Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

Login
ইউনিজয়
ফনেটিক
English
হাস্যরসে ভরপুর লেখা দিতে লগইন/রেজিষ্টার করুন

হাসিখুশি ক্লাব

অফিসের ফোন

এক মাসে বাসার ফোনবিল অস্বাভাবিকভাবে বেশি এল। বাসায় জরুরি মিটিং বসল। বাবা বলল, ‘আমি গত মাসে বাসার ফোনটা একবারও ধরিনি। আমি সব ফোন করেছি অফিসের ফোন থেকে।’…

একটু নামেন, ধাক্কা দিতে হবে

একজন বাস ড্রাইভার আর এক পাইলট বন্ধুর মধ্যে কথা হচ্ছিল— বাস ড্রাইভার: আমি মাঝে মাঝে আমার যাত্রীদের খাটিয়ে নিতে পারি। কিন্তু তুই পারিস না। পাইলট: কী রকম? বাস ড্রাইভার: তুই কি মাঝপথে প্লেন থামিয়ে বলতে পারবি, ‘ভাইয়েরা, একটু নামেন, ধাক্কা দিতে হবে?’

দরজার বাইরে কোনো পাপোশ নেই

অফিসে সিদ্দিক সাহেবের প্রথম দিন। বস: আমাদের অফিসে একটি ব্যাপারে আমরা খুবই গুরুত্ব দিই, তা হলো পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা। তুমি নিশ্চয়ই আমার ঘরে ঢোকার আগে পাপোশে জুতা মুছে ঢুকেছ? সিদ্দিক: অবশ্যই স্যার। বস: আরেকটি ব্যাপারে আমরা আরও বেশি কঠোর। তা হলো সততা। দরজার বাইরে কোনো পাপোশ নেই, ইডিয়ট!

লোকটা যে উকিল ছিল প্রথমে বুঝতে পারিনি...কেন!?

ভিড় রাস্তায় এক উকিলের সাইকেলের মাডগার্ডে লেগে ভবেশবাবুর ধুতি ছিঁড়ে গেলো ! ভবেশবাবু সাথে সাথে উকিলকে হাত ধরে সাইকেল থেকে নামিয়ে বললেন -যাচ্ছেন কোথায়? আমার ধুতির দাম দিয়ে যান! উকিল জিজ্ঞেস করলেন -ধুতির কত? ভবেশবাবু বললেন ২০০ টাকা।  উকিল ভালোমানুষের মতো পকেট থেকে দুশো টাকা বের করে দিয়ে দিলেন! এবার ভবেশবাবু খুশিমনে দুশো টাকা পকেটে পুরে যেই রওয়ানা হবেন, উকিল মহাশয় তার হাত চেপে ধরে বললেন -যাচ্ছেন কোথায়? আগে আমার ধুতি খুলে দিয়ে যান! ধুতির দাম দিয়ে দিয়েছি, এখন এই ধুতি আমার। ভবেশ বাবুর চোখ কপালে! উকিলের ‘আব্দারে’ তিনি ক্ষেপে উঠলেন। কিন্তু আইনওয়ালা নাছোড় বান্দ। ধুতিটি না নিয়ে যাবেন-ই না। হৈ চৈ শুনে তখন সেখানে বেশ কিছু লোক জমে গেছে, তারাও ন্যায় বিচারে ব্যস্ত হলেন এবং বিস্তর বুদ্ধি খাটিয়ে ভবেশ বাবুকে বললো-  -উনি যখন আপনাকে ধুতির মূল্য দিয়ে দিয়েছেন, তাহলে তো উনি এখন ধুতির মালিক; আপনি ধুতি খুলে উকিলবাবুকে দিয়ে দিন! ক্রদ্ধ ভঙ্গিতে ভবেশবাবু বললেন -উনাকে ধুতি দিয়ে দিলে আমি কি এই লোকভরা রাস্তায় উলঙ্গ হয়ে ঘরে যাবো? জাবাবটা দিলেন উকিল- -অতশত জানি না, বুঝিও না। শুধু জানি ধুতিটি আমার কেনা এখন। আপনি আমার ধুতি আমাকে দিয়ে যান। এমন গ্যারাকলে জড়িয়ে ভবেশবাবুর ভবলীলা সাঙ্গ হওয়ার মতো অবস্থা হলো ক্রোধে। কিন্ত শেষে বাধ্য হয়ে বললেন -আপনি আপনার দুশো টাকা ফেরত নিয়ে নিন, আমি ছেঁড়া ধুতিতেই কোনমতে বাড়ি ফিরতে পারবো। কিন্তু উকিল বললেন -আমার ধুতি আমি দুই হাজার টাকার কমে বেচবো না, লাগলে বলুন! কি আর করা! ভবেশবাবু উল্টো নিজের গাঁটের দুই হাজার টাকা দিয়ে ছেঁড়া ধুতিতেই ঘরে ফিরলেন। ফেরার পথে শুধু ঠোঁট কামড়ালেন একথা মনে করে- -লোকটা যে উকিল ছিল আমি প্রথমে বুঝতে পারিনি...কেন!?

বা...বা...বা... বাচ্চা দিতে গিয়ে মারা গেছে।

একদিন বিল্টু তার বন্ধু মন্টুর কাছ থেকে ৫০ টাকা ধার নিয়ে ক'দিন পরে ৬০ টাকা ফেরৎ দেয়। মন্টু : ৬০ টাকা কিসের জন্য? বিল্টু : মনে নেই, সেদিন যে ধার নিলাম। মন্টু : আমি তো ৫০ টাকা দিয়েছিলাম। বিল্টু : হ্যাঁ। তোর ওই ৫০টাকা বাচ্চা দিয়েছিলো। তাই ১০ টাকা বেশি দিলাম। কয়েক দিন পর আবার ... বিল্টু : দোস্ত আমাকে ৫০০ টাকা ধার দে, খুব দরকার। (মন্টু মনে মনে ভাবে ওর কাছে তো টাকা বাচ্চা দেয়) মন্টু : আরে শুধু ৫০০ টাকা কেন, তোর জন্য আমার যা আছে সব দিতে পারি। এই নে ৫০০ টাকা। বিল্টু : ধন্যবাদ দোস্ত, তোর মত লোকই হয় না। মাস খানেক পর... মন্টু : কিরে দোস্ত, প্রায় এক মাস হলো, তুই যে আমার কাছ থেকে ৫০০ টাকা ধার নিলি, তা তো ফেরৎ দিলি না? বিল্টু : দোস্ত কি আর বলবো দুঃখের কথা। ওই ৫০০ টাকা, বা...বা...বা... বাচ্চা দিতে গিয়ে মারা গেছে।

এইমাত্র আকাশ থেকে পড়ল!

এক ব্যস্ত বাবা তার মেয়ের গৃহশিক্ষককে সামনে পেয়ে জিজ্ঞেস করলেন, কী খবর মাস্টার সাহেব, আমার মেয়ে কেমন পড়ছে? বড় হয়ে সে কী হবে মনে হয়? গৃহশিক্ষক খানিক আমতা আমতা করে বললেন, আমার তো মনে হয় সে আকাশচারীই হবে। ভীষণ অবাক বাবা। বলেন কী! এত কিছু থাকতে সে কেন আকাশচারী হবে, কী দেখে আপনি এমন ভবিষ্যত্ বাণী করেন? বারবার পড়ানোর পরও যখন আপনার মেয়েকে কিছু জিজ্ঞেস করি, তখন ওকে দেখলে মনে হয় যেন এইমাত্র আকাশ থেকে পড়ল!

যে জিতবে তাকে বিয়ে করবি!

সদ্য বিয়ে করা মনুর মন খারাপ। ঘরে শান্তি নাই! আড্ডার ছলে বুদ্ধি নিতে এসেছে বন্ধু কালামের কাছে- মনু: দুই বান্ধবী একইদিন তোকে প্রপোজ করলে কাকে বিয়ে করবি? কালাম: প্রথমেই দুজনের মধ্যে ঝগড়া-মারামারি লাগিয়ে দেব। মনু: আমিও... এরপর যে জিতবে তাকে বিয়ে করবি! কালাম: না, যে হারবে তাকে। মনু: কেন? কালাম: তাইলে বিয়ের পর ঝগড়া-মারপিটে সব সময়ে জেতার চান্স থাকবে। মনু: হায় হায়! কি ভুলটাই না করেছি আমি!  কালাম: কী করেছিস? মনু: আমি জিতনেওয়ালীকে বিয়ে করেছিলাম রে।

কতো রবীন্দ্র সংগীত লিখলাম!

এক লোক অনেক চাপাবাজি করে। তো সে সঙ্গীত নিয়েও চাপাবাজি করছে। সে এই সঙ্গীত লিখেছে সেই সঙ্গীতের সুর দিয়েছে ইত্যাদি ইত্যাদি। তো তার বন্ধু তাকে জিজ্ঞেস করলো, তুমি রবীন্দ্রসঙ্গীতের বিষয়ে কি জানো? জবাবে সে বললো, কতো রবীন্দ্র সংগীত লিখলাম আর তুমি বলো কি জানি!?  

একটি প্রাগৈতিহাসিক প্রাণির নাম

শিক্ষক: টুলু, প্রাগৈতিহাসিক একটা প্রাণির নাম বল। টুলু: জেব্রা, ম্যাডাম। শিক্ষক: বলে কি ছেলে? জেব্রা প্রাগৈতিহাসিক প্রাণি! টুলু: জ্বী ম্যাডাম। বাকি সব প্রাণি যার যার মতো রং নিছে, খালি জেব্রাটাই এখনো সাদা-কালো রয়ে গেল।

স্ত্রী অসুস্থ হলে যা করবেন

স্বামী: স্ত্রী অসুস্থ হলে কী করবো? চিকিৎসক: প্রথমেই তাকে হাসপাতালে নেওয়ার আগে অন্য দুটি চেষ্টা করে দেখতে পারেন।  স্বামী: কেমন চেষ্টা? চিকিৎসক: প্রথমত তাকে শাড়ির দোকানে নিয়ে যান। সেখানে গিয়েও সুস্থ না হলে স্বর্ণের দোকানে নিয়ে যান। এরপরও যদি সুস্থ না হয়- তবে বুঝবেন, তিনি ঠিকই অসুস্থ!

বিল গেটসের মেয়ের জামাই

রফিক সাহেব ঠিক করলেন, ছেলের বিয়ে দেবেন। ছেলেকে গিয়ে বললেন, শোন, আমি ঠিক করেছি তোর বিয়ে দেব। পাত্রীও ঠিক। ছেলে: কিন্তু বাবা আমি তো নিজের পছন্দে বিয়ে করতে চাই! রফিক সাহেব: পাত্রী বিল গেটসের মেয়ে। ছেলে: তাহলে বাবা আমি রাজি! এরপর রফিক সাহেব গেলেন বিল গেটসের কাছে। বললেন, আপনার মেয়ের সঙ্গে আমার ছেলের বিয়ে দিতে চাই। বিল গেটস: কিন্তু আপনার ছেলে করে কী? রফিক সাহেব: সে বিশ্বব্যাংকের ভাইস প্রেসিডেন্ট। বিল গেটস: ও! তাহলে আমি রাজি। সব শেষে রফিক সাহেব গেলেন বিশ্বব্যাংকের প্রেসিডেন্টের কাছে। বললেন, আমার ছেলেকে আপনার ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে নিয়োগ দিতে পারেন। প্রেসিডেন্ট: কিন্তু আপনার ছেলের কি সেই যোগ্যতা আছে? তা ছাড়া আমার একজন ভাইস প্রেসিডেন্ট আছে। আমি তো তাকে সরিয়ে আপনার ছেলেকে নিতে পারি না। রফিক সাহেব: কিন্তু সে যদি বিল গেটসের মেয়ের জামাই হয়? প্রেসিডেন্ট: তাহলে আমি রাজি!

কুকুরটাকে তাড়ালোই না

রাজার দেহ রক্ষার জন্য দু’জনকে রাখা হয়েছিল। কিন্তু তারা খুব অলস। এজন্য রাজার সেনাপতি একবার তাদের ঘরে আগুন লাগিয়ে দিয়েছিল। কিন্তু তারা এক চুলও নড়ল না। ফলে আগুন নিভিয়ে তাদের বনবাসে পাঠানো হল। তারা সেখানে বাস করতে লাগলো। ঠিক হল একরাত একজন ঘুমাবে অন্যজন পাহারা দেবে। অন্যদিন অন্যজন ঘুমাবে। এভাবে চলবে। একবার সেখান দিয়ে এক সিপাহি যাচ্ছিল। তাদের মধ্যে একজন বলে উঠল- ১ম অলস : এই যোদ্ধা ভাই একটু এদিকে আসো। যোদ্ধা : কেন? ১ম অলস : এই যে আমার বুকের উপর একটা বড়ই আছে না। ওটা আমার মুখে তুলে দাও। যোদ্ধা : তুই নিজে তুলছিস না কেন? ১ম অলস : কে যাবে এখন হাত নেড়ে বড়ই মুখে তুলতে! যোদ্ধা : তোর পাশের জনকে বল। ২য় অলস : আর বলো না ভাই। আমি পারব না। যোদ্ধা : কিন্তু কেন? ২য় অলস : কাল ওর আমাকে পাহারা দেওয়ার কথা ছিল। আমি ঘুমের মধ্যে হা করেছিলাম। একটা কুকুর আমার মুখে পেশাব করে দিছিল। কিন্তু ও কুকুরটাকে তাড়ালোই না।

 < 1 2 3 4 >  শেষ ›
Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে