Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, শনিবার, ১১ জুলাই, ২০২০ , ২৭ আষাঢ় ১৪২৭

গড় রেটিং: 4.0/5 (3 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)


আপডেট : ১০-২৮-২০১২

কোরবানির বর্জ্য অপসারণ কাজে ধীরগতি


	কোরবানির বর্জ্য অপসারণ কাজে ধীরগতি

ঈদের দিন শনিবার সকালে ঈদের জামাত শেষে পশু কোরবানির পর রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন স্থান থেকে বর্জ্য অপসারণ শুরু করেছেন ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের পরিচ্ছন্নতা কর্মীরা। কিন্ত অপসারণে ধীরগতির ফলে দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়ছে।
এবারের কোরবানির ঈদে রাজধানীতে ৪০ লক্ষাধিক পশু জবাই করার প্রক্রিয়া সকাল থেকেই শুরু হয়েছে। এর মধ্যে অধিকাংশ পশু জবাই করা হয়েছে। জবাইকৃত পশুর বর্জ্য-রক্ত নগরীর অলিগলি ছাপিয়ে মূল সড়কগুলোতেও পড়ে রয়েছে।
পরিচ্ছন্নতার দায়িত্বে থাকা সিটি করপোরেশনের কার্যক্রম ঢিলেঢালা বলে অভিযোগ করেছেন ‍অনেক এলাকাবাসী। তারা বলেছেন, ডিসিসির গাড়ি না আসায় ব্যক্তি উদ্যোগে কিছুটা পরিষ্কারের কাজ করছেন স্থানীয়রা।
রাত ৭টার পর থেকে সরেজমিনে রাজধানীর উত্তরা, মগবাজার, মালিবাগ, শান্তিনগর, মতিঝিল, টিকাটুলী, নারিন্দা, সূত্রাপুর, বংশাল, হাজারীবাগ, মোহাম্মদপুর ও বাড্ডা  এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, রাস্তারর যত্রতত্র জবাইকৃত পশুর রক্ত-বর্জ্য পড়ে রয়েছে। বনানীর কাকলী বাজারে গরুর হাট ধোয়ার কাজ চলছে।
বাড্ডা রোডের গরুর হাটের ময়লা এখনো সরানো হয়নি। কেরাণীগঞ্জ রোডের ময়লাও পরিস্কার হয়নি। পুরান ঢাকার বিভিন্ন এলাকায়ও ড্রেনে ফেলা নাড়ি-ভূড়ি পচে এখন ভয়ানক দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে। ফলে ঈদের দিনও পচা দুর্গন্ধের কারণে মহানগরের বিভিন্ন সড়কে পথচারী ও যাত্রীদের মুখে রুমাল চেপে চলাচল করতে দেখা গেছে।
স্থানীয়রা জানিয়েছেন, এগুলো তাড়াতাড়ি পরিষ্কার করা না হলে দুর্গন্ধ ও দূষণ ছড়াতে শুরু করবে, যা নগরবাসীকে ভোগান্তিতে ফেলবে।
অনেকে আবার কসাই সংকটের কারণে শনিবার কোরবানি দিতে পারেননি। তারা ঈদের পরের দিন কোরবানি দেবেন।
প্রতিবার কোরবানির ঈদে দেখা যায়, কোরবানির পশুর রক্ত ও বর্জ্য যেখানে সেখানে ফেলার কারণে নগরের পরিবেশ দূষিত হয়। পরিবেশ দূষণের অন্যতম বড় কারণ এই পশুর রক্ত ও বর্জ্য। পশুর এসব বর্জ্য নিয়ে দেখা দেয়া বিড়ম্বনা। যেখানে-সেখানে বর্জ্য ফেলায় পরিবেশ দূষিত তো হয়ই, পাশাপাশি মানুষের চলাচলের ক্ষেত্রেও সৃষ্টি হয় প্রতিবন্ধকতা। এজন্য রাজধানীর স্বাভাবিক পরিবেশে ফিরিয়ে আনতে হিমশিম খেতে হয় ঢাকা সিটি করপোরেশনকে।  
ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপক ক্যাপ্টেন বিপন কুমার সাহা জানান, প্রায় সব এলাকায় পানির ট্যাংকির মাধ্যমে পানি ছিটানোর ব্যবস্থা করা হয়েছে। পশুর হাটে ব্লিচিং পাউডার ছিটিয়ে দেওয়া হয়েছে। তাদের বর্জ্যে যাতে সড়ক ও পরিবেশের স্বাভাবিকতা নষ্ট না হয়, সে জন্য প্রতিষেধক স্যাভলন মেশানো পানি দিয়ে ধোয়া-মোছার কাজ করা হয়েছে।
তিনি বলেন, ‘‘এরপরও নগরের কোথাও পশুর বর্জ্য পড়ে থাকতে দেখলে তা ঢাকা সিটি কর্পোরশেনের নিয়ন্ত্রণ কক্ষকে জানানোর জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করা হয়েছে। আমরা আশা করছি, রোববারের মধ্যে প্রায় অধিকাংশ ময়লা পরিস্কার করা সম্ভব হবে। তবে আমরা এ কাজে সবার সহযোগিতা চাই।’’

জাতীয়

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে