Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English

গড় রেটিং: 0/5 (0 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

print

আপডেট : ০৭-২৩-২০১৭

তাজউদ্দীন আছেন ইতিহাসের সঙ্গে

শুভ কিবরিয়া


তাজউদ্দীন আছেন ইতিহাসের সঙ্গে

যুদ্ধদিনের প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদ (১৯২৫-১৯৭৫) বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে এক ব্যতিক্রমী নাম। ব্যতিক্রমি এই কারণে যে, বিশাল ক্যারিশমার অধিকারী না হয়েও শুধু সততা, দক্ষতা, নীতিনিষ্ঠতা, চিন্তাশক্তির অনুশীলন, আধুনিক পঠন পাঠন এবং সার্বক্ষণিক রাজনীতির চর্চা দিয়ে বাংলাদেশের রাজনীতির ইতিহাসে তিনি এক অমর জায়গা দখল করে আছেন।

অন্যকে মাড়িয়ে, অপরকে ঠেলে কিংবা তোষামুদি আর নীতিহীন আনুগত্য দিয়ে তিনি রাজনীতিতে বড় জায়গায় উঠতে চাননি। বরং এইসব পথচলতি ভড়ং আর অসততাকে অগ্রাহ্য করেই তার বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবনে সাহসের সাথেই এগিয়ে চলেছেন। কিন্তু যখনই সুযোগ পেয়েছেন তখনই সততা, যোগ্যতা, দক্ষতা, কর্মকুশলতা আর প্রাজ্ঞসর রাষ্ট্রনায়কসুলভ দুরদৃষ্টি দিয়ে প্রমাণ করেছেন এই ভূখন্ডের অনেক প্রাতঃস্মরণীয় রাজনীতিবিদদের চাইতে তিনি আলাদা।

তিনি কর্মীদের মুখে মুখে, স্লোগানে-মিছিলে উচ্চারিত জনপ্রিয়তম রাজনৈতিক নেতা ছিলেন না বটে কিন্তু দেশে ও বিদেশে যখনই কেউ তার সংস্পর্শে এসেছেন কর্মসূত্রে, তখনই তারা তার কর্মদক্ষতা আর বিচক্ষণতার পরিচয় পেয়ে আমৃত্যু তাকে স্মরণ করেছেন। বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে তিনি কিছুটা উপেক্ষিত এবং অবহেলিত বটে। তবে তার কারণ আমাদের রাজনৈতিক সংস্কৃতির নিম্নগামি রুচিহীনতা। কিংবা তাজউদ্দীন আহমদকে বুঝতে না পারার অক্ষমতা। সেটা তাজউদ্দীন আহমদের দোষ নয়, বরং আমাদের রাজনৈতিক সংস্কৃতির চিন্তাসুলভ দীনতা এবং নিদারুণ অক্ষমতা।

তাই হয়তো সরদার ফজলুল করিম একবার আক্ষেপ করে লিখেছিলেন, ‘‘হেগেলের দুর্বোধ্য ভাষায় ইতিহাসের দর্শন তত্ত্বের একটি পরিচিতি উক্তি হচ্ছে ‘বুদ্ধিমানেরা ইতিহাসের সঙ্গে যায়। নির্বোধকে ইতিহাস টেনে নেয়।’ তাজউদ্দীন আহমদ ছিলেন আমাদের সমকালীন সাথীদের অন্যতম সেই ব্যক্তি, যিনি ইতিহাসের গতিপথকে সচেতনভাবে অনুসরণ করেছেন। যিনি ইতিহাসের সঙ্গে গেছেন। তাজউদ্দীন আহমদ নির্বোধ ছিলেন না। তাজউদ্দীন আহমদ ‘বুদ্ধিমান’ ছিলেন।”

দুই.
তাজউদ্দীন আহমদ বুদ্ধিমান ছিলেন বলেই, ২৫ মার্চ ১৯৭১ সালের সেই বিভীষিকাময় মুহূর্তে কর্তব্য স্থির করতে দ্বিধা করেন নাই। বঙ্গবন্ধুর অনুপস্থিতিতে তারই নামে পরিচালিত প্রবাসে বাংলাদেশের প্রথম সরকারের হাল ধরেন এবং খুবই সুনিপুণভাবে সকল অভ্যন্তরীণ, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বাধা অতিক্রম করে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সফল পরিসমাপ্তির কাজটি সাফল্যের সাথেই শেষ করেন।

এবং স্বাধীনতার প্রাণপুরুষ বঙ্গবন্ধুকে পাকিস্তানি কারাগার থেকে জীবিত ও অক্ষত অবস্থায় মুক্তভাবে স্বাধীন বাংলাদেশের মাটিতে পদার্পণের জটিল রাজনৈতিক পদক্ষেপটি বাস্তবায়ন করতে সমর্থ হন। কিন্তু ইতিহাসের এক কঠিনতম সময়ের গৌরবময় সাফল্যের অধিকারি হয়েও এ নিয়ে তার তেমন উচ্চবাচ্য বা ঢোল বাজানোর চেষ্টা ছিল না। সেটা তার রুচি বা শিক্ষার অংশও ছিল না।

তাজউদ্দীন আহমদ অর্থনীতি এবং আইনের ছাত্র হলেও বিশ্ব ইতিহাসের পঠন ছিল তার করায়ত্ত। সে কারণেই মুক্তিযুদ্ধের উত্তাল দিনগুলোতে তাঁর সহকর্মীদের অনুপ্রাণিত করতেন এই বলে যে, ‘আসুন আমরা এমনভাবে কাজ করি ভবিষ্যতে যখন ঐতিহাসিকেরা বাংলাদেশের ইতিহাস রচনা করবে তখন যেন আমাদের খুঁজে পেতে কষ্ট হয়।’

তিনি নির্দ্বিধায় বলতেন, ‘মুছে যাক আমার নাম, তবু বেঁচে থাক বাংলাদেশ।’

এইটেই ছিল তাজউদ্দীন আহমদের অনন্য শক্তির জায়গা। আর এই জায়গাতেই তিনি ছিলেন এই  ভূখন্ডের অন্য অনেক রাজনীতিবিদদের চেয়ে  একদম আলাদা। হয়তো কিছুটা নিঃসঙ্গও। কিছুটা একলা চলার পথিক। সে কারণেই তাজউদ্দীন আহমদ বাংলাদেশের জনারণ্যে আজ তেমনভাবে স্মরিত মানুষ নন।
কিন্তু চিন্তাশীল মানুষের মননের জগতে তিনি এক অনন্য অনুকরণীয় মানুষ। যতদিন যাবে ততই এই মননশীল জগতে বাড়বে তার কদর। আমজনতার হৈ হট্টগোলের জগতে, রাজনৈতিক সুবিধাবাদের বিস্তীর্ণ দুনিয়ায় তার কদর না থাকলেও যে মনীষা আর চিন্তার দীপ্তিময় জগত মানুষের ভাবনাকে নাড়া দেয় সেই মেধাবী জগতে তিনি হয়ে উঠবেন ক্রমশ এক উজ্জ্বলতর নাম।

তিন.
তাজউদ্দীন আহমদ (১৯২৫-১৯৭৫) জন্মেছিলেন এখনকার গাজীপুর জেলার কাপাসিয়া থানার দরদরিয়া গ্রামে ১৯২৫ সালের ২৩ জুলাই। মেধাবী ছাত্র ছিলেন। পবিত্র কোরআনে হাফেজ ছিলেন। ভালো ছাত্র হিসেবে উন্নততর শিক্ষার আশায় স্কুলের শিক্ষকদের প্রেরণায় ক্রমাগত স্কুল পাল্টেছেন। পড়েছেন গ্রামের মক্তবে, নিজ বাড়ি থেকে দূরে ভুলেশ্বর প্রাইমারি স্কুলে, কাপাসিয়া মাইনর ইংরেজি স্কুলে।

পরে গেছেন কালিগঞ্জের মিশনারি স্কুল সেন্ট নিকোলাস ইনস্টিটিউশনে। সেখান থেকে ঢাকার মুসলিম বয়েজ হাইস্কুল ঘুরে গেছেন সেসময়ের বিখ্যাত মিশনারি বিদ্যাপীঠ সেন্ট গ্রেগরিজ হাইস্কুলে। এখান থেকেই কৃতিত্বের সঙ্গেই পাস করেছেন ম্যাট্রিকুলেশন। তৎকালীন কলকাতা শিক্ষাবোর্ডের অধীনে ১৯৪৪ সালে সেন্ট গ্রেগরিজ হাইস্কুল থেকে তিনি প্রথম বিভাগে ১২তম স্থান অধিকার করে ম্যাট্রিকুলেশন ডিগ্রি নেন।

স্কুলে থাকতেই জড়িয়ে পড়েন রাজনীতিতে। ইতিহাসের তথ্য সাক্ষ্য দেয়, তাজউদ্দীন আহমদ পূর্ব বাংলায় মুসলীম লীগের প্রাদেশিক রাজনীতিতে যুক্ত হন স্কুলে থাকা অবস্থাতেই। ১৯৪৩ সালেই ঢাকার প্রাদেশিক মুসলিম লীগের প্রগতিশীল অংশের অফিস ও সংগঠন গড়ার কাজে ব্যাপৃত হন। সার্বক্ষণিক কর্মী হিসেবে আত্মনিয়োগ করেন। যে ৪ জন সার্বক্ষণিক কর্মী নিয়ে ঢাকার প্রাদেশিক মুসলিম লীগের প্রগতিশীল অংশের পার্টি অফিস গড়ে উঠে তিনি ছিলেন তাদের মধ্যে কনিষ্ঠতম (অন্যরা হলেন শামসুল হক, শামসুদ্দীন, মোহাম্মদ শওকত আলী)।

ছাত্র রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়ার কারণেই নিয়মিত ছাত্র হিসেবে যথাসময়ে তিনি ইন্টারমিডিয়েট পরীক্ষা দিতে পারেন নাই। ১৯৪৮ সালে অনিয়মিত ছাত্র হিসেবে স্যার সলিমুল্লাহ মুসলিম কলেজ থেকে ইন্টারমিডিয়েট পরীক্ষা দেন। ইন্টারমিডিয়েটে  তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান বোর্ডে মেধা তালিকায় তিনি ৪র্থ স্থান লাভ করেন। এরপর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগে ভর্তি হন। সেখান থেকে স্নাতক ডিগ্রি লাভ করেন। ১৯৫৮ সালে এমএলএ নির্বাচিত হন। ক্রমান্বয়ে আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ স্থান পূর্ণ করে বঙ্গবন্ধুর অন্যতম রাজনৈতিক সহকর্মী হয়ে ওঠেন।

১৯৬৬ সালে ৬ দফার আন্দোলনের বছরেই দলের সাধারণ সম্পাদক পদে নির্বাচিত হন। ১৯৭০ সালের নির্বাচনে জাতীয় পরিষদের সদস্য হন। ১৯৭১ সালে প্রবাসে অবস্থিত বাংলাদেশের প্রথম সরকারের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে অসামান্য দায়িত্ব পালন করেন। বঙ্গবন্ধু ফিরে এলে স্বাধীন দেশে প্রথম অর্থমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৭৪ সালের ২৬ অক্টোবর মন্ত্রীর পদ থেকে সরে দাঁড়ান। ১৫ আগস্ট, ১৯৭৫ ঘাতকদের হাতে বঙ্গবন্ধু সপরিবারে নিহত হলে তিনি গ্রেপ্তার হন। এবং ১৯৭৫ সালের ৩ নভেম্বর জেলখানায় তাকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়।

চার.
তাজউদ্দীন আহমদের জন্মদিনে(২৩ জুলাই) আমরা তাই তাঁকে স্মরণ করছি শ্রদ্ধাভরে। কেমন মানুষ ছিলেন তাজউদ্দীন আহমদ? কেমন ছিল তার কর্মপদ্ধতি , কেমন ছিলো তার মানবিক বোধ- সে সম্পর্কে জানা যায় তার সহকর্মি সহযোদ্ধাদের কাছ থেকে। স্বাধীনতার আগে থেকেই নানা বিষয়ে তাজউদ্দীন আহমদের কাজের সাথে জড়িয়ে পড়েন শিক্ষাবিদ, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য প্রয়াত খান সারওয়ার মুরশিদ।

মুক্তিযুদ্ধের সেই অসামান্য দিনগুলোতেও প্রবাসে অবস্থিত বাংলাদেশ সরকারের পরিকল্পনা কমিশনের সদস্য হিসাবেও তাঁকে দেখার সুযোগ হয়েছে জনাব মুরশিদের। সেই সময়ের স্মৃতিতর্পণ গ্রন্থিত আছে ‘তাজউদ্দীন আহমদ আলোকের অনন্তধারা-প্রথম খন্ড’ বইয়ে।  খান সারওয়ার মুরশিদ লিখছেন;
০১. ‘লাহোর বৈঠকে যোগ দিতে শেখ সাহেবের বিশেষ আমন্ত্রণে আমি তাঁর সফরসঙ্গী হয়েছিলাম। সেখানে দেখেছি তাজউদ্দীন কেমন পরিশ্রমী ছিলেন। অনেক সভা, অনেক আলোচনা, অনেকের সাথে দেখাসাক্ষাতের পর রাতে ক্লান্ত হয়ে সবাই ঘুমিয়ে গেছেন। এদিকে সংবাদপত্রের জন্য একটা বিবৃতি তৈরি করে তার কপি করে, প্রুফ দেখে ঠিক করে রাখতে হবে। আমিও ঘুমিয়ে পড়েছি।

হঠাৎ ঘুম থেকে উঠে দেখি তাজউদ্দীন সাহেব তখনও সেই সংশোধনগুলো করছেন। অনেক গভীর রাত তখন। এই কাজটা এমন একজন বড় নেতার না করলেও চলত, অন্য কোন কর্মীকে দিয়ে করালেও চলত, কিন্তু তিনি তাঁর দায়িত্বের ব্যাপারে এতটাই যত্নশীল ছিলেন যে কাজটা না করে তিনি স্বস্তি পাচ্ছিলেন না এবং না শেষ করে তিনি ঘুমাতেও যাননি। দায়িত্বশীল এবং পরিশ্রমী ব্যক্তি ছিলেন এটাই বলতে চাইছি আমি।’

০২. ‘আমার একটি কথা বিশেষভাবে মনে আছে, যে দিন ভারত আমাদেরকে স্বীকৃতি দিল, ৬ ডিসেম্বর (১৯৭১) ভারত যখন যুদ্ধের জন্য তৈরি, সেদিন তাজউদ্দীন কিন্তু কেঁদে ফেলেছিলেন সাংবাদিকদের সামনে। তাজউদ্দীনের সাথে শেখ সাহেবের কী যে সম্পর্ক ছিল সেটা আমি বুঝতে পারিনি। সেদিন তাজউদ্দীন না কাঁদলে আমি খুশি হতাম হয়ত। সেদিন তাজউদ্দীন বললেন, ‘বাংলাদেশের আজ জন্ম হল।

পৃথিবীর একটি প্রধান রাষ্ট্র বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দিল। এবং এই রাষ্ট্রের যিনি সত্যিকার জনক তিনি এই দৃশ্যটি দেখবার জন্য উপস্থিত নেই। তিনি এই ঘটনাটিতে অংশ নেয়ার জন্য এখানে নেই। আজ তাঁর অনুপস্থিতি আমি অন্তরাত্মা দিয়ে উপলদ্ধি করছি।’ তাজউদ্দীনের চোখ দিয়ে বেশ খানিকটা জল গড়িয়ে পড়ল। দেশে যুদ্ধ চলছে, এক অর্থে তাজউদ্দীন কিন্তু সেই যুদ্ধের জনকও।

তাই বলছিলাম, প্রধানমন্ত্রীর চোখ দিয়ে জল পড়বে কেন। জল যদি থাকেই সেটা অনুভবে থাকবে। বুঝতে পারছি তাঁর আন্তরিকতা, নেতার প্রতি তাঁর আনুগত্য ভালবাসা। এটা পরিষ্কার, তাজউদ্দীন সৎ মানুষ ছিলেন, চোখের পানি চেপে রাখতে পারেননি।’

০৩. ‘মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে একটা ঈদ হয়েছিল। বাংলাদেশের মানুষের জন্য সেটা তো আর আনন্দের ঈদ ছিল না, আমাদের সবার মন তো ভারাক্রান্ত, তবু তো আমার ছোট্ট একটা সংসার ওখানে ছিল। যতদূর মনে পড়ে আমার, ঈদ উপলক্ষে সামান্য কিছু টাকা নিয়ে আগের দিন রাতে তিনি আমাদের বাড়িতে এসে উপস্থিত হলেন। আমাকে বললেন না কেন হঠাৎ করে প্রধানমন্ত্রী আমাদের সেই আমির আলি অ্যাভিনিউয়ের নিচতলার ফ্ল্যাটে চলে এলেন।

আমি যখন এদিকে তখন তিনি রান্নাঘরে গিয়ে আমার স্ত্রীর সাথে কথা বললেন এবং হাতে ক’টা টাকা গুঁজে দিলেন। এই মানবিক টাচটা তুলনাহীন। আমার দৃঢ় বিশ্বাস, তিনি হয়ত অন্য আরো কারো কারো কথাও মনে করেছিলেন। যদিও আমাদের কারো মনে সেই যুদ্ধদিনে অনুভব ছিল না যে ঈদ বলে কিছু আছে।

তিনি হয়ত ভাবলেন, এই মানুষগুলো তো আমার চারিদিকে আছে, এদের পরিবার আছে, আমার পরিবার থেকে আমি না হয় দূরে থাকছি। এই যে একটা অনুভূতি, শত ব্যস্ততার মাঝে মানুষটি নিজে চলে এলেন, এটি আমাদের জন্য খুবই উল্লেখযোগ্য ছিল।’

শুভ কিবরিয়া : সাংবাদিক, কলামিস্ট; নির্বাহী সম্পাদক, সাপ্তাহিক।
[email protected]

এমএ/ ১০:১১/ ২৩ জুলাই

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে