Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, সোমবার, ২৭ মে, ২০১৯ , ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬
হাস্যরসে ভরপুর লেখা দিতে লগইন/রেজিষ্টার করুন

হাসিখুশি ক্লাব -> General

মশার ওভারটাইম…

মন্টু একদিন দুপুরে বসে আছে। হঠাৎ একটা মশা এসে মন্টুকে কামড় দিলো। . .. . . মন্টু :- (রেগে গিয়ে) এখন দিনের বেলায়ও কামড় দিতে হবে? . . . . . মশা:- কি করমু সাহেব? গরীব মশা আমি। মা-বাবা হাসপাতালে ভর্তি। ঘরে বিয়ের উপযুক্ত বোন আছে। সেদিন তার বিয়ে ঠিক হইছে। ছেলে পক্ষ ১লিটার রক্ত যৌতুক দাবি করছে। তাই ওভারটাইম করতেছি।

বল্টু ও আবুল…

বল্টু: জানিস আবুল আমার দাদার কাছে সবাই মাথা নতো করে........... এমন কি চেয়ারম্যানও ! আবুল: আচ্ছা তোর দাদা কেরে ? . . . . . . . . . .. . . . . . . বল্টু: একজন প্রসিদ্ধ নাপিত।।। . . . আবুল বেহুশ…

স্ত্রী পালিয়ে গেছে

মিনিট দশেক তাড়া করে গতিবিধি লঙ্ঘন করা এক ড্রাইভারকে থামালো ট্রাফিক পুলিশ। বললো, আমি থামতে বলা সত্ত্বেও কেন আপনি থামেননি? এক মুহূর্ত ভেবে নিয়ে ড্রাইভার বললো, আসলে হয়েছে কি, গত সপ্তাহে আমার স্ত্রী এক ট্রাফিক পুলিশের সঙ্গে পালিয়ে গেছে। তো আপনাকে আমার পেছনে ছুটতে দেখে মনে হলো, আমার স্ত্রীকে ফেরত দিতেই আপনি আমার পিছু নিয়েছেন!

জীবন দিয়ে করব কী

শিক্ষক: তোমরা আমায় কথা দাও, কখনো সিগারেট খাবে না। ছাত্ররা: ঠিক আছে স্যার, খাবো না। শিক্ষক: মেয়েদের পেছন পেছন ঘুরবে না। ছাত্ররা: ঠিক আছে স্যার ঘুরবো না। শিক্ষক: ওদের কখনো ডিস্টার্ব করবে না। ছাত্ররা: ঠিক আছে স্যার, ডিস্টার্ব করব না। শিক্ষক: দেশের জন্য জীবন দিয়ে দেবে। ছাত্ররা: অবশ্যই স্যার, এই রকম জীবন দিয়ে আর করবই বা কী!

জীবনেও বিয়ে করব না

জজ সাহেব: যখন এই স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ঝগড়া হচ্ছিল তখন কি তুমি সেখানে উপস্থিত ছিলে? সাক্ষী: জ্বী হ্যাঁ। জজ সাহেব: তোমার এই ঝগড়া থেকে কি ধারণা হলো? সাক্ষী: হুজুর আমি জীবনেও বিয়ে করব না ।

এখনো বিয়েই করি নাই!  

এক ছেলে গেছে পীরের কাছে দোয়া চাইতে! সে পীর সাহেবকে বেশ খাতির যত্ন করে বললো- ছেলে: বাবা আমার জন্য একটু দোয়া করুন। পীর: দোয়া করি, তোর যেন একটা ছেলে সন্তান হয়! এক বছর পর- ছেলে: বাবা, কেমন দোয়া করলেন? কোনো সন্তানই তো হলো না! পীর: আচ্ছা এবার দোয়া করে দিলাম! নিশ্চয়ই হবে! যা বাসায় যা! আরও এক বছর পর- ছেলে: বাবা, কোনো সন্তানই তো হলো না! পীর: তাইলে মনে হয় তোর বউয়ের কোনো সমস্যা হয়েছে! বউকে নিয়ে আয় দেখি কী সমস্যা!  ছেলে: আমি তো এখনো বিয়েই করি নাই! বউ আসবে কোত্থেকে?

আপনার মেয়েকে ভালোবাসি

শিক্ষক: আমি টেবিল ছুয়েছি, টেবিল মাটি ছুয়েছে, সুতরাং আমি মাটি ছুয়েছি। এভাবে একটি যুক্তি দেখাও তো। ছাত্র: আমি আপনাকে ভালোবাসি, আপনি আপনার মেয়েকে ভালোবাসেন, সুতরাং আমি আপনার মেয়েকে ভালোবাসি।

বুয়ার সঙ্গে প্রেম

ম্যাডাম: বুঝলে বুয়া, তোমার সাহেবকে নিয়ে আমার খুব সন্দেহ হচ্ছে। বুয়া: কেন, কী হইছে আপা? ম্যাডাম: না, আমার মনে হয় তোমার সাহেবের সঙ্গে অন্য কারো প্রেম চলছে। বুয়া: হায় হায় আপা। একি কন। সাহেব আমারে ধোকা দিতে পারে না। এতো সাধনার পেরেম আমার!

হাঁপানি  

বাংলা ক্লাসে শিক্ষক এক ছাত্রকে দাঁড় করিয়ে জিজ্ঞাসা করলেন- বলতো "ভাতের অভাব" এটা কি হবে? ছাত্রটি জবাব দিতে না পারায় শিক্ষক তাকে অনেক বেত্রাঘাত করলেন এবং বললেন "ভাতের অভাব - হাভাত"। অতঃপর বিজ্ঞান ক্লাসে বিজ্ঞানের শিক্ষক ঐ ছাত্রটিকে জিজ্ঞাসা করলেন পানির অভাবে কি হয়? তখন ঐ ছাত্রটি ঝটপট করে জবাব দিল, স্যার হাঁপানি হয়।

এক ঘুষিতে নাক ফাটিয়ে দেবো

ডাক্তারঃ ভয়ের কিছু নেই। চট করে করে আপনার দাঁতটা তুলে নিব। রোগীঃ না না ডাক্তার সাহেব, আমার ভয় করছে। প্লিজ ডাক্তার সাহেব, আমি জন্ত্রনায় মারাই যাব, বড্ড ভয় করছে। ডাক্তারঃ ঠিক আছে, আপনি খানিকটা ক্যান্ডি খেয়ে নিন। দেখবেন সাহস বেড়ে গেছে। রোগীঃ ক্যান্ডি খেয়ে নিলো। ডাক্তারঃ কি এখন সাহস বেড়েছে তো? রোগীঃ নিশ্চয়ই বেড়েছে, এখন দেখি কোন শালা আমার দাঁত তুলতে আসে? দাতে হাত লাগাবেন তো এক ঘুষিতে নাক ফাটিয়ে দেবো !!!

পরিচয়পত্রটা দেখান

একদিন এক কৃষকের বাড়িতে হানা দিলেন এক গোয়েন্দা। সহজ সরল কৃষককে ধমক দিয়ে গোয়েন্দা বললেন, ‘সরে দাঁড়াও, আজ তোমার বাড়িতে তল্লাশি করব!’ কৃষক বললেন, ‘তল্লাশি করতে চান, করুন স্যার। কিন্তু দয়া করে বাড়ির উত্তর দিকের মাঠটাতে যাবেন না।’ গোয়েন্দা কৃষকের নাকের ডগায় পরিচয়পত্রটা ঝুলিয়ে বললেন, ‘এটা চেন? এখানে আমার নাম লেখা আছে—গোয়েন্দা ছক্কু মিঞা! এটা দেখলে যে কেউ ভয়ে কুঁকড়ে যায়! আর তুমি কিনা আমার কাজে বাধা দিতে চাও?’ ঝাড়ি খেয়ে আর কিছু বললেন না কৃষক। কিছুক্ষণ পরই দেখা গেল, উত্তর দিকের মাঠ থেকে গোয়েন্দা ছক্কু মিঞার চিৎকার শোনা যাচ্ছে, ‘বাঁচাও! আমাকে বাঁচাও’। কৃষক ছুটে গিয়ে দেখলেন, একটা ষাঁড় ছক্কু মিঞাকে তাড়া করছে। দূর থেকে কৃষক বললেন, ‘স্যার, ওকে আপনার পরিচয়পত্রটা দেখান!’

বউয়েরও একই কথা

দুই বন্ধুর মধ্যে কথা হচ্ছে- প্রথম বন্ধুঃ আমি এখন আর আমার বউয়ের সঙ্গে থাকি না। দ্বিতীয় বন্ধুঃ কেন কেন? প্রথম বন্ধুঃ তুই কি এমন কারও সঙ্গে থাকতে পারবি যে নেশা করে, সিগারেট খায়, রাতে দেরি করে বাসায় ফেরে? দ্বিতীয় বন্ধুঃ কোনো দিনও না। প্রথম বন্ধুঃ আমার বউয়েরও একই কথা।

 < 1 2 3 4 >  শেষ ›
Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে