Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, শনিবার, ১৮ জানুয়ারি, ২০২০ , ৫ মাঘ ১৪২৬

গড় রেটিং: 3.0/5 (10 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ০৬-০১-২০১৭

গাড়ির প্রযুক্তি ‘মিথ্যাবাদী’ বানিয়ে দিল বিক্রমকে

গাড়ির প্রযুক্তি ‘মিথ্যাবাদী’ বানিয়ে দিল বিক্রমকে

কলকাতা, ০১ জুন- মডেল সনিকা নিহতের ঘটনায় বিক্রমের গাড়িই ‘মিথ্যাবাদী’ বানিয়ে দিল তাকে! আত্মঘাতী গোল খেলেন টলিপাড়ার এই মুহূর্তের সবচেয়ে ‘বিতর্কিত’ অভিনেতা।

নিজের গাড়ির ‘ব্ল্যাক বক্স’ প্রযুক্তির ব্যাপারে জানতেন না অভিনেতা বিক্রম চট্টোপাধ্যায়। দুর্ঘটনার রাতে বিক্রম মদ্যপ অবস্থায় বেপরোয়া গতিতে গাড়ি চালাচ্ছিলেন বলে অভিযোগ উঠলেও তিনি দাবি করেছেন গাড়ির গতি নিয়ন্ত্রণেই ছিল। 

অথচ তাঁর গাড়িতে যে বিমানের ‘ব্ল্যাক বক্স’-এর মতো ইভেন্ট ডেটা রেকর্ডার (ইডিআর) রয়েছে তা জানতেনই না বিক্রম, এমনটাই খবর তার ঘনিষ্ঠ সূত্র থেকে। ওই ইডিআর যন্ত্রেই দুর্ঘটনার আগে পর্যন্ত প্রতি সেকেন্ডে গাড়ির গতির হিসেব নথিবদ্ধ হয়েছে। সেই যন্ত্রের রিপোর্টের ভিত্তিতেই বিক্রমের বিরুদ্ধে ৩০৪ ধারায় অনিচ্ছাকৃত খুনের মামলা রুজু করার অনুমতি দিয়েছে আদালত।

দুর্ঘটনার রাতে বিক্রম টয়োটা করোলা অল্টিস মডেলের গাড়ি চালাচ্ছিলেন। বিমানের ক্ষেত্রে যেমন ব্ল্যাক বক্স দুর্ঘটনার আগে পর্যন্ত এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলের সঙ্গে পাইলটদের কথোপকথন রেকর্ড হয়। যা পরবর্তীতে দুর্ঘটনার কারণ খুঁজে বের করতে সাহায্য করে। 

তেমনই বিক্রমের গাড়িতেও ইডিআর যন্ত্র ছিল৷ সেখানে দুর্ঘটনার আগে পর্যন্ত প্রতি মুহূর্তে গাড়ির গতিবেগ, গাড়িতে কোনও যান্ত্রিক ত্রুটি ছিল কিনা, সিটবেল্ট বাধা ছিল কিনা-সহ সবরকমের তথ্য রেকর্ড হয়েছে। সেই রিপোর্টেই স্পষ্ট হয়েছে যে বিক্রম নিজের দায় এড়ানোর চেষ্টা করেছে।  

পুলিশ মনে করছে, বিক্রম তার গাড়ির ইডিআর প্রযুক্তির কথা জানতেন না বলেই বিভ্রান্তিকর তথ্য দিয়ে নিজের দায় এড়ানোর চেষ্টা করেছিল। এক অফিসার বলেন, ‘‘গাড়ির প্রযুক্তি সম্পর্কে জানা থাকলে বিক্রম তার গাড়ির গতি নিয়ে সাংবাদিক সম্মেলনে মুখ খুলত না বা বিভ্রান্তিকর তথ্য দিত না।’’

বিক্রমের গাড়ির ফরেন্সিক রিপোর্ট বলছে, দুর্ঘটনার সময় বিক্রমের গাড়ির গতি ছিল প্রতি ঘণ্টায় ৯০ থেকে ১১৫ কিলোমিটারের মধ্যে। দুর্ঘটনার ৪.৬ সেকেন্ড আগে গতি ছিল ১০৫ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টা। ২.১ সেকেন্ড আগে গতি ছিল ৯৩ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টা। দুর্ঘটনার ১.৬ সেকেন্ড আগে পর্যন্তও ব্রেক কষে গাড়ি দাড় করানোরও চেষ্টা করেনি বিক্রম। 

কী হতে চলেছে জেনেও বিক্রম ব্রেক কষে গাড়ি দাড় করানোর চেষ্টা করেনি। বিক্রম নিজে সিটবেল্ট বাধলেও সোনিকা সিটবেল্ট বাধেননি বলে জানিয়েছে ফরেন্সিক রিপোর্ট। পুলিশ মনে করছে, এজন্যই চালক হিসেবে নিজের দায় এড়াতে পারেন না বিক্রম৷ তাই তার বিরুদ্ধে নতুন ধারা প্রয়োগ করা হয়েছে।

সূত্র: কলকাতা টোয়েন্টিফোর

আর/০৭:১৪/০১ জুন

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে