Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

Login
ইউনিজয়
ফনেটিক
English

গড় রেটিং: 3.0/5 (80 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

print

আপডেট : ০৯-০১-২০১৭

ভিয়েনায় ঈদ উদ্‌যাপিত

আনিসুল হক


ভিয়েনায় ঈদ উদ্‌যাপিত

ভিয়েনা, ০১ সেপ্টেম্বর- মুসলিম ধর্মাবলম্বীদের ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ঈদ-উল-আজহা যথাযোগ্য ধর্মীয় মর্যাদায় অস্ট্রিয়ার রাজধানী ভিয়েনায় আজ ১ সেপ্টেম্বর শুক্রবার উদ্‌যাপিত হয়েছে।

অস্ট্রিয়াপ্রবাসী বাংলাদেশি মুসলমানেরা বিপুল উৎসাহ উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে পবিত্র ঈদুল আজহা উদ্‌যাপন করেছেন। বাংলাদেশি মুসলিম ধর্মাবলম্বী কর্তৃক পরিচালিত পাঁচটি মসজিদ রয়েছে অস্ট্রিয়ার রাজধানী ভিয়েনায়। এই মসজিদগুলোতে প্রতিবারের মতো এবারও তিনটি করে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়। সকাল ৮টা, সাড়ে ৯টা ও ১১টায় অনুষ্ঠিত জামাতে ভিড় ছিল উপচে পড়া। এর মধ্যে বেশ কিছু মুসলিম ছিলেন অন্যান্য মুসলিম কমিউনিটির।

ভিয়েনার প্রাণকেন্দ্রে বাংলাদেশিদের অর্থে ক্রয় করা জমির ওপর নির্মিত বাংলাদেশ ইসলামিক সেন্টার বায়তুল মোকাররমে স্থানীয় সময় সকাল আটটায় ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয়। ইমামতি করেন মাওলানা ড. ফারুক আল মাদানি। দ্বিতীয় জামাতে ইমামতি করেন মাওলানা গোলামুর রহমান আল আজাহারী ও তৃতীয় জামাতে ইমামতি করেন মাওলানা হাফেজ আবু জাফর।


এখানে জামাতে অংশ নেন অস্ট্রিয়াপ্রবাসী মানবাধিকার কর্মী, লেখক, সাংবাদিক ও আওয়ামী লীগের সর্ব ইউরোপিয়ান শাখার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এম নজরুল ইসলাম, আওয়ামী লীগের অস্ট্রিয়া শাখার সভাপতি খন্দকার হাফিজুর রহমান, বাংলাদেশ ইসলামিক সেন্টার বায়তুল মোকাররম ভিয়েনার কর্মকর্তা আবিদ হোসেন খান, হাবিবুর রহমান, জাহাঙ্গীর আলম, মুক্তিযোদ্ধা জোবায়ের খান, এমরান হোসেন, আবদুর রব খান ও মাসুদুর রহমানসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতারা। জামাতে অংশগ্রহণকারী বিপুলসংখ্যক মুসল্লিকে মিষ্টান্ন দিয়ে আপ্যায়ন করে মসজিদ পরিচালনা কমিটি।

অস্ট্রিয়ায় সবগুলো ঈদের জামাতে মানব কল্যাণ ও বিশ্বময় শান্তি কামনা করে মোনাজাত করা হয়। বাংলাদেশিদের মসজিদগুলোতে প্রতিটি জামাতে বাংলাদেশ ও দেশের মানুষের এবং মুসলিম উম্মাহর মঙ্গল কামনা করে বিশেষ দোয়া করা হয়। দোয়ার পর প্রচলিত প্রথা অনুযায়ী ঈদের জামাতের পর একে অপরের সঙ্গে কোলাকুলি করে কুশল বিনিময়ের মাধ্যমে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করেন অংশগ্রহণকারীরা।


অন্যান্য বছরের মতো এবারও ভিয়েনায় বসবাসকারী বাংলাদেশিদের অনেকেই কোরবানি দিয়েছেন। ভিয়েনা শহরের মধ্যে পশু জবাই করা নিষিদ্ধ থাকায় শহরের বাইরে কসাইখানায় কোরবানি দিতে হয়। আর এই সব কসাইখানাগুলো ভিয়েনা থেকে বেশ দূরে।

অনেকে ১০০ কিলোমিটার, কেউ ১৫০ কিলোমিটার দূরে গিয়ে তাদের পছন্দের পশু কোরবানি করেছেন। কোরবানির ১-২ মাস আগে কসাইখানায় গিয়ে পশু নির্দিষ্ট করে বুকিং দিতে হয়। কোরবানির মাংস কেটে তা গুছিয়ে দেওয়ার জন্য ওই সময়টায় কসাইখানা কর্তৃপক্ষ মুসলমান কর্মচারী নিয়োগ দেন। যার কারণে ইসলামিক নিয়ম মতো কোরবানি করতে কোনো সমস্যা হয় না।

উল্লেখ্য, অস্ট্রিয়াপ্রবাসী সিংহভাগ বাংলাদেশি ভিয়েনায় বাস করেন। রাজধানীর বাইরে অন্যান্য শহরেও ব্যাপক উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে ঈদ উদ্‌যাপন করেছেন প্রবাসী বাংলাদেশিরা।

আর/১০:১৪/০১ সেপ্টেম্বর

অন্যান্য

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে