logo

ট্রলের শিকার হয়ে যা বললেন নুসরাত

ট্রলের শিকার হয়ে যা বললেন নুসরাত

কলকাতা, ১৫ মার্চ- ভারতে চলছে নির্বাচনের ডামাডোল। সেই ডামাডোলের শব্দ গিয়ে পৌঁছেছে কলকাতার সিনেমা পাড়াতেও।

এবার তৃণমুল কংগ্রেসের জন্য টালিউড সুন্দরী নুসরাত জাহান ও মিমি চক্রবর্তীকে পছন্দ করেছেন দলের প্রধান মমতা ব্যানার্জি।

পশ্চিমবঙ্গের উত্তর ২৪ পরগনার বসিরহাট কেন্দ্র থেকে তৃণমুল কংগ্রেসের প্রার্থী হয়েছেন এই চিত্রতারকা।

রাজনীতিতে নুসরাতের পা রাখার বিষয়কে মেনে নিচ্ছেন না দেশটির অনেকেই। মঙ্গলবারে নুসরাত ও মিমির নাম ঘোষণার পর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তারা দুজনেই ট্রোলড হচ্ছেন নিয়মিত।

বিশেষকরে নুসরাতকে উদ্দেশ্য করে ট্রল ও সমালোচনায় মেতে ওঠে নেত জনতা।

এবার এসব ব্যাঙ্গাত্মক সমালোচনার জবাব এলো নুসরাত জাহানের কাছ থেকে।

তিনি বললেন, এসব অপসংস্কৃতি ছাড়া আর কিছুই নয়।

তিনি সমালোচনাকারীদের এক হাত নিলেন, সোশ্যাল মিডিয়ায় নারীদের অবমাননা করা একটা ফ্যাশনে পরিণত হয়েছে। বিবেকহীন পুরুষেরা এটা করেন। তাদের সংখ্যা নগন্য। আমরা চাই, নারীদের প্রাপ্য সম্মান দেওয়া হোক। আমার মনে হয়, রাজনীতিতে এসে এই কাজটাই আমরা করতে পারব।”

এসব বলার পরেও তিনি রেগে যান। তিনি ক্ষোভ ঝাড়েন, যারা আমাকে নিয়ে এভাবে ট্রল করছে ওরা হয়ত জানেনো মা আর বোনদের কীভাবে সম্মান করতে হয়।

নুসরাত সিনেমা আর রাজনীতি একসঙ্গে চালিয়ে যেতে পারবেন কি-না, রাজনীতি কতটুক বোঝেন তিনি এমন প্রশ্নে মুখরিত ছিল পশ্চিমবঙ্গ।

তবে সিনেমার ক্যারিয়ার শেষ হয়ে গেছে নুসরাতের? এমন কথা চর্চা হচ্ছে সিনেমহলে।

এসব প্রশ্নের জবাবে নুসরাত জানিয়েছিলেন , ‘ রাজনীতি! বাড়ির কাজের মতোই আর একটা কাজ।’

কঠিন কিন্তু তার জন্য অসম্ভব নয় এমনটা জানিয়ে তিনি বলেছিলেন, রাজনীতির জন্য আমার সিনেমার ক্যারিয়ার কোনোভাবেই ক্ষতিগ্রস্ত হবে না। সেদিকে খেয়াল রেখেই দুটি দায়িত্ব পালন করে যাব।

নুসরতের মতে, ‘মানুষ এতদিন আমার অভিনয় ভালোবেসেছেন। এবার জনপ্রতিনিধি হিসেবে তাদের সেই ভালোবাসা ফিরিয়ে দিতে আমি একটা সুযোগ পেয়েছি।’

নুসরাতের এসব বক্তব্যের পরই তিনি আবারও ট্রলের শিকার হতে থাকেন।

এন এ / ১৫ মার্চ