Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, বৃহস্পতিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ , ৩ আশ্বিন ১৪২৬
হাস্যরসে ভরপুর লেখা দিতে লগইন/রেজিষ্টার করুন

হাসিখুশি ক্লাব -> Love

প্রেম যদি বাধ্যতামূলক হতো

প্রেম করা যদি পড়ালেখার মতো বাধ্যতামূলক হতো? তাহলে কী হতো? মা : আজকে সারাদিন একটা মাইয়াও পটাস নাই, আজ আসুক তোর বাবা! বাবা : তোকে খাইয়ে-পরিয়ে কী লাভ? দশটা মাইয়ার মধ্যে সাতটার কাছ থাইক্যাই ছ্যাঁকা খাইয়া বাড়ি ফিরছোস! রিকশাওয়ালার মাইয়ার কাছ থাইক্যাও কেউ ছ্যাঁকা খায়? স্কুল শিক্ষক : কাল সবাই ৩টা নতুন মেয়ে ফিটিং করে নিয়ে আসবে! প্রাইভেট শিক্ষক : কাল সারা রাত চুমকির সাথে ফোনে গ্যাজাইতে বলে গেছি, গ্যাজাইছো? দেখি, কল-ডিউরেশন বাইর করো! বুঝছি, গ্যাজাও নাই। একটা দিনও বাড়ির কাজ করো না! ডাকো তোমার মাকে! চৌধুরী সাহেবের মেয়ে : আমার বাবার একডজন গার্লফ্রেন্ড আছে! তোমার বাবার আধামরা একটা বউ ছাড়া আর কী আছে? আবুল : মা, পেটটা ব্যথা করতাছে, আইজকা ডেটিংয়ে যামু না!  মা : আজকে তোর একদিন কি আমার একদিন। এমএ/ ১০:১৫/ ২৪ নভেম্বর

প্রেমিকার কাছে আবেদন

ররাবর, প্রিয়তমা, ভালোবাসার ঘর, অচিনপুর। বিষয় : ডেটিংয়ে কম খাওয়ার জন্য আবেদন। জান,  বিনীত নিবেদন এই যে, আমি তোমার একজন দরিদ্র প্রেমিক। আমার বাবা একজন সামান্য সরকারি কর্মচারী। ঘরে প্রেম করার যোগ্য আরও একটা ভাই আছে। তাই আমরা দুই ভাই যদি একই হারে আব্বাজানের পকেট মারি, তাহলে ধরা খাওয়ার বিশাল সম্ভবনা আছে। যদি একবার ধরা পড়ি তাহলে আমরা দু’জনই ব্যাপক প্যাঁদানির সম্মুখীন হবো! এমন অবস্থায় তুমি ডেটিংয়ে গেলে যে হারে ভোজন করতে থাকো তাতে আমি কেন, বিলগেটসের ছেলেরও ক্রেডিট কার্ডে লালবাত্তি জ্বলে উঠবে! অতএব, জান তোমার নিকট আমার আকুল আবেদন এই যে, আমার এবং আমার আব্বাজানের পকেটের কথা চিন্তা করে তুমি একটু ডায়েট কন্ট্রোল করার চেষ্টা কর। নিবেদক, তোমার একান্ত বাধ্যগত প্রেমিক মিথুন। এমএ/০৫:২৩/০৬ নভেম্বর

যাদের কাছে প্রেম-ভালোবাসাও সরকারি চাকরির…

জোকস-১ কীরে পল্টু মুখ গোমরা করে রেখেছিস কেন? কী আর করমু ক? নিজের বাড়ির লোকই যখন মাথা খারাপ কইরা রাখে? ঘটনা কি খুইলা ক? বাড়ির বাইরে সময় কাটালে বলে বাউণ্ডুলে-আওয়ারা, আর বাড়িতে থাকলে বলে ঘরকুনো, অকর্মার ধারী... জোকস-২ এক জরিপে জানা গেছে, স্ত্রীরা অনেকেই সন্তানদের চিৎকার করে বকাঝকা করেন যার পেছনে অন্যতম কারণ হচ্ছে- এর দ্বারা স্বামীকেও ভয় ধরানো। জোকস-৩ তোর বাম চোখ এমন ফুলে আছে কেন রে, মুরাদ? কাল আমার বৌ পারিশা খাতুনের জন্মদিন ছিল।  তো? জন্মদিনের কেক-এ লিখতে দিয়েছিলাম: ‘হ্যাপি বার্থ ডে পারিশা খাতুন’। কিন্তু বাসায় ফিরে কেক খুলে মোমবাতি লাগাতে গিয়ে দেখি তাতে লেখা: হ্যাপি বার্থ ডে পেরেশান খাতুন!  বলিস কী? তারপর! কেকের ছবি তোলার জন্য ওর হাতে মোবাইল ফোন ছিল। সেটা দিয়েই মারলো... উঁ উঁ উঁ... এমএ/০৩:২৫/২৮ অক্টোবর

আপনিই কি বর?

এক মেয়ের বিয়ে হচ্ছে। সেখানে তার সাবেক প্রেমিকও এসেছে। তাদের ব্রেকআপ সম্পর্কে অজ্ঞ এক লোক এসে জিজ্ঞেস করল- লোক : আপনিই কি বর?  সাবেক প্রেমিক : নাহ! আমি তো সেমিফাইনালেই বাদ হয়ে গেছি, ফাইনাল দেখতে আসছি! এমএ/১১:৪৭/অক্টোবর

তুমিই অনেক কিউট 

প্রেমিকা : বাবু জানো, আমার বান্ধবী ওই যে মারিয়া আছে না, ওর বয়ফ্রেন্ড না কুরবানিতে ওকে একটা ডিএসএলআর ক্যামেরা গিফট করবে। প্রেমিক : আরে কী বলো এসব, তুমি নিজেই তো একটা ডিএসএলঅার। তোমার গালটা কতো সফট আর চকচকে জানো তুমি? প্রেমিকা : যাহ দুষ্টু কিভাবে বলে, লজ্জা লাগে না বুঝি? আর শোনো, ওই যে আমার আরেকটা বান্ধবী ঈশিতা আছে না, কুরবানিতে ওর বয়ফ্রেন্ড ওকে একটা আইফোন গিফট করবে। প্রেমিক : আরে ধুর পাগলী, আইফোন একটা জিনিস হলো? তুমি নিজেই তো একটা আইফোন। দেখই তো তোমাকে কত সুন্দর করে আদর করি, কত সযত্নে ভালোবাসি। প্রেমিকা : যাও পাজি ছেলে, ঢং করে শুধু। এই বাবু শোনো, ওই যে ওই বিদেশি সুন্দর সুন্দর কুকুরছানা আছে না, ওগুলো না আমার অনেক ভাল্লাগে। তোমায় ভেবে সারাক্ষণ আদর করে জড়িয়ে রাখতে ইচ্ছে হয়। এটার দাম খুব বেশি না, একটা মাত্র দশ হাজার টাকা। প্রেমিক : আরে জানপাখি, এসব কী বলছো তুমি? তুমিই তো অনেক কিউট একটা কুকুরছানা। ইয়ে মানে আমি বোঝাতে চাচ্ছি... প্রেমিকা : ওই থাম! কী বললি তুই আমারে? আমি কুকুরছানা? তুই কুকুরছানা, তোর চৌদ্দগোষ্ঠী কুকুরছানা। তুই আর কোনো দিন যোগাযোগ করার চেষ্টা করবি না। কুত্তা ফোন রাখ!

ছেলেটা আমাকে বিরক্ত করছে

১ম বান্ধবী : দেখ দেখ, ওই ছেলেটা আমাকে কেমন বিরক্ত করছে। ২য় বান্ধবী : তাতে কী হয়েছে? ১ম বান্ধবী : আমার ধৈর্যের বাধ ভেঙে যাচ্ছে। ২য় বান্ধবী : সে কিরে! দেখলাম ছেলেটা তো একবারও তোর দিকে ফিরে চায়নি।  ১ম বান্ধবী : হুম, তাকায়নি। ২য় বান্ধবী : তাহলে তুই বলছিস বিরক্ত করছে। ১ম বান্ধবী : আহা! সে জন্যই তো বিরক্ত হচ্ছি।  ২য় বান্ধবী : এতে বিরক্ত হওয়ার কী আছে? ১ম বান্ধবী : এতো সেজেগুজে এলাম অথচ ফিরেও তাকাচ্ছে না।

এতো ভালোবাসা কোত্থেকে আসে

এক থুত্থুরে বুড়ো তার বন্ধুর বাড়ি বেড়াতে গেছে।  রাতে যখন তারা খেতে বসেছে; তখন বন্ধুর বউয়ের প্রতি ভালোবাসা দেখে বৃদ্ধ টাসকি খেয়ে যায়।  কারণ বন্ধু তার বউকে বলে, ‘জান এইটা দিয়ে যাও, ময়না পাখি ওটা করো!’ বৃদ্ধ : কি রে, এই বয়সেও বউরে জান, ময়না, এতো আদর করে ডাকোস? বুড়া বয়সে এতো ভালোবাসা কোত্থেকে আসে? ক্যামনে কী?  বন্ধু : আরে ঝাড়ু মারি তোর ভালোবাসায়! ৫ বছর হলো হেতির নাম ভুলে গেছি! ভয়ে জিগাই না, জিগাইলেই মাইর-টাইর দিতে পারে! এই কারণে মুখ দিয়ে যা আসে তা-ই ডাকি!

প্রেমিক প্রেমিকার দুটি মজার কৌতুক

এক: প্রেমিকা তার প্রেমিককে রাতে রোমান্টিক মেসেজ পাঠাচ্ছে!! মেয়েঃ ঘুমিয়ে আছো তো স্বপ্ন পাঠাও, জেগে আছো তো ভাবনা পাঠাও,যদি কাঁদছো তো চোখের জল পাঠাও..। । ...।  ছেলেঃ প্রিয়তমা পায়খানা করতেছি...কি পাঠাবো?????? দুই: মেডিক্যালে পড়া এক ছাত্রীকে এক পাগল প্রেমিক প্রেমপত্র দিল। নিজের রক্ত দিয়ে লিখে। আর বলল "অবশ্যই জবাব দিও"। মেয়ে পরেরদিন জবাব দিল ... "তোমার ব্লাড গ্রুপ এ পজেটিভ আর তোমার রক্তে ক্যালসিয়ামের ঘাটতি আছে। কচু শাক বেশি করে খাবে!"

কত প্রেম করেছিল বল্টুর বউ ?

বল্টু :আমাকে সত্যি করে বল, বিয়ের আগে তুমি কয়জনের সাথে প্রেম করছো? স্ত্রী: ঠিক আছে দাঁড়াও। এই যে ড্রামটা দেখ। আমি যত ছেলেদের সাথে প্রেম করতাম, ততটি চাল এটাতে ফেলেছিলাম। বল্টু দেখল ওটাতে ছয়টা চাল আর ২০০ টাকা আছে। বল্টু : ও, মাত্র ছয়টা! এই যুগে এগুলো কিছু না। কিন্তু, এই দুইশ টাকা কিসের?? স্ত্রী : গত সপ্তায় ৪ কেজি চাল বিক্রি করেছিলাম। এটাই সে টাকা। বল্টু অজ্ঞান

তাজমহল বানাবার অপেক্ষা

মেয়েঃ তুমি আমায় কতটা ভালোবাসো? ছেলেঃ সীমাহীণ। মেয়েঃ তাহলে তাজমহল বানাচ্ছ না কেনো? ছেলেঃ জমি কেনা হয়ে গেছে, তোমার মরার অপেক্ষায় আছি।

স্বামী-স্ত্রীর ভালোবাসা

স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে তুমুল ঝগড়া হচ্ছে। ঝগড়ার এক পর্যায়ে স্বামী তার স্ত্রীর গালে ঠাস করে একটা চড় কষিয়ে দিলেন। স্ত্রী : কী! তুমি আমার গায়ে হাত তুললে? স্বামী বেচারা ভেবে দেখলেন, আসলে কাজটা অন্যায় হয়ে গেছে। তাই একটু নরম সুরে তিনি বললেন, আরে না না, আমি তোমাকে ভালোবেসে চড়টা মেরেছি। স্ত্রী তখন স্বামীর দুই গালে কষে দুইটা চড় লাগিয়ে দিলেন। স্বামী : (থ হয়ে) তুমিও আমাকে. স্ত্রী : তুমি কি ভেবেছ আমি তোমাকে কম ভালোবাসি?

ব্যাংকের হিসাবরক্ষক

রেস্টুরেন্টে পরিচয় হলো রিমা আর সোহাগের। তারা দুজন একসঙ্গে চা খেল, খানিক গল্পগুজব করল, মোবাইল নম্বর নিল…এবং আধঘণ্টার মাথায় সোহাগ রিমাকে প্রেম নিবেদন করে বসল। বলল, ‘আপনি কি আমাকে বিয়ে করবেন?’ বিস্মিত রিমা বলল, ‘আমাদের পরিচয়ের এক ঘণ্টাও হয়নি। আপনি আমার সম্পর্কে কিছুই জানেন না, অথচ আমাকে বিয়ে করতে চাইছেন? সোহাগ বলল, ‘কে বলেছে জানি না? আপনার বাবা যে ব্যাংকে টাকা জমা রাখেন, আমি সেই ব্যাংকের হিসাবরক্ষক।

 1 2 > 
Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে