Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
হাস্যরসে ভরপুর লেখা দিতে লগইন/রেজিষ্টার করুন

হাসিখুশি ক্লাব

মৃত্যুতে আনন্দ

মহেশদা আর বৌদির মধ্যে ঝগড়া হচ্ছিলো। হঠাৎ করে বৌদি ইমোশনাল হয়ে পড়লো। বেশ একটু ভারী গলায় বৌদি মহেশদাকে বললো, "কখনো ভেবে দেখেছ, আমি একদিন মরে যাব।" মহেশদা…

আয়ু লম্বা হওয়ার রাস্তা

আমাদের পল্টুর নাকি কদিন ধরে শরীরটা খারাপ যাচ্ছে। তাই গতকাল পল্টু গেল ডাক্তারের কাছে।  চেম্বারে ঢোকার সাথে সাথে ডাক্তারবাবু পল্টুকে জিজ্ঞেস করলেন, "আপনার কি হয়েছে?" পল্টু বললো, "কদিন থেকে শরীরটা ভালো যাচ্ছে না। কেমন জানি দুর্বলও লাগছে।" ডাক্তার, "আচ্ছা। শুয়ে পড়ুন দেখি। আপনার চেক-আপ করতে হবে।" চেক-আপ হয়ে যাওয়ার পর ডাক্তার যখন প্রেসক্রিপশন লিখছেন, তখন পল্টু জিজ্ঞেস করলো, "আচ্ছা ডাক্তারবাবু, আমার আয়ু যাতে লম্বা হয়, তার জন্য কোন রাস্তা আছে কি?" ডাক্তারবাবু, "বিয়ে করেছেন?" পল্টু, "না।" ডাক্তার, "বিয়েটা করে ফেলুন।" পল্টু, "বিয়ে করলে আয়ু লম্বা হবে?" ডাক্তার, "নাঃ! তবে আয়ু লম্বা হওয়ার ইচ্ছেটাও আর থাকবে না।"

স্ত্রীর বিরুদ্ধে এফ আই আর

মিঃ নাইডু সকালবেলাই থানায় গিয়ে হাজির। বড়বাবুকে বললেন যে তিনি নাকি তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগ আনতে চান। বড়বাবু, মিঃ নাইডুকে চেয়ারে বসিয়ে ঠাণ্ডা হওয়ার সময় দিয়ে, তারপর বললেন, "তা অভিযোগটা ঠিক কি হবে?" মিঃ নাইডু, "যেকোনও ছোটখাটো কথা কাটাকাটির মধ্যেও আমার স্ত্রী আমাকে চপ্পল ছুঁড়ে মারে!" বড়বাবু, "এই অত্যাচার কদ্দিন ধরে চলছে?" নাইডু, "পাঁচ বছর।" বড়বাবু, "পাঁচ বছর? আর আপনি এখন কমপ্লেন লেখাতে এসেছেন?" নাইডু, "কি বলবো স্যার! পাঁচ বছর ধরে প্র্যাকটিস করতে করতে ওর টিপ এখন অব্যর্থ হয়ে গেছে। আজকাল একবারও টার্গেট মিস করে না!"

মহিলাদের শাষন কর্তা পুরুষ

প্রগতিশীল বর (দোকানের সেলস্ গার্লকে): আচ্ছা আপনাদের এখানে কি এমন কোন বই আছে যার নাম “মহিলাদের শাষন কর্তা পুরুষ”? সেলস্ গার্লঃ স্যার, আষাঢ়ে গল্পের বই ৩/২ নং সেকশনে পাবেন।

একটা চুমো

বান্ধবীকে রাতের বেলা বাড়ি পৌঁছে দিতে এসেছে বাবু। দরজার পাশে দেয়ালে ভর দিয়ে দাঁড়িয়ে বললো সে, একটা চুমো খেতে দাও আমাকে। ‘কী? তুমি পাগল হলে? এখানে দাঁড়িয়ে না না না!’ ‘আরে কেউ দেখবে না। এসো, একটা চুমো।’ ‘না না, খুব ঝামেলা হবে কেউ দেখে ফেললে।’  ‘আরে জলদি করে খাবো, কে দেখবে?’ ‘না না, কক্ষণো এভাবে আমি চুমো খেতে পারবো না।’ ‘আরে এসো তো, আমি জানি তুমিও চাইছো — খামোকা এমন করে না লক্ষ্মী!’  এমন সময় দরজা খুলে গেলো, বান্ধবীর ছোট বোন ঘুম ঘুম চোখে দাঁড়িয়ে।  চোখ ডলতে ডলতে সে বললো, ‘আপু, বাবা বলেছে, হয়তুমি চুমো খাও,নয়তো আমি চুমো খাই, নয়তো বাবা নিজেই নিচে নেমে এসে লোকটাকে চুমো খাবে, কিন্তু তোমার বন্ধু যাতে আল্লার ওয়াস্তে ইন্টারকম থেকে হাতটা সরায়।’

মিসকল

মন্টু আর মলির মধ্যে ভীষণ প্রেম। দিনভর কথা বলতে বলতে মোবাইলটা তাদের কানের অংশ হয়ে উঠেছে।  একদিন মন্টু বলল, ওগো শুনছ, শুনলাম মোবাইলে এত বেশি কথা বললে নাকি অসুখ- বিসুখ করতে পারে। চলো, আমরা এবার নতুন কিছু করি।  পুরোনো দিনে ফিরে যাই। এখন থেকে আমরা চিঠি আদান- প্রদান করব। শুনে মলি বলল, হু। তা তো ভালোই বলেছ গো।  কিন্তু চিঠি দেব কী করে? মন্টু: কেন? প্রাচীনকালের মতোই। কবুতরের পায়ে বেঁধে! ব্যস। পরদিন থেকে শুরু হলো চিঠি আদান- প্রদান।  চিঠি আসে, চিঠি যায়। কবুতর বেচারার ত্রাহি ত্রাহি দশা! একসময় মলির কাছে উড়ে এল কবুতর, কিন্তু পায়ে কোনো চিঠি বাঁধা নেই।  নিয়ম ভেঙে মন্টুকে ফোন করে বসল মলি, কী গো, কবুতরের পায়ে তো কিছু বাঁধা নেই। তুমি কিছু লেখোনি? মন্টু: আহ! বুঝলে না? ওটা মিসকল ছিল।

বিমানে পল্টুদা

পল্টুদা এরোপ্লেনে করে বোম্বে যাবে। সকাল-সকাল উঠে একটা ট্যাক্সি ডাকিয়ে পল্টুদা এয়ারপোর্টে গেলো। ওমা! একটু পরেই দেখি পল্টুদা ব্যাজার মুখে বাড়ি এসে উপস্থিত। তাড়াতাড়ি গিয়ে জিজ্ঞেস করলাম, "কিগো পল্টুদা, প্লেন ক্যানসেল বুঝি? তুমি ফিরে এলে যে? পল্টুদা করুণভাবে বললো, "মাইরি, অতো ঝামেলা জানলে প্লেনে চড়তামই না রে ভাই। প্লেনে ওঠার পর একজন বিমানবালা আমাদেরকে বোঝাতে লাগলো যে প্লেন এ্যাকসিডেন্ট হলে কি কি করতে হবে। আমার তো এ্যাকসিডেন্টের নাম শুনেই ভয়ে হাত-পা পেটে সেঁধিয়ে গেছে!  সবশেষে বলে কি না, প্লেন যদি কোন নদী বা সাগরে ক্র্যাশ করে, তাহলে সিটের তলার কুশনটাকে নাকি নৌকোর মতন ব্যবহার করতে পারবো।" পল্টুদা একটু দম নিয়ে বললো, "এই শুনেই না আমার মাথাটা চড়ে গেলো।  রেগেমেগে আমি জিজ্ঞেসই করে বসলাম যে প্লেনটাই যদি উড়তে না পারে, তো সিটটা যে জলে ভাসবে তার গ্যারান্টি কোথায়? ব্যস, শুরু হয়ে গেলো তুমুল বাওয়াল!  তারপর আমাকে প্লেন থেকে নামিয়ে দিলো। যাঃ, যাবোই না প্লেনে। রেলগাড়িতে চেপেই বোম্বে যাবো।"

ফোনালাপ

আমাদের পল্টুদা একটা টেলিফোন বুথের সামনে দশ মিনিট ধরে দাঁড়িয়ে আছে।  বুথের ভেতরে একটা লোক ফোনটা ধরে কানে লাগিয়ে রেখেছে, কিন্তু কোন কথাই বলছে না। এদিকে আবার বিলও উঠেই যাচ্ছে। অধৈর্য্য হয়ে পল্টুদা শেষপর্যন্ত বলেই ফেললো, "দাদা, কি হলো? এতক্ষণ ধরে দাঁড়িয়ে আছেন, কোন কথাই বলছেন না, বিলও উঠছে, আর আমরাও লাইনে দাঁড়িয়ে বোর হয়ে যাচ্ছি! কেসটা কি?" লোকটা মাউথপিসের ওপর হাতচাপা দিয়ে বললো, "আরে দাদা, আমি আমার বৌয়ের সাথে কথা বলছি!"

প্যান কার্ড 

পল্টুদা বাজার থেকে ফিরে এসে ধপাস করে বসে পড়লো। বললো, "ভাই রে, যাতা অবস্থা।  আজকেই বাজারে সবজি কিনতে গেলাম। তো সবজিওয়ালাকে জিজ্ঞেস করলাম যে আলু কত করে!" সে ব্যাটা বলে কি না, "সবজি কিনবে? প্যান কার্ড দেখাও আগে!"  আমি অবাক হয়ে বললাম, "প্যান কার্ড? কেনো?" সবজিওয়ালা হেসে বললো, "ইনকাম ট্যাক্স যদি না ই দাও, তাহলে সবজি কিনতে এসো কোন সাহসে?"

গাধা ডাকাত

একজন ডাকাত একটা ব্যাঙ্কে ঢুকে ক্যাশিয়ারকে একটা চিরকুট দিয়ে বললো, "মামা, চিরকুটে যেরকম লেখা আছে, ঠিক সেরকমই করো!" ক্যাশিয়ার ডাকাতের দেওয়া ব্যাগ টাকা দিয়ে পুরো ভর্তি করে দিলো, আর ডাকাতও মহানন্দে টাকা-পয়সা নিয়ে বাড়ি চলে গেলো।  কিন্তু বাড়ি ফিরেই ডাকাত দেখলো যে ওর বাড়ি পুলিশ পুরো ঘিরে রেখেছে। ব্যাপারটা হলো, যে ডাকাতবাবু যে কাগজে নিজের দাবী লিখেছিলো সেটা তারই ব্যাঙ্কের ডিপোজিট স্লিপ!

সৌভাগ্য না দুর্ভাগ্য

পল্টুদার বন্ধু গৌতমদা ছবি আঁকে। পল্টুদা কাল বিকেলে পাড়ার আড্ডায় এসে এক হট নিউজ দিলো। গৌতমদা গতকাল পল্টুদাকে নিয়ে যে গ্যালারিতে তার ছবির প্রদর্শনী হচ্ছে সেখানে গিয়েছিলো। তা গৌতমদা গ্যালারির মালিককে জিজ্ঞেস করলো, "কি দাদা, কোনও ভালো খবর আছে কি?" দাদা বললেন, "আরে গৌতম, তোমার জন্য ভালো আর খারাপ দুটো খবরই আছে! কোনটা আগে দেবো?" গৌতমদা বললো, "দুটোই বলুন!" মালিক ভদ্রলোক বললেন, "ভালো খবরটা হলো যে একজন লোক তোমার আঁকা সবকটা ছবি কিনে নিয়েছে।" গৌতমদা এই না শুনে আহ্লাদে আটখানা হয়ে বললো, "তাই?! তা খারাপ খবরটা কি?" মালিক, "সেই লোকটা না, তোমার ছবিগুলো কেনার আগে আমাকে জিজ্ঞেস করছিলো যে তুমি মারা গেলে ঐসব ছবির দাম বাড়বে কি না। আমি হ্যাঁ বলার পরই ও ছবিগুলো কিনলো। আর সবচেয়ে বাজে ব্যাপারটা হলো যে ঐ লোকটা তোমারই ডাক্তার!"

পেট্রোলে চলে

সক্কাল-সক্কাল পাড়াতে হেবভি হইচই! পাড়ার পার্মানেন্ট ভিখিরী দুখিয়া ফুটপাথে বসে কান্নাকাটি করছে, আর তার সেকেণ্ড ইন কম্যান্ড সুদর্শন তাকে শান্ত করার চেষ্টা করেই যাচ্ছে।  আমি এগিয়ে গিয়ে ব্যাপারটা বোঝার চেষ্টা করলাম। দুখিয়া দেখি কপাল চাপড়াচ্ছে আর বলছে, "কি সর্বনাশ, আমার মাথায় তো আকাশ ভেঙ্গে পড়লো রে!  কেউ শালা আমার সাইকেলটা চুরি করে নিয়ে গেছে আর ওর মোটরসাইকেলটা আমার জন্য ছেড়ে গেছে।" সুদর্শনও দেখি একই রেটে মাথা চাপড়াচ্ছে আর বলছে, "আরে ভাই, তুই তো একদম বরবাদ হয়ে গেলি রে! এই বাইকটা তো শালা পেট্রোলে চলে!"

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে