প্রধান সম্পাদক

নজরুল মিন্টো: আইডিএম (ইন্টারেক্টিভ ডিজিটাল মিডিয়া) বিশেষজ্ঞ, সাংবাদিক, লেখক, সংগঠক, সংস্কৃতিকর্মী।

জন্ম: ৬ই জুন ১৯৫৮। ফেঞ্চুগঞ্জ, সিলেট।

যেভাবে শুরু: ১৯৭৪ সাল থেকে লেখালেখি। শুরুতে কবিতা ও গান। বাংলাদেশ বেতারে প্রচারিত তাঁর লেখা বেশ কিছু গীতি আলেখ্য এবং দেশাত্মবোধক গান খুবই জনপ্রিয়তা পায়। তিনি নাইটিংগেল সংগীত বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা-পরিচালক ছিলেন।

সাহিত্য জগতে: সাহিত্যের প্রতি তাঁর ঝোঁক কৈশোর থেকে। ‘বর্ণমালা’ নামে একুশে সংঙ্কলন প্রকাশ এবং পরবর্তীতে ‘নবদিগন্ত সাহিত্য পরিষদ’ গঠন করে স্থানীয় কবি/সাহিত্যিকদের সংগঠিত করেন। তিনি বাংলাদেশ লেখক শিবিরের ফেঞ্চুগঞ্জ ইউনিটের সাংস্কৃতিক সম্পাদক ছিলেন।

সাংবাদিকতার শুরু: সিলেটের বিভিন্ন পত্রিকায় প্রকাশিত তাঁর লেখা সুশীল সমাজের দৃষ্টি আকর্ষণ করে। হিমাংশু ধর সম্পাদিত `দেশ বার্তা’ পত্রিকার মাধ্যমে তাঁর সাংবাদিক জীবন শুরু।

বিদেশ যাত্রা: ১৯৭৮ সালে বিদেশ যাত্রা। আশির দশকে আরব আমীরাতের সাংস্কৃতিক অঙ্গনে তিনি ছিলেন একজন বলিষ্ঠ সংগঠক। চলচ্চিত্র পরিবেশনা এবং শো’বিজ ওয়ার্ল্ডের একজন সফল প্রযোজক হিসেবে উপমহাদেশ জুড়ে পরিচিতিসহ ব্যাপক সুনাম অর্জন করেন। ১৯৮৯ সালে কানাডায় আগমণ।

শিক্ষা: কৃতিত্বের সাথে ইন্টারেক্টিভ ডিজিটাল মিডিয়া (আইডিএম) বিষয়ে উচ্চতর শিক্ষা (পোষ্ট গ্র্যাজুয়েট) লাভ। কমিউনিকেশন্স এণ্ড মিডিয়া ফাউন্ডেশনস-এ সম্মাননাসহ সার্টিফিকেট অর্জন। প্রিন্টিং টেকনোলজি (গ্রাফিক্স কমিউনিকেশনস) তে ডিপ্লোমা।

প্রশিক্ষণ: সংগীত, নৃত্য, অভিনয়, উচ্চারণ, ধ্যান, লেখালেখি, টিভি প্রোডাকশন্স, ইংরেজী ভাষা এবং কম্পিউটারের নানান শাখায় প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন।

বাংলার মুখ: ১৯৯০ সালে তিনি টেলিজার্ণাল ‘বাংলার মুখ’ প্রতিষ্ঠা করে দেশের সাথে টরন্টোর বাঙালি কমিউনিটির এক সেতুবন্ধন তৈরি করেন।

দেশে বিদেশে: ১৯৯১ সালে ‘দেশে বিদেশে’ পত্রিকা প্রকাশ ছিল কানাডার বাংলাভাষীদের জন্য একটি ঐতিহাসিক ঘটনা। আর এ ইতিহাসের স্রষ্টা হিসেবে সমগ্র উত্তর আমেরিকায় তিনি ব্যাপকভাবে সম্মানিত হন এবং বিভিন্ন সম্মাননা লাভ করেন।

ভিশন অব বেঙ্গল: ১৯৯১ সালে তিনি টরন্টোর রজার্স কেবল থেকে ‘ভিশন অব বেঙ্গল’ নামে একটি বাংলা টিভি অনুষ্ঠান প্রযোজনা করেন।

কমিউনিটি বিনির্মাণে: তিনি টরন্টোর প্রথম সংগঠন বাংলাদেশ অ্যাসেসিয়েশন অব কানাডার সাংস্কৃতিক সম্পাদক (১৯৯০-১৯৯১) ছিলেন। ঐ সময় টরন্টোর রানিমেইড এলাকায় বাংলাদেশী নতুন প্রজন্মকে বাংলা শেখানোর জন্য একটি বাংলা স্কুল প্রতিষ্ঠা করেন। বিভিন্ন আয়োজনের মাধ্যমে তিনি বাংলাদেশ কমিউনিটিতে সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডের বিস্তার ঘটান।

প্রবাসীদের অধিকার আদায়ে: প্রবাসী বাংলাদেশীদের বিভিন্ন অধিকার নিয়ে সরকারের সাথে দেনদরবারসহ দেশে দেশে সভা-সমাবেশ, লেখালেখি, সংবাদ সম্মেলন, টক শো, মত বিনিময় সভা, গোল টেবিল বৈঠকের আয়োজন করে তিনি প্রবাসীদের মধ্যে ব্যাপক জনপ্রিয়তা লাভ করেন। ভোটাধিকার, সনদ ছাড়া দ্বৈত-নাগরিকত্ব সহ প্রবাসীদের জন্য বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা অর্জনে তাঁর অবদান উল্লেখযোগ্য। কানাডার বিভিন্ন শহরে দূতাবাসের কার্যক্রম শুরু করতে তিনি বিশেষ ভূমিকা রাখেন। তাঁর অফিসেই এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়।

সদস্য:

  • কানাডিয়ান অ্যাসোসিয়েশন অব জার্নালিষ্টস (সিএজে)
  • কমনওয়েলথ জার্নালিষ্টস অ্যাসোসিয়েশন (সিজেএ)
  • পেন কানাডা
  • রোটারি ইন্টারন্যাশানাল
  • ঢাকা ক্লাব লিমিটেড, বাংলাদেশ
  • উপদেষ্টা: অপটিমিষ্ট, যুক্তরাষ্ট্র (একটি চ্যারিটি সংগঠন)

এওয়ার্ড লাভ:

  • এথনিক প্রেস কাউন্সিল অব ক্যানাডা (১৯৯৫)
  • ফোবানা এওয়ার্ড (১৯৯৭)
  • অন্টারিও সরকার, ক্যানাডা (১৯৯৮)
  • অটোয়া মুসলিম অ্যাসোসিয়েশন (২০০০)
  • দ্য অপটিমিষ্ট, যুক্তরাষ্ট্র (২০০৭)
  • ফোবানা এওয়ার্ড (২০১২)
  • সেন্টেনিয়াল কলেজ ডিনস্ এওয়ার্ড (২০১২)

প্রকাশনা: উত্তর আমেরিকার চালচিত্র (২০০৯)
প্রকাশিতব্য গ্রন্থ: মুক্তিযুদ্ধে ফেঞ্চুগঞ্জ, আংশিক সত্য (উপন্যাস)

ভ্রমণ: এশিয়া, ইউরোপ, মধ্যপ্রাচ্য এবং উত্তর আমেরিকার বিভিন্ন দেশ ছাড়াও তাঁর উল্লেখযোগ্য ভ্রমণ হচ্ছে বাংলাদেশের ৬৪ জেলা এবং পশ্চিমবঙ্গ, আসাম ও ত্রিপুরার বাংলাভাষী অঞ্চল।

শখ: বই পড়া, লেখালেখি, ব্লগিং, মুভি দেখা, গান শোনা, ভ্রমণ, প্রযুক্তির সর্বোত্তম ব্যবহার এবং হাসিখুশি।

Email: [email protected]

Visit me on social media: Twitter Facebook LinkedIn Pinterest

Skype: nazrul.minto

Cell: 416-822-2023 (Canada), 0171 508 1106 (BD)

Back to top button