Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

Login
ইউনিজয়
ফনেটিক
English
হাস্যরসে ভরপুর লেখা দিতে লগইন/রেজিষ্টার করুন

হাসিখুশি ক্লাব

স্ত্রী অসুস্থ হলে যা করবেন

স্বামী: স্ত্রী অসুস্থ হলে কী করবো? চিকিৎসক: প্রথমেই তাকে হাসপাতালে নেওয়ার আগে অন্য দুটি চেষ্টা করে দেখতে পারেন।  স্বামী: কেমন চেষ্টা? চিকিৎসক: প্রথমত তাকে…

বিল গেটসের মেয়ের জামাই

রফিক সাহেব ঠিক করলেন, ছেলের বিয়ে দেবেন। ছেলেকে গিয়ে বললেন, শোন, আমি ঠিক করেছি তোর বিয়ে দেব। পাত্রীও ঠিক। ছেলে: কিন্তু বাবা আমি তো নিজের পছন্দে বিয়ে করতে চাই! রফিক সাহেব: পাত্রী বিল গেটসের মেয়ে। ছেলে: তাহলে বাবা আমি রাজি! এরপর রফিক সাহেব গেলেন বিল গেটসের কাছে। বললেন, আপনার মেয়ের সঙ্গে আমার ছেলের বিয়ে দিতে চাই। বিল গেটস: কিন্তু আপনার ছেলে করে কী? রফিক সাহেব: সে বিশ্বব্যাংকের ভাইস প্রেসিডেন্ট। বিল গেটস: ও! তাহলে আমি রাজি। সব শেষে রফিক সাহেব গেলেন বিশ্বব্যাংকের প্রেসিডেন্টের কাছে। বললেন, আমার ছেলেকে আপনার ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে নিয়োগ দিতে পারেন। প্রেসিডেন্ট: কিন্তু আপনার ছেলের কি সেই যোগ্যতা আছে? তা ছাড়া আমার একজন ভাইস প্রেসিডেন্ট আছে। আমি তো তাকে সরিয়ে আপনার ছেলেকে নিতে পারি না। রফিক সাহেব: কিন্তু সে যদি বিল গেটসের মেয়ের জামাই হয়? প্রেসিডেন্ট: তাহলে আমি রাজি!

কুকুরটাকে তাড়ালোই না

রাজার দেহ রক্ষার জন্য দু’জনকে রাখা হয়েছিল। কিন্তু তারা খুব অলস। এজন্য রাজার সেনাপতি একবার তাদের ঘরে আগুন লাগিয়ে দিয়েছিল। কিন্তু তারা এক চুলও নড়ল না। ফলে আগুন নিভিয়ে তাদের বনবাসে পাঠানো হল। তারা সেখানে বাস করতে লাগলো। ঠিক হল একরাত একজন ঘুমাবে অন্যজন পাহারা দেবে। অন্যদিন অন্যজন ঘুমাবে। এভাবে চলবে। একবার সেখান দিয়ে এক সিপাহি যাচ্ছিল। তাদের মধ্যে একজন বলে উঠল- ১ম অলস : এই যোদ্ধা ভাই একটু এদিকে আসো। যোদ্ধা : কেন? ১ম অলস : এই যে আমার বুকের উপর একটা বড়ই আছে না। ওটা আমার মুখে তুলে দাও। যোদ্ধা : তুই নিজে তুলছিস না কেন? ১ম অলস : কে যাবে এখন হাত নেড়ে বড়ই মুখে তুলতে! যোদ্ধা : তোর পাশের জনকে বল। ২য় অলস : আর বলো না ভাই। আমি পারব না। যোদ্ধা : কিন্তু কেন? ২য় অলস : কাল ওর আমাকে পাহারা দেওয়ার কথা ছিল। আমি ঘুমের মধ্যে হা করেছিলাম। একটা কুকুর আমার মুখে পেশাব করে দিছিল। কিন্তু ও কুকুরটাকে তাড়ালোই না।

প্রেসক্রিপশন আছে

বিয়ে করি না বলে বন্ধুরা যখন বিরক্ত করে, তখন তাদের আমি এই জোকসটা বলি… এক লোক ওষুধের দোকানে গিয়ে বিষ চাইল, কিন্তু দোকানের লোকটি কিছুতেই তাকে বিষ দেবে না। অবশেষে লোকটি বাসা থেকে তার কাবিননামা এনে দোকানিকে দেখাল। এবার দোকানি হাসি হাসি মুখে বলল, ‘ও আচ্ছা, আপনার তো দেখি তাহলে প্রেসক্রিপশন আছে; নিন নিন, এই যে বিষ!’ বিয়ের জন্য পাত্রী দেখাতে নিয়ে গেলে আমার অবস্থা হয় এই জোকসের মতো…

প্রতিদিন খেলাধুলা করবা

শিক্ষক: খেলাধুলা করা স্বাস্থ্যের জন্যে ভালো। তোমরা প্রতিদিন খেলাধুলা করবা... নান্টু: জ্বী স্যার! আমি প্রতিদিন ফুটবল, ক্রিকেট, আর টেনিস খেলি... শিক্ষক: শাব্বাস! গুড বয়… প্রতিদিন কয় ঘণ্টা করে খেল, বল দেখি? নান্টু: মোবাইলের চার্জ শেষ না হওয়া পর্যন্ত, স্যার।

স্বামীর ওপর স্ত্রীর প্রতিশোধ

মার্কেট থেকে ফিরে এসে স্ত্রী দেখলো গ্যারেজে গাড়ি নেই, দরজায় স্টিকারে লেখা- ‘বন্ধুর বাড়ি খেলা দেখতে যাচ্ছি, ফিরতে রাত হবে, কোনো দরকার থাকলে কল করো।’ তাই স্ত্রী ডুপ্লিকেট চাবি দিয়ে দরজা খুলে ঘরে ঢুকে রাতের খাবার খেয়ে শুয়ে পড়লো। মাঝ রাতে বাড়ি ফিরে দরজায় স্বামী দেখলো স্টিকার। আর তাতে লেখা আছে- ‘গাড়িতেই ঘুমিয়ে পড়। কলিং বেল বাজিও না, তার খোলা আছে। আর দরজায় ধাক্কা দিও না, এটা ভদ্রলোকের পাড়া।’

চেহারা বদলে গেছে!

একবার দেখি করিম চাচা মন খারাপ করে বসে আছেন। বললাম, ‘কী হয়েছে চাচা?’ চাচা বলেন, ‘আর বলিস না। এক মেয়েকে প্লাস্টিক সার্জারি করার জন্য সাত লাখ টাকা ধার দিয়েছিলাম। এখন সার্জারি করার পর তাঁর চেহারা গেছে বদলে। এখন আর তাকে খুঁজে পাচ্ছি না।’

সব বাজিয়ে নিতে বলেছে  

গৃহকর্তাঃ (ঘুমের ঘোরে) কে ওখানে? চোরঃ আমি হ্যাবলা চোর। গৃহকর্তাঃ ওখানে কী করিস? চোরঃ চুরি করছি। গৃহকর্তাঃ চুরি করবি তো হারমোনিয়াম বাজাচ্ছিস কেন? চোরঃ আমাদের সর্দার যা নেব সব বাজিয়ে (পরখ করে) নিতে বলেছে। তাই হারমোনিয়াম বাজিয়ে নিচ্ছি।

বেতন বাড়ানোর সার্টিফিকেট

এক গৃহকর্মী তার মালিক গৃহকত্রীর কাছে বায়না ধরেছে তার বেতন বাড়াতে হবে। গৃহকত্রীঃ তোমার বেতন বাড়ানো হয়েছে ছয় মাসও হয় নি। এখনি আবার বেতন বাড়ানোর আবদার কেন? গৃহকর্মীঃ এই সময়ের মধ্যে আমি তিনটি সার্টিফিকেট পেয়েছি…।তাই বেতন বাড়ানোর জন্য আবেদন করেছি। গৃহকত্রীঃ কি কি সার্টিফিকেট? গৃহকর্মীঃ আমি আপনার চেয়ে ভাল কাপড় আয়রন করতে পারি। গৃহকত্রীঃ কে দিয়েছে এই সার্টিফিকেট? গৃহকর্মীঃ জ্বী, স্যার মানে… আপনার স্বামী…… গৃহকর্মীঃ হুম, আর কি সার্টিফিকেট পেয়েছো…… গৃহকর্মীঃ আমি আপনার চেয়ে ভাল রান্না করতে পারি… গৃহকত্রীঃ কে বলেছে তুমি আমার চেয়ে ভাল রান্না কর? (বেশ রাগত স্বরে…) গৃহকর্মীঃ জ্বী, আপনার স্বামী বলেছেন… গৃহকত্রীঃ আচ্ছা ঠিক আছে, হতে পারে তুমি আমার চেয়ে ভাল রান্না কর……আমি কি চাকরানী নাকি যে ভাল রান্না জানতে হবে? বলো আরেকটি কি সার্টিফিকেট পেয়েছ? গৃহকর্মীঃ আমি আপনার চেয়ে বিছানায় ভাল পারফর্ম করতে পারি। কত্রী তো এবার রেগে আগুন। আমার স্বামী বলেছে এই কথা?? ওর সাথে তোমার তাহলে এইসবও হয়?? গৃহকর্মীঃ জ্বী না, আপনার স্বামী বলেনি……বলেছে আপনার গাড়ির ড্রাইভার! গৃহকত্রীঃ ওওওও তাহলে ঠিক আছে, বেতন বাড়ালাম।

জাদুঘরে চিঠি পোস্ট

শাহীন গেছে পোস্ট অফিসে। শাহীন: আমি এই চিঠিটা পোস্ট করতে চাই। কর্মকর্তা: হুম। প্রাপকের ঠিকানা কী লিখব? শাহীন: জাতীয় জাদুঘর। কর্মকর্তা: কিছু মনে করবেন না, আপনি জাদুঘরে চিঠি পাঠাচ্ছেন কেন? শাহীন: কারণ, আমি শুনেছি আপনারা চিঠি পৌঁছাতে অনেক দেরি করেন। যত দিনে চিঠিটা পৌঁছবে, তত দিনে চিঠির নিশ্চয়ই একটা প্রত্নতাত্ত্বিক মূল্য তৈরি হবে।

পিছনে গিয়া সিরিয়াল দেন

একবার এক মহিলা মারা গেছেন। লাশ নিয়ে যাচ্ছেন তার স্বামী। স্বামীর পিছনে একটি কুকুর, এর পিছনে কয় এক হাজার লোক। এক লোক এসে স্বামীকে জিজ্ঞাসা করলো যে, কি হইছে ভাই…এত লোকজন কেন? আমার বউ মারা গেছে সরি, তো কিভাবে মারা গেল? ওইযে কুকুরটা দেখতে পাচ্ছেন এর কামড় এ ভাই আমারে একটু ধার দিবেন আপনার কুকুরটা। ঠিক আছে তাইলে লাইন এর পিছনে গিয়া সিরিয়াল দেন।

বাঘের বাচ্চা বাপ আমার! এইবার তোর ট্রেনিং সম্পন্ন হলো

মন্টু বড় হয়ে গেছে। প্রেমিকা রোদেলাকে আর অপেক্ষা করানো ঠিক হচ্ছে না। একদিন সাহস সঞ্চয় করে বাপের সামনে গিয়ে দাঁড়ালো-  মন্টু : বাবা, বাবা! মন্টুর বাপ: বল, কী বলবি! ছাগলের মতো এত ব্যা ব্যা করছিস কেন? মন্টু: রাখো তোমার ইয়ার্কি। আমি বিয়ে করতে চাই! মন্টুর বাপ: খুবই ন্যায্য কথা। তোর তো আসলেও বিয়ের বয়স হয়ে গেছে। এবার ‘সরি’ বল! মন্টু: মানে? আমি সরি বলবো কেন?  মন্টুর বাপ: সরি বল! মন্টু: আমার দোষটা কী বলবে তো? নিজের মুখে বিয়ে করতে চেয়েছি- এজন্য! মন্টুর বাপ: না। কিন্তু সরি বল এখনি। মন্টু: এটা কিন্তু বাড়াবাড়ি হচ্ছে বাবা! তুমি আমাকে আমার দোষ দেখাবে তো? মন্টুর বাপ: সরি বল তুই। মন্টু: আগে আমাকে তো একটা কারণ দেখাবে যার জন্য আমি সরি বলতে বাধ্য হবো! মন্টুর বাপ: কোনো কথা শুনতে চাই না। সরি বলতেই হবে তোকে! মন্টু: ঠিক আছে বাবা, বলছি- সরি! মন্টুর বাপ: শাব্বাস! বাঘের বাচ্চা বাপ আমার! এইবার তোর ট্রেনিং সম্পন্ন হলো। এবার তুই বিয়ে করার পক্ষে উপযুক্ত। মন্টু: বুঝলাম না, বাবা! মন্টুর বাপ: বোঝা খুবই সহজ- যখন তুই কোনো কারণ ছাড়া’ই সরি বলতে শিখবি- তখনি বুঝবি যে তুই বিয়ের উপযুক্ত হয়েছিস।

 < 1 2 3 4 5 >  শেষ ›
Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে