Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
হাস্যরসে ভরপুর লেখা দিতে লগইন/রেজিষ্টার করুন

হাসিখুশি ক্লাব -> General

এক বছরের মধ্যে সব বদলে দেবেন  

গাড়ির মালিক: গাড়ি কেনার সময় আপনারা বলেছিলেন, এক বছরের মধ্যে যা কিছু ভেঙে যাবে কিংবা নষ্ট হয়ে যাবে, তা বদলে দেবেন? গাড়ি বিক্রেতা: ঠিক বলেছেন। গাড়ির মালিক: গাড়ি চালাতে গিয়ে আমার নিচের পাঁটির চারটি দাঁত, দুইটা পাঁজরের হাড় ভেঙে গেছে। এখন বদলে দিন।

স্ত্রীকে হারিয়ে ফেলেছি!

মার্কেটে কেনাকাটার সময় এক ভদ্রমহিলাকে বলছেন এক লোক, ‘এই যে শুনুন।’ ভদ্রমহিলা: বলুন লোক: এখানে এসে আমি আমার স্ত্রীকে হারিয়ে ফেলেছি। আমি কি আপনার সঙ্গে কিছুক্ষণ কথা বলতে পারি? ভদ্রমহিলা: স্ত্রীকে হারিয়ে ফেলেছেন তো আমার সঙ্গে কথা বলতে চাইছেন কেন? লোক: না মানে…আমি লক্ষ করেছি, যখনই আমি কোনো অপরিচিত নারীর সঙ্গে কথা বলতে নিই, তখনই কোথা থেকে যেন আমার স্ত্রী এসে হাজির হয়!

তুই আমাকে মারতে আইছোস  

এক খরগোশ একটি বোমা নিয়ে চিড়িয়াখানায় ঢুকে আওয়াজ দিলো- খরগোশ : যারা যারা প্রাণে বাঁচতে চাও, তারা তিন মিনিটের মধ্যে এই স্থান ত্যাগ করো। না হলে তিন মিনিট পরে এই বোমা ফেটে সবাই মারা যাবে। কচ্ছপ : হারামখোর, তুই সরাসরি এইটা কেন বলোছ না যে, তুই আমাকেই মারতে আইছোস।

তোমার বোনের সাথে সারাটি জীবন কাটিয়ে দেব…

সালাম একদিন তার স্ত্রীকে জিজ্ঞেস করছে- সালাম: আচ্ছা, আমি মারা গেলে তুমি কী করবে? আরেকটা বিয়ে করবে? স্ত্রী: আরে নাহ, কখনোই না। সালাম: তাহলে কী করবে? স্ত্রী: আমি আমার বোনের সাথে সারাটি জীবন কাটিয়ে দেব। আচ্ছা আমি মারা গেলে তুমি কী করবে? সালাম: আমিও তোমার বোনের সাথে সারাটি জীবন কাটিয়ে দেব।

এটা কি সুখী দম্পতির বৈশিষ্ট্য নয়?

এক বন্ধুকে অপর বন্ধু জিজ্ঞেস করলেন- ১ম বন্ধু: দাম্পত্য জীবনে তুমি কি সুখী? ২য় বন্ধু: আমরা সপ্তাহে দুই দিন নিয়ম করেই রেস্তোরাঁয় যাই। সেখানে রাতের খাবারের পর গান শুনে হাঁটতে হাঁটতে বাসায় ফিরি। বল, এটা কি সুখী দম্পতির বৈশিষ্ট্য নয়? ১ম বন্ধু: তা তোমরা কবে কবে রেস্তোরাঁয় যাও? ২য় বন্ধু: আমি রেস্তোরাঁয় যাই বুধবার আর আমার স্ত্রী যায় শুক্রবার।

নিজেকে বোকা ভাবিস?

শিক্ষক: যারা নিজেকে বোকা ভাব, তারা উঠে দাঁড়াও! কিন্তু কেউ উঠে দাঁড়াল না। কিছুক্ষণ পর মুখে একটা মজার হাসি নিয়ে উঠল ক্লাসের সবচেয়ে পাজি ছাত্র রবি। শিক্ষক: ও... তাহলে তুই নিজেকে বোকা ভাবিস? রবি: স্যার, ঠিক তা নয়। আসলে আপনি একাই দাঁড়িয়ে আছেন, ব্যাপারটা কেমন দেখায় না!

অফিসের সময় ৯-৫টা

তোমার নতুন চাকরি কেমন লাগছে ? তুমি কি সেখানে স্বাধীন ভাবে কাজ করতে পার? – ভালোই লাগছে। স্বাধীনতা আছে বেশ । অফিসের সময় ৯-৫টা । তবু আমি ৯টার আগে যে কোন সময় এবং অফিসে আসতে পারি ও ৫টার পরে যে কোন সময় চলে যেতে পারি।

চাপাবাজের স্বপ্নের কথা বর্ণনা

তিন বন্ধু ঘুম থেকে উঠে একজন আরেকজনকে স্বপ্নের কথা বর্ণনা করছে। প্রথম বন্ধুঃ "জানিস আমি স্বপ্নে দেখলাম, মরুভুমির সব বালি সোনা হয়ে গেছে আর আমি সেগুলোর মালিক হয়ে গেছি।" দ্বিতীয় বন্ধুঃ "আমি স্বপ্নে দেখলাম আকাশের সব তারা স্বর্ণমুদ্রা হয়ে গেছে আর আমি তার মালিক হয়ে গেছি।" তৃতীয় বন্ধুঃ "আমি স্বপ্নে দেখলাম এতো কিছু পেয়ে তোরা খুশিতে হার্টফেল করেছিস আর মরবার আগে আমাকে তোদের সব সম্পদ উইল করে দিয়ে গেছিস।"

কিছুই গোপন রাখবো না

স্বামী: আজ আমি তোমার কাছে কিছুই গোপন রাখবো না। কী জানতে চাও বলো? স্ত্রী: আমিও। আচ্ছা, আমাদের বিয়ের আগে তোমার কি কোন মেয়ের সঙ্গে সম্পর্ক ছিল? স্বামী: না! তবে মাঝে মাঝে নাইট ক্লাবে যেতাম আর কি! স্ত্রী: তাই তো বলি তোমাকে এতো চেনা চেনা লাগছে কেন!

খবরদার, বউকে শোধরাতে যাবেন না...

দুইজন লোক আসন্ন নির্বাচনে নিজ নিজ প্রার্থী নিয়ে কঠিন তর্ক করছিল। অর্থহীন ঝগড়া যাকে বলে আর কি! নাসিরুদ্দিন হোজ্জা জরুরি কাজে সেখান দিয়ে যাচ্ছিল। দুজনেই তাকে ধরলো ফয়সালা করে দিতে। নিজের কাজে দেরি হচ্ছে দেখে হোজ্জা খুব বিরক্ত হলো। কিন্তু উপায় নেই- দুজনেই জোরাজুরি শুরু করলো। হোজ্জা প্রথমজনের অভিযোগ শুনে বললো, তুমি তো ঠিকই বলছো হে!  হোজ্জার মন্তব্যে দ্বিতীয় জন হা হা করে উঠলো। চিৎকার করে বললো: তুমি আমার কথা না শুনেই তার কথায় সায় দিয়ে দিলে?  হোজ্জা: বল তাহলে তোমারটাও শুনি! দ্বিতীয় জন তার অভিযোগ পেশ করলে হোজ্জা মাথা নাড়িয়ে বিজ্ঞের মতো বললো: তোমার কথাই তো ঠিক! ঘটনা দেখছিল তৃতীয় একজন। সে খুব রেগে গিয়ে হোজ্জাকে বললো: আজব লোক তো তুমি হে, হোজ্জা! দুজনের কথাই ঠিক হয় কিভাবে? দুইজনই যদি ঠিক বলে থাকে তাহলে ঝগড়াটা হচ্ছে কী নিয়ে? হোজ্জা তৃতীয় জনকে বললো: তোমার কথাও ঠিক রে ভাই! এবার তিনজনেই তাজ্জব হয়ে তাকিয়ে রইলো। হোজ্জা তাদের ওই অবস্থায় রেখে নিজের পথে রওনা করলো।                                                 (২) একটি ফেসবুক স্ট্যাটাস ও কমেন্ট- তিন্নি: শ্রাবণের অঝোর ধারা বৃষ্টিতে তোকে মনে করি, ভাদ্রের ঠা ঠা রোদ্রেও তোকে ভুলি না.... রুবি: আর কান্দিস না দোস্ত, এইবার তোর ছাতাটা ফেরত দিয়া যামুই যামু...                                                 (৩) মন্টুর মা: তোমার সঙ্গে আর কথা বলবো না! মন্টুর বাপ: ঠিক আছে, তাই সই! মন্টুর মা: কারণ জানতে চাইলে না! কেন আমি এমন সিদ্ধান্ত নিলাম? মন্টুর বাপ: নারীদের সিদ্ধান্তকেও সম্মান দিতে হয়! আমি তোমার সিদ্ধান্তকে সম্মান করছি। মন্টুর মা: তোমার  মতো বিখাউজ আর একটাও নাই...                                                 (৪) যখন আপনার স্ত্রী আপনাকে এসে বলবে, আমার ভুলগুলো শুধরে দিও যদি তোমার নজরে পড়ে...এর জবাবে মুচকি হেসে শুধু সম্মতি জানান। খবরদার, বাহাদুরি দেখিয়ে তাকে শোধরানো শুরু করবেন না। মনে রাখবেন, এটা আপনার বউয়ের একটা ফাঁদ- মন্টুর বাপের উপদেশ                                                 (৫)  এটি একটি ইংরেজদেশীয় গল্প। মহল্লার গির্জার সামনেই একটি মদের দোকান খোলা হলো। গির্জা কর্তৃপক্ষ খুব হতাশ হলো এমন ঘটনায়। তবে সৌজন্য আর ভদ্রতার খাতিরে কিছু বললো না। কিন্তু দুঃখজনক ঘটনা হলো অল্পদিনেই মদের দোকান জমে গেল। ক্রমশ বাড়তে থাকলো মাতালদের আনাগোনা। গির্জার লোকজন তবুও মুখ ফুটে কিছু বললো না। তবে এবার তারা সিদ্ধান্ত নিল, প্রতিদিনের প্রার্থনায় শুরিখানাটি যাতে ধ্বংস হয়, বন্ধ হয়ে যায়- তার প্রার্থনা করে যাবে সবাই। তো একদিন দেখা গেল সত্যি সত্যি আগুন লেগে মদের দোকানটি ভষ্মিভূত হয়ে গেল। গির্জার লোকজন খুশি হলো। মদের দোকানদার কিভাবে জানি জেনে গেল যে গির্জায় প্রতিদিন তার মদের দোকান ধ্বংসের প্রার্থনা করা হতো। সে গিয়ে মামলা ঠুঁকে দিল গির্জার বিরুদ্ধে। আদালতে বিচার শুরু হলো। কাঠগড়ায় একদিকে গির্জার প্রধান পাদ্রি আর অপরদিকে মদওয়ালা। বিচারক: ফাদার, মদওয়ালা বলছেন যে আপনাদের প্রার্থণার কারণে ঈশ্বর তার দোকান পুড়িয়ে দিয়েছেন! এটা কি সত্য? ফাদার: কোনো কালেই না, মান্যবর।  ফাদারের জবাবে বিচারক হতাশ কণ্ঠে বললেন- তার মানে মদওয়ালার ঈশ্বরে যতটুকু বিশ্বাস আছে আপনাদের দেখছি তাও নেই.. এমএ/ ০৭:২২/ ২৭ নভেম্বর

আমি কল্পনা করা বন্ধ করব!

ইন্টারভিউ বোর্ডে সর্দারজিকে প্রশ্ন করলেন এক প্রশ্নকর্তা, ‘কল্পনা করো তো, তুমি একটা ২০ তলা বাড়ির ১৫ তলায় আছ। এমন সময় ভীষণ আগুন লেগে গেল। সবাই ছোটাছুটি শুরু করল। তুমি কী করবে?’ সর্দারজি: আমি কল্পনা করা বন্ধ করব!

দাম্পত্য জীবনে সুখী হওয়ার উপায়

এক বন্ধুকে অপর বন্ধু জিজ্ঞেস করলেন-  ১ম বন্ধু: দাম্পত্য জীবনে তুমি কি সুখী?  ২য় বন্ধু: আমরা সপ্তাহে দুই দিন নিয়ম করেই রেস্তোরাঁয় যাই। সেখানে রাতের খাবারের পর গান শুনে হাঁটতে হাঁটতে বাসায় ফিরি। বল, এটা কি সুখী দম্পতির বৈশিষ্ট্য নয়? ১ম বন্ধু: তা তোমরা কবে কবে রেস্তোরাঁয় যাও? ২য় বন্ধু: আমি রেস্তোরাঁয় যাই বুধবার আর আমার স্ত্রী যায় শুক্রবার। মীর ওপর মনোযোগ দেন ম্যাডাম: তিতুমীর কে চেনো? পল্টু: না ম্যাডাম, চিনি না। ম্যাডাম: পড়াশোনায় মনোযোগ দাও, তাহলেই চিনতে পারবে। পল্টু: আপনি কি সুমি আন্টিকে চেনেন? ম্যাডাম: না, চিনি না। পল্টু: স্বামীর ওপর মনোযোগ দেন, তাহলেই চিনতে পারবেন! ওষুধ খাওয়ার পর ভূমিকম্প  এক ভদ্রলোক জাপানে গিয়ে অসুস্থ হয়ে পড়লেন। চিকিৎসক গিয়ে একটি ওষুধ পানিতে গুলে খেতে দিলেন। ভদ্রলোক ওষুধ খেয়ে বললেন-  ভদ্রলোক: বাবা রে বাবা, খুব কড়া ওষুধ তো। খেয়ে মনে হচ্ছে টলছি, আসবাবগুলোও চোখের সামনে দুলছে। চিকিৎসক: না, না, ওষুধের জন্য নয়, এখন ভূমিকম্প হচ্ছে! এমএ/ ০৯:২২/ ২৬ নভেম্বর

 < 1 2 3 4 5 >  শেষ ›
Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে