Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, বুধবার, ২২ জানুয়ারি, ২০২০ , ৮ মাঘ ১৪২৬

গড় রেটিং: 4.0/5 (1 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)


আপডেট : ১১-১৯-২০১২

‘তারেকের সঙ্গে যোগাযোগ রাখতেন রেজ্জাকুল’


	‘তারেকের সঙ্গে যোগাযোগ রাখতেন রেজ্জাকুল’

ঢাকা , নভেম্বর ১৯ - খালেদা জিয়ার ছেলে তারেক রহমানের সঙ্গে ডিজিএফআইয়ের পরিচালক রেজ্জাকুল হায়দার চৌধুরী যোগাযোগ রাখতেন বলে আদালতে জানিয়েছেন ওই সংস্থার সাবেক প্রধান সাদিক হাসান রুমি। 

২১ অগাস্ট গ্রেনেড হামলার মামলায় সাক্ষ্য দিতে ঢাকার ১ নম্বর দ্রুতবিচার ট্রাইব্যুনালে আসা সাদিক সোমবার আসামি পক্ষের আইনজীবীদের জেরায় এই তথ্য জানান। 
 
২০০৪ সালে গ্রেনেড হামলার সময় প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা সংস্থার মহাপরিচালক ছিলেন সাদিক হাসান। 
 
ওই সময়ে পরিচালকের দায়িত্বে থাকা অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল রেজ্জাকুল ও তারেক রহমান দুজনই শেখ হাসিনাকে হত্যাচেষ্টার এই মামলার আসামি। 
 
অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল সাদিক হাসান বলেন, বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান (তৎকালীন জ্যেষ্ঠ যুগ্মমহাসচিব) তারেকের পাশাপাশি স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবরের সঙ্গে যোগাযোগ রাখতেন রেজ্জাকুল। 
 
২০০৪ সালে বিএনপি-জামায়াত জোট সরকার আমলে গ্রেনেড হামলার তদন্ত ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার অভিযোগ ওঠে। ওই সময়ে স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্বে থাকা বাবরও এই মামলার আসামি। 
 
মামলার পলাতক আসামি খালেদা জিয়ার সাবেক রাজনৈতিক সচিব হারিছ চৌধুরীর সঙ্গে যোগাযোগ হত কি না- আসামি পক্ষের আইনজীবীদের এই প্রশ্নে হাসান সাদিক বলেন, তার সঙ্গে মোবাইল ফোনে কথা হত। 
 
নাজিম উদ্দিন রোডে কেন্দ্রীয় কারাগারের সামনে স্থাপিত ঢাকার ১ নম্বর দ্রুত বিচার ট্রাইবুনালের বিশেষ এজলাসে সোমবার দ্বিতীয় দিনের মতো জেরার মুখোমুখি হন সাদিক হাসান। 
 
তারেক রহমানের আইনজীবী আকতার হোসেনসহ আসামি পক্ষের আইনজীবীরা তাকে জেরা করেন। 
 
দ্বিতীয় দিনের জেরার পর বিচারক শাহেদ নূর উদ্দিন আগামী ২১ নভেম্বর মামলার এই সাক্ষীকে জেরার জন্য নতুন দিন রাখেন। 
 
সাদিক হাসান রোববার জেরার মুখে স্বীকার করেন, ২০০৭ সালে জরুরি অবস্থা জারির পর খালেদা জিয়াকে বিদেশ পাঠানোর অনুরোধ জানিয়ে ওই সময়কার সেনাপ্রধান মইন উ আহমেদের বার্তা নিয়ে বিএনপি চেয়ারপারসনের বাড়িতে গিয়েছিলেন তিনি। 
 
হাসান সাদিক গ্রেনেড হামলার এই মামলায় রাষ্ট্রপক্ষে সম্পূরক অভিযোগপত্রের ১৪ নম্বর সাক্ষী। 
 
বর্তমান সরকার আমলে অধিকতর তদন্তের পর তারেক রহমানসহ আরো ৩০ জনকে আসামির তালিকায় যোগ করে এই মামলার সম্পূরক অভিযোগপত্র দেয়া হয়। 
 
এর আগে তত্ত্বাবধায়ক সরকার আমলে ২২ জনকে আসামি করে অভিযোগপত্র দিয়েছিল সিআইডি। 
 

জাতীয়

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে