logo

পিছু হঠতে বাধ্য করা হবে সরকারকে: বাম জোট

পিছু হঠতে বাধ্য করা হবে সরকারকে: বাম জোট

ঢাকা, ০৭ অক্টোবর- বাম গণতান্ত্রিক জোটের কেন্দ্রীয় নেতারা বলেছেন, সরকার নজিরবিহীন জুলুম-নিপীড়নের পথে দেশকে অনিশ্চিত অন্ধকারে ঠেলে দিচ্ছে। আন্দোলনের পথেই সরকারকে পিছু হঠতে বাধ্য করা হবে।

রোববার বিকালে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে কেন্দ্রীয়ভাবে আয়োজিত ‘জুলুমবিরোধী’ বিক্ষোভ-সমাবেশে তারা এ অভিযোগ করেন।

বাম গণতান্ত্রিক জোটের গ্রেফতারকৃত নেতাদের মুক্তির দাবিতে দেশব্যাপী জুলুমবিরোধী বিক্ষোভ কর্মসূচির অংশ হিসেবে অনুষ্ঠিত এ সমাবেশে বাম গণতান্ত্রিক জোটের সমন্বয়ক বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক সভাপতিত্ব করেন।

এতে আরও বক্তব্য রাখেন জোটের কেন্দ্রীয় নেতা সিপিবির সহকারী সাধারণ সাধারণ সম্পাদক কাজী সাজ্জাদ জহির চন্দন, বাসদের কেন্দ্রীয় নেতা রাজেকুজ্জামান রতন, বাসদ (মার্কসবাদী)’র কেন্দ্রীয় নেতা ফকরুদ্দিন কবির আতিক।

এছাড়া আরও উপস্থিত ছিলেন ইউনাইটেড কমিউনিস্ট লীগের সাধারণ সম্পাদক মোশাররফ হোসেন নান্নু, গণসংহতি আন্দোলনের রাজনৈতিক পরিষদের সদস্য ফিরোজ আহমেদ, সমাজতান্ত্রিক আন্দোলনের আহ্বায়ক হামিদুল হক। সমাবেশ পরিচালনা করেন বাসদ নেতা খালেকুজ্জামান লিপন।

সাইফুল হক বলেন, জুলুম, দমন, নিপীড়ন, গ্রেফতার, গায়েবী মামলা সরকারের শক্তি নয়; বরং সরকারের বেসামাল অবস্থার বহিঃপ্রকাশ। জনগণের ওপর অনাস্থা জেনেই সরকার দমন-নিপীড়নের ফ্যাসিবাদী তৎপরতা অব্যাহত রেখেছে। নিজেদের নিরাপত্তা বর্ম হিসেবেই তারা জনগণ ও গণমাধ্যমের ওপর অগণতান্ত্রিক ‘ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন’ চাপিয়ে দেয়ার উদ্যোগ নিয়েছে। আন্দোলনের পথেই সরকারকে পিছু হঠতে বাধ্য করা হবে।

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন সরকারকে স্বেচ্ছাচারী করবে: সমাবেশে বাম নেতারা আরও বলেন, সরকারের দুষ্কর্ম ও সীমাহীন দুর্নীতি-লুটপাট আড়াল করতেই ব্যক্তি স্বাধীনতা ও মুক্ত সাংবাদিকতার পরিপন্থী সংবিধানবিরোধী নিবর্তনমূলক ‘ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন’ সংসদে পাস করানো হয়েছে। মহাজোট সরকারের রক্ষাকবচ হিসেবে তড়িঘড়ি করে এই আইন গ্রহণ করা হয়েছে। এই আইন সরকারকে চূড়ান্ত স্বেচ্ছাচারিতার পথে ঠেলে দেবে; আইনশৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীকে যা খুশি তাই করার লাইসেন্স দিয়ে দেবে। পুলিশকে জবাবদিহিতাহীন বেপরোয়া ক্ষমতা প্রদান করবে।

সূত্র: যুগান্তর
এমএ/ ০৯:১১/ ০৭ অক্টোবর