logo

বিএনপি-আ.লীগ প্রার্থীর হাতে হাত রেখে শপথ

বিএনপি-আ.লীগ প্রার্থীর হাতে হাত রেখে শপথ

বরিশাল, ১১ ডিসেম্বর- বরিশাল-১ আসনে বিএনপির প্রার্থী মজিবর রহমান সরোয়ার নিরপেক্ষ ভোট নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, বিগত বরিশাল সিটি নির্বাচনে আমি মেয়র প্রার্থী ছিলাম। কিন্তু সিটি নির্বাচন শুরুর আগেই শেষ হয়ে যায়।

একাদশ সংসদ নির্বাচনে সিটি নির্বাচনের মতো কোনো ঘটনা ঘটবে না এমন প্রত্যাশা জানিয়ে সরোয়ার বলেন, শান্তিতে বিজয়’ হচ্ছে অর্থবহ নির্বাচন। তরুণরা এগিয়ে আসলে দেশের সকল মানুষের ভোটাধিকার নিশ্চিত হবে। সংসদ নির্বাচনে কারচুপি হলে গণপ্রতিরোধ গড়ে তোলা হবে। সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য তরুণদের সতর্ক থাকতে হবে।

এদিকে, আওয়ামী লীগের প্রার্থী কর্নেল (অব.) জাহিদ ফারুক শামীম বলেছেন, আমি নির্বাচিত হলে বরিশালকে মাদক মুক্ত এবং ভোলার গ্যাস বরিশালে এনে শিল্প প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার মাধ্যমে কর্মসংস্থানের সৃষ্টি করব। পদ্মা সেতু নির্মাণ শেষ হলে চাকরি করতে আর ঢাকায় যেতে হবে না। বরিশালে ব্যাপক কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে।

কীর্তনখোলা নদীর পূর্বতীরে নতুন শহর গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতি দিয়ে জাহিদ ফারুক শামীম বলেন, শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশে প্রযুক্তিখাতে বৈপ্লাবিক উন্নয়ন হয়েছে। দেশ এখন উন্নয়নের মহাসড়কে। এ উন্নয়ন অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখতে তরুণ ভোটারদের মুক্তিযুদ্ধের সপক্ষের প্রার্থীকে নির্বাচিত করার আহ্বান জানান। জাহিদ ফারুক শামীম অভিযোগ করেন, বিএনপি জনপ্রিয়তা হারিয়ে নির্বাচনকে বিতর্কিত করতে নানা অপপ্রচার চালাচ্ছে।

সোমবার দুপুরে একাদশ সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ডেমোক্রেসি ইন্টারন্যাশনাল (ডিআই) আয়োজিত ‘শান্তিতে বিজয়’ শীর্ষক প্রচারণা অনুষ্ঠানে বরিশাল-১ (সদর মহানগর) আসনে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির দুই প্রার্থী এসব কথা বলেন।

‘শান্তি জিতলে জিতবে দেশ’ এ প্রতিপাদ্যকে তুলে ধরে নগরীর রজনীগন্ধা কমিউনিটি সেন্টারে আয়োজিত অনুষ্ঠানে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির প্রার্থী ছাড়াও অংশ নেন জাতীয় পার্টির প্রার্থী মুরতজা আবেদীন।

তিনি দুর্নীতি মুক্ত থেকে বরিশালকে সন্ত্রাস ও মাদক মুক্ত করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে বলেন, স্বাধীনতার পর দেশে উন্নয়নের ধারা সৃষ্টি করেছিলেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান এইচএম এরশাদ। নির্বাচিত হতে পারলে হতদরিদ্র মানুষদের জন্য আবার গুচ্ছ গ্রাম নির্মাণ কার্যক্রম শুরু করব।

পরে তিন প্রার্থী একমঞ্চে উপস্থিত থেকে অবাধ নিরপেক্ষ নির্বাচনের দাবি জানিয়ে দুর্নীতি, সন্ত্রাাস ও মাদকের ছোবল থেকে ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে রক্ষা এবং শান্তিপূর্ণ অবস্থানে থাকার অঙ্গীকার করেন। অনুষ্ঠানে তিন শতাধিক তরুণ ভোটার অংশ নিয়ে শান্তির সপক্ষে শপথ নেন।

এরপর শান্তির প্রতীক পায়রা ওড়ান এবং শোভাযাত্রায় অংশ নেন তিন প্রার্থী। পরে তরুণদের শান্তির পক্ষে শপথ পাঠ করান শিক্ষাবিদ অধ্যাপক মো. হানিফ। এর আগে অনুষ্ঠিত হয় বিতর্ক ও কুইজ এবং সংগীত প্রতিযোগিতা।

সূত্র: জাগোনিউজ

আর/০৮:১৪/১১ ডিসেম্বর