন অতীতে কখনো হয়নি, আগামীতেও হবে না। এর জন্য প্রয়োজন নির্দলীয় নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকার। এই দাবিতে আমরা শান্তিপূর্ণভাবে কর্মসূচি চালিয়ে যেতে চাই। আলোচনা করেও আমরা ঐকমত্য পোষণ করে নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের রূপরেখা তৈরি করতে পারি।’
সমাবেশে ছাত্রদলসহ সব জাতীয়তাবাদী শক্তিকে দেশ রক্ষা ও দেশ গড়ার জন্য ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান খালেদা জিয়া। তিনি বলেন, ‘আমরা চাই দেশে গণতন্ত্রের ধারা অব্যাহত থাকুক। সবাই মিলে আমরা দেশটাকে গড়তে চাই। এখানে যদি আওয়ামী লীগও আসতে চায়, তাদেরকেও আমরা সঙ্গে রাখব।’
বিএনপি চেয়ারপারসন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছাত্রলীগের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের সমালোচনা করে বলেন, ‘তাদের এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যে এদের ছাত্রসংগঠন বলা যায় না। এরা সন্ত্রাসী। এদের হাতে বন্দুক, দা, কিরিচ, বল্লম তুলে দেওয়া হয়েছে।’
ছাত্রদলের সভাপতি আবদুল কাদের ভূঁইয়ার সভাপতিত্বে সমাবেশে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন, দলের সমন্বয়ক তরিকুল ইসলাম, ছাত্রবিষয়ক সম্পাদক শহীদ উদ্দীন চৌধুরীসহ ছাত্রবিষয়ক সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন, ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রশীদ প্রমুখ।
এ ছাড়া সকালে বিএনপির সমন্বয়ক তরিকুল ইসলামের নেতৃত্বে ছাত্রদলের নেতা-কর্মীরা বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সাবেক প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের কবর জিয়ারত করেন।

জাতীয়

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে