Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
হাস্যরসে ভরপুর লেখা দিতে লগইন/রেজিষ্টার করুন

হাসিখুশি ক্লাব -> General

পঁচা বাসি গন্ধ

রতনের ছিল চারটা ছেলে। ছেলেগুলোর নামও ছিল আজব। পঁচা, বাসি, গন্ধ আর মুইতা। একবার রতনের বন্ধু বেড়াতে এলো বাড়িতে। গ্রামে আসতে তার বন্ধুকে অনেক পরিশ্রম করতে হয়েছে ।  বন্ধুর অনেক ক্ষুধা লাগলো এবং তাড়াতাড়ি খাবার চাইল। রতনঃ একটু সময় দে, পোলাও কোরমা রান্না করি। বন্ধু বললঃ আরে ওসব লাগবে না, যা আছে তাই দে। রতন তখন তার ছেলেদের ডাকলঃ পঁচা,ভাত আন। বাসি,তরকারী আন। ভাব ভাল না দেখে বন্ধু বললোঃ থাক দোস্ত আমি খাব না। রতনঃ এতো কষ্ট করে এসেছো তোমাকে কি না খাইয়ে ছাড়বো? গন্ধ, ডাল আন। মুইতা, পানি আন ! বন্ধু পা ধরে মাফ চেয়ে দিল এক দৌড় ..

ছেলেকে ১০ কেজি পেঁয়াজ দিতে হবে 

১৯৯০ সাল। ছেলে বিয়েতে যৌতুক হিসেবে সাইকেল চাইত। ২০০০ সাল। ছেলে বিয়েতে যৌতুক হিসেবে মোটরসাইকেল চাইত। . . . ২০৩০ সাল। ঘটক আর মেয়ের বাবার মধ্যে কথাবার্তা হচ্ছে। ‘ছেলেপক্ষের একটা আবদার আছে…’ মেয়ের বাবা জিজ্ঞাসু দৃষ্টিতে তাকালেন। ‘ছেলেকে ১০ কেজি পেঁয়াজ দিতে হবে। ছেলের অনেকদিনের শখ।’ ‘১০ কেজি?’ মেয়ের বাবা আকাশ থেকে পড়লেন। ‘একটু কমানো যায় না? দরকার হলে আমাদের একটা টয়োটা করলা দিয়ে দিলাম।’ মেয়ের বাবা মিন মিন করে বলল। ‘নাহ ভাই। বললাম না ছেলের অনেক দিনের শখ।’ মেয়ের বাবা নিমরাজী হলেন। কপালে দুশ্চিন্তার ভাঁজ। বিয়ের দিন। কাজী বিয়ে পড়াতে শুরু করতেই ছেলের বাবা উঠে দাঁড়ালেন। ‘দাঁড়ান কাজী সাহেব। আগে পেঁয়াজ বুঝে নিই। পরে বিয়ে।’ সবাই থমকে গেল। একে অপরের দিকে তাকাচ্ছে সবাই। মেয়ের বাবা ঘর হতে একটা বাজারের ব্যাগ নিয়ে আসলেন। ‘ভাইসাহেব, এইখানে ৮ কেজি পেঁয়াজ আছে। বাকীটা আগামী সপ্তাহেই দিয়ে আসব।’ ছেলের বাবা রাগী ভঙ্গিতে তাকালেন। [ব্যাকগ্রাউন্ডে তখন ঝড়ের মিউজিক] ‘নাহ। এই বিয়ে হবে না। আরো দুই কেজি পেঁয়াজ ছাড়া এই বিয়ে সম্ভব না।’ বলেই ছেলের বাবা মেয়েদের সাততলা বাড়ি থেকে নেমে যেতে উদ্যত হলেন। ‘চলে আয় কুদ্দুস। এই বিয়ে হবে না।’  অন্দরমহলে কান্নার আওয়াজ। মেয়ে এসে দাঁড়াল ঘরে। চোখে জল। ‘চৌধুরী সাহেব, পেঁয়াজের লোভে মানুষকে আর মানুষ মনে হয় না? মনে রাখবেন পেঁয়াজ থাকলেই বড়লোক হওয়া যায় না। বড়লোক হতে হলে দরকার সুন্দর একটা ফেইসবুক একাউন্ট।  যা আপনাদের নেই। চলে যান। আমি এখুনি স্ট্যাটাস দিচ্ছি।’ কুদ্দুস উঠে দাঁড়াল। তার চোখ খুলে গেছে। এই মেয়ে আবার তার ফেসবুক ফ্রেন্ড। ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিলে কেলেঙ্কারি হয়ে যাবে। ‘না বাবা। এই বিয়ে হবেই।  পেঁয়াজ তোমাকে অন্ধ করে দিয়েছে বাবা।’ অবশেষে বিয়ের সানাই। আকাশে তারাবাত্তি।

৩ মাতালের গাড়ী চলা।

৩ জন মাতাল রাতে একটা গাড়িতে উঠল ড্রাইভার বোঝতে পারল যে তারা মাতাল!! ড্রাইভার গাড়ির ইঞ্জিন চালু করল এবং সাথে সাথে বন্ধ করে ফেলল আর তাদেরকে বলল যে তারা নাকি গন্তব্যস্থলে পৌঁছে গেছে. ৩ মাতাল গাড়ি থেকে নামল তারপরঃ- ১ম মাতালঃ ধন্যবাদ. ২য় মাতালঃ নিন, ১০ টাকা বকশিস দিলাম। তখন ৩য় মাতাল ড্রাইভারকে দিল একটা থাপ্পর। ড্রাইভার মনে করল যে লোকটা বোধ হয় মাতাল না, হয়ত সবকিছু বোঝে ফেলেছে. তবুও ড্রাইভার তাকে জিজ্ঞেস করলঃ থাপ্পর মারলেন কেন?? ৩য় মাতালঃ শালা, এত স্পীডে কি কেউ গাড়িচালায়! মাইরাই তো ফালাইছিলি

ওপরের ফ্ল্যাটটায়

দুই মাতালকে পুলিশ আটকিয়েছে। – তোমার ঠিকানা বল। প্রথম মাতালকে জিঞ্জেস করল পুলিশ। – আমার কোন নির্দিষ্ট ঠিকানা নাই। – আর তোমার? দ্বিতীয় জনের দিকে ফিরল পুলিশ। – আমি ওর ওপরের ফ্ল্যাটের ঠিক ওপরের ফ্ল্যাটটায় থাকি।

খোঁড়া

নাইট শো সিনেমা দেখে বাড়ি ফিরছে এক লোক। এঠাৎ দেখল, তার আগে একটা মাতাল টলতে টলতে যাচ্ছে।  তার একটা পা ফুটপাতের উপরে, একটা পা রাস্তায়। লোকটি এগিয়ে গিয়ে মাতালটাকে রাস্তায় নামিয়ে দিল। মাতাল তখন সোজা হয়ে হাঁটতে হাঁটতে বলল, আমি ভেবেছিলাম আমি বুঝি খোঁড়া হয়ে গেছি।

মাতালের হারিকেন।

এক মাতাল সন্ধার দিকে পকেট থেকে ১টা ম্যাচ বের করে একের পর এক কাঠি ঘষে চললো। কিন্তু কোন কাঠিই জ্বলছে না । অবশেষে একটা কাঠি জ্বলে উঠলো।  তখন সে অতিযত্নে কাঠিটা নিভিয়ে ম্যাচ বাক্সে রেখে দিল । কি রে, পোরা কাঠি আবার রেখে দিলি কেন ? আরে বন্ধু, পুরো ম্যাচে মাত্র একটা কাঠি ভাল।  এখনি যদি ব্যবহার করে ফেলি তবে বাসায় যেয়ে হারিকেন জ্বলাব কি দিয়ে?

৪০৩ নম্বর বাস

আমাদের মল্টুদা হোয়াটস আপে তার বান্ধবীকে মেসেজ দিলো, "হাই, কোথায় আছো?" বান্ধবী উত্তর দিলো, "হ্যাললো! আমি এখন বাবার বিএমডব্লিউ চড়ে ক্লাবে যাচ্ছি। ড্রাইভার আমাকে ক্লাবে ছেড়ে চলে যাবে। ক্লাব থেকে বেরিয়ে আমি মলে শপিং করতে যাবো। তখন তোমায় ফোন করবো। তুমি কোথায়?" মল্টুদা মেসেজ করলো, "আমি ৪০৩ নম্বর বাসে করে যাচ্ছি। তোমার সিটের ঠিক পেছনেই দাঁড়িয়ে আছি। তুমি টিকিট করো না। আমি তোমার টিকিটও কেটে নিয়েছি।"

সরকারী দফতর

এক সরকারী দফতরের দরজাতে বড় বড় অক্ষরে লেখা ছিলো, "দয়া করে এখানে শোরগোল করবেন না।" আমাদের মল্টুদা তার তলায় লিখে দিলো, "করলে আমরা জেগে যাবো!"

ফুল নিয়ে যান

এক ফুলওয়ালা একজন লোককে দেখে বললো, "সাহেব, আপনার গার্লফ্রেণ্ডের জন্য একটা ফুলের বোকে নিয়ে যান।" লোকটা বললো, "আমার গার্লফ্রেণ্ড নেই।" ফুলওয়ালা আবার বললো, "তাহলে আপনার বাগদত্তার জন্য নিয়ে যান।" লোকটা বললো, "আমার বাগদত্তাও নেই।" ফুলওয়ালা শেষ চেষ্টা করলো, "তাহলে আপনার স্ত্রীর জন্য ফুল নিয়ে যান।" লোকটা আবারো বললো, "আমার স্ত্রীও নেই রে ভাই।" ফুলওয়ালা এবার বললো, "তাই নাকি বস! তাহলে আমার তরফ থেকে এই ফুলের গোছাটা তোমায় দিলাম। কারন তোমার চেয়ে সৌভাগ্যশালী লোক এই পৃথিবীতে আছে বলে মনে হয় না।"

ভ্যালেন্টাইনস ডে

বিয়ের পাঁচ বছর পরের ভ্যালেন্টাইনস ডে তে মল্টুদা বৌদির জন্য একতোড়া সাদা গোলাপ নিয়ে বাড়ি ফিরলো। বৌদি অবাক হয়ে মল্টুদা জিজ্ঞেস করলো, "একি, সাদা গোলাপ কেনো? ভ্যালেন্টাইনস ডে তে লোকে তো লাল গোলাপ দেয়।" পচাদা বললো, "শোনো, জীবনে এখন ভালবাসার চেয়ে শান্তিটাই বেশী জরুরী!"

জলের রাসায়নিক ফর্মুলা

টীচার পাপ্পুকে জিজ্ঞেস করলেন, "পাপ্পু বলো তো জলের রাসায়নিক ফর্মুলা কি?" পাপ্পু, "স্যার, H2MgCl2NaClHNO3CaCO3Ca(OH)2SnTNHgNiHCL(COOH)!" টীচার (একটু ঘাবড়ে গিয়ে), "এটা আবার কি?" পাপ্পু, "স্যার, মিউনিসিপালিটি যে জলটা দেয়, সেটার কেমিক্যাল ফর্মুলা!"

চাবি হারিয়ে গেছে 

আমাদের সান্টা দরজাটা পিঠে নিয়ে রাস্তা দিয়ে যাচ্ছিলো। একলোক জিজ্ঞেস করলো, "এই সান্টা, এরকমভাবে দরজা কাঁধে নিয়ে যাচ্ছিস কোথায়?" সান্টা বললো, "আরে ভাই, আমার ঘরের চাবিটা হারিয়ে গেছে। তাই দরজাটা নিয়ে তালাচাবি খোলার কারিগরের কাছে নিয়ে যাচ্ছি!"

‹ শুরু  < 157 158 159 160 161 > 
Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে