Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, মঙ্গলবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ , ১৩ ফাল্গুন ১৪২৬

গড় রেটিং: 0/5 (0 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)


আপডেট : ১১-০৮-২০১২

অবৈধভাবে গ্যাস সংযোগদাতাদের চিহ্নিত করার নির্দেশ


	অবৈধভাবে গ্যাস সংযোগদাতাদের চিহ্নিত করার নির্দেশ

একটি বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠনের মাধ্যমে গ্যাসের অবৈধ সংযোগ দাতাদের চিহ্নিত করে চার সপ্তাহের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলেছে হাই কোর্ট।
এক রিট আবেদেনের প্রাথমিক শুনানি করে বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ ও বিচারপতি শেখ হাসান আরিফের বেঞ্চ বৃহস্পতিবার এই আদেশ দেয়।
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ সচিব, অর্থ সচিব, পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যানকে নিজ নিজ দপ্তরের ‘উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তাদের’ সমন্বয়ে ছয় সদস্যের এই কমিটি করতে বলা হয়েছে।
২০১০ সালের ১৩ জুলাইয়ের আগে গ্যাসের মোট ব্যবহার ও গ্যাস সংযোগের সংখ্যা এবং বর্তমানে গ্যাস ব্যবহারের মোট পরিমাণের তথ্যও প্রতিবেদন আকারে আদালতে জমা দিতে হবে চার সপ্তাহের মধ্যে।
গ্যাস ট্রান্সমিশন কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক, তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন ও ডিন্সিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক, বাখরাবাদ গ্যাস সিস্টেম লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচারককে এই প্রতিবেদন দিতে হবে।
গ্রহীতাদের গ্যাস সংযোগ না দিতে সরকারের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার না হওয়া পর্যন্ত নতুন করে আর কোনো গ্যাস সংযোগ না দিতে এখনই ব্যবস্থা নিতে বলেছে আদালত।
তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন ও ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক, বাখরাবাদ গ্যাস সিস্টেম লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচারককে এই নির্দেশের ভিত্তিতে ব্যবস্থা নিয়ে দুই সপ্তাহের মধ্যে আদালতকে জানাতে হবে।
দেশের বিভিন্ন শহরে গ্রাহক পর্যায়ে গ্যাসের অবৈধ সংযোগ দেয়া বন্ধ করতে কেন অবিলম্বে ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেয়া হবে না- তা জানতে চেয়ে একটি রুল দিয়েছে আদালত। অবৈধ সংযোগ দেয়ার সঙ্গে জড়িত কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনি ব্যবস্থা নিতে কেন নির্দেশ দেয়া হবে না, তাও জানতে চাওয়া হয়েছে ওই রুলে।
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ সচিব, অর্থ সচিব, পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যান, গ্যাস ট্রান্সমিশন কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক, তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন ও ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক, বাখরাবাদ গ্যাস সিস্টেমস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচারক ও দুর্নীতি দমন কমিশনের চেয়ারম্যানকে চার সপ্তাহের মধ্যে রুলের জবাব দিতে হবে।
হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশের পক্ষে অ্যাডভোকেট আসাদুজ্জামান সিদ্দিকী, এখলাস উদ্দিন ভূঁইয়া ও মাহবুবুল ইসলাম সকালে এই রিট দায়ের করেন। রিটকারীর পক্ষে শুনানিতে উপস্থিত ছিলেন মনজিল মোরসেদ।
গত সেপ্টেম্বরের ১ ও ৭ তারিখে দৈনিক প্রথম আলোতে দুটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়।
‘গ্যাস-সংযোগ বন্ধ করে দুর্নীতির ক্ষেত্র তৈরি’ এবং ‘একশ্রেণীর কর্মচারী ও ঠিকাদারের পকেট ভারি/ চট্টগ্রামে নতুন গ্যাস সংযোগ দেওয়া হয়েছে ৩০ হাজার!’ শিরোনামে প্রকাশিত ওই দুটি প্রতিবেদন যুক্ত করা হয় এই রিট আবেদনের সঙ্গে।
প্রথম প্রতিবেদনে বলা হয়, “সরকার বন্ধ ঘোষণা করলেও গোপনে এবং নানা কৌশলে গ্যাসের নতুন সংযোগ দেয়া-নেয়া চলছে। অবৈধ লেনদেনের মাধ্যমে এসব সংযোগ দেয়া হচ্ছে। গ্রাহকরা বলছেন, গ্যাস-সংযোগ বন্ধ করে সরকারই দুর্নীতির ক্ষেত্র তৈরি করে রেখেছে।”
“সরকারি হিসাবে শুধু আবাসিক খাতে প্রতিদিন সাড়ে পাঁচ কোটি (৫৫ মিলিয়ন) ঘনফুট গ্যাসের অবৈধ ব্যবহার হচ্ছে। সরকার নতুন সংযোগ বন্ধ ঘোষণা করার পর প্রায় দুই বছরে আবাসিক খাতে এই সাড়ে পাঁচ কোটি ঘনফুট গ্যাসের ব্যবহার ও সরবরাহ বেড়েছে।”
সরকার ২০০৯ সালের ২১ জুলাই শিল্প ও বাণিজ্যিক এবং ২০১০ সালের ১৩ জুলাই আবাসিক খাতে নতুন গ্যাস-সংযোগ দেয়া বন্ধ ঘোষণা করে।
প্রথম আলোর দ্বিতীয় প্রতিবেদনে বলা হয়, সরকার নতুন গ্যাস সংযোগ বন্ধ ঘোষণা করার পর চট্টগ্রাম মহানগর ও আশপাশের উপজেলাগুলোতে প্রায় ৩০ হাজার নতুন সংযোগ দেয়া হয়েছে।
কর্ণফুলী গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির (কেজিডিসিএল) একশ্রেণীর কর্মচারী ও কিছু ঠিকাদার এর সঙ্গে প্রত্যক্ষভাবে জড়িত বলে অভিযোগ রয়েছে।

জাতীয়

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে