Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, বুধবার, ২২ মে, ২০১৯ , ৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬
হাস্যরসে ভরপুর লেখা দিতে লগইন/রেজিষ্টার করুন

হাসিখুশি ক্লাব

অভিভাবক ও শিক্ষক!

- মাষ্টারসাহেব, আপনার কী মনে হয়, আমার ছেলে বড় হয়ে কী হবে? - মনে হয় মহাকাশচারী হবে। - কেন? এত কিছু থাকতে ও মহাকাশচারী হতে যাবে কেন? - বারবার বুঝিয়ে দেওয়ার…

পোট্রেট!

এক মহিলা তার একটা পোর্ট্রেট আঁকতে দিল এক শিল্পীকে। বলল, ‘আমার ছবিটায় গলায় খুব দামি কিছু গহনা এঁকে দেবেন।’ শিল্পী: কেন? / / / / মহিলা: আমার মৃত্যু হলে আমার স্বামী যদি আবার বিয়ে করে, তখন এই ছবি ও দামি দামি গহনা দেখে তার দ্বিতীয় স্ত্রী যেন ওর জীবন বরবাদ করে দেয়।

দুই অলস!!!

দুই আলসে বরই গাছের নিচে শুয়ে ছিল। হঠাৎ একটা পাকা বরই এসে এক আলসের মাথার কাছে পড়লো। প্রথম আলসে দ্বিতীয় আলসেকে বলল, ”বরই টা আমার গালের মধ্যে ডুকিয়ে দে তো। দ্বিতীয় আলসে বলল , ইশ আমার বয়েই গেছে তোর গালের মধ্যে বরই দিতে, কালকে যে আমার গালের উপর একটা কুকুর হিসু করে দিল, তোরে এত করে কইছিলাম কুকুরটা তাড়া, তুই তাড়াইছিলি ?

বনের রাজা!!!

চিতাকে দেখে এগিয়ে গেল সিংহ। জিজ্ঞেস করল :বনের রাজা কে? :কে আবার! আপনি। বানরকে দেখে একই প্রশ্ন করল সিংহ। :বনের রাজা কে? :কে আবার! আপনি। বনের সব পশুকে এ প্রশ্ন করেসিংহ একই উত্তর পেল। বাকি ছিল শুধু হাতি। তার কাছে গিয়ে জানতে চাইল, :বনের রাজা কে? কোনো উত্তর না দিয়ে হাতি সিংহকে শুঁড়ে পেঁচিয়ে তুলে আছড়ে ফেলল মাটির ওপর। সিংহ সংবিৎ ফিরে পাওয়ার আগেই আবারও একই কাজ করল হাতি। কোন রকমে ছাড়া পেয়ে দৌড়ে একটু দূরে সরে গিয়ে সিংহ বলল :এত খ্যাপার কী আছে ! উত্তর জানো না, তা বললেই পারতে !

ক্রিকেট রচনা!!

স্যার ক্লাশে সবাইকে ক্রিকেট ম্যাচ নিয়ে রচনা লিখতে দিয়েছেন। সবাই মন দিয়ে লিখে চলছে। ৩-৪ মিনিট পরেই স্যার হঠাৎ দেখেন রন্টি জানালা দিয়ে উদাস নয়নে বাইরের মাঠের দিকে তাকিয়ে আছেন। স্যার রন্টিকে ঝাড়ি দিয়ে জানতে চাইলেন, ‘এই তুমি লিখছো না কেন?’ রন্টি: স্যার আমার লেখা হয়ে গেছে! স্যার: মানে? কই তোমার খাতা দেখি? রন্টি স্যারকে খাতা এগিয়ে দিলেন, স্যার দেখলেন খাতায় লেখা রয়েছে ‘বৃষ্টির কারনে ম্যাচ পরিত্যাক্ত ঘোষনা করা হলো।’

দাঁতের ডাক্তার?!!

দাঁতের ডাক্তারের কাছে এক মেয়ে এসে বলল- মেয়ে : ডাক্তার সাহেব, আপনি দাঁত তুলতে পারেন? ডাক্তার : হ্যাঁ, পারি। মেয়ে : তাহলে যে আমার সঙ্গে আমাদের বাড়ি যেতে হবে। আমার দাদির দাঁত তুলতে হবে। ডাক্তার : তা যাওয়া যাবে। ফি কিন্তু ডাবল দিতে হবে। মেয়ে : সেটা সমস্যা না, চলেন আমার সঙ্গে। ডাক্তার মেয়েটার বাড়ি গেল। সেখানে গিয়ে মেয়েটার দাদিকে বলল- ডাক্তার : দেখি, আপনার কোন দাঁত তুলতে হবে? দাদি : আমার সঙ্গে একটু কষ্ট করে পুকুরপাড়ে চলেন। পুকুরপাড়ে গিয়ে দাদি বললেন, আজ গোসল করতে গিয়ে পুকুরে দাঁত পড়ে গেছে। আপনি কষ্ট করে তুলে দেন!

হারামজাদা, তুই যে ভাত খেয়েছিস, প্লেট কই!!!!

একবার এক সদ্য গাজাখোর বাড়ী ফিরেছে। কোনভাবেই যেন বাবা টের না পায় সেজন্য খুব সতর্ক। দরজা খুলে দিতেই সে এ্যাজ ইউজুয়াল সালাম দিলো। তারপরে দরজা দিয়ে দিলো। বেশী রাত হয়েছে বলে তার বাবা কটমট করে তাকিয়ে আছে কিন্তু বকাবকি করছে না। বললো, ভাত খেয়ে নাও! ছেলেটি গিয়ে টেবিলে বসেছে। রগচটা বাবা দাড়িয়ে আছে পাশে। ভয়ে ভয়ে সে খুব সতর্ক ভাবে ভাত নেয়, তরকারী নেয়, তারপরে ঠিকঠাক মত খেতে থাকে। এরপরে ডাল নেয়, ডাল দিয়ে খেতে থাকে। এবার বাবার দিকে তাকিয়ে দেখে বাবা চোখ বড়বড় করে তাকিয়ে আছে। ছেলেটি খুঁজে পায় না সে কি ভুল করেছে। খাওয়া শেষ হয়েছে যেই বাবা এসে মারলো জোরে একটা থাপ্পর। বললো, হারামজাদা, তুই যে ভাত খেয়েছিস, প্লেট কই?

ওজন মাপার যন্ত্র

বিয়ের পর মালিহার প্রথম জন্মদিন। স্বামী তাকে কতটা ভালোবাসে, যাচাই করে দেখার ইচ্ছা তার। উপহার হিসেবে মালিহা মনে মনে চাইছে একটা ঝা-চকচকে নতুন গাড়ি! কিন্তু সে কথা তো আর স্বামীকে সরাসরি বলা যায় না। ইনিয়ে-বিনিয়ে বলল মালিহা, ‘ওগো শুনছো! উপহার হিসেবে কী পেলে আমি সবচেয়ে খুশি হব, জানো? এমন একটা যন্ত্র, যার কাঁটা মুহূর্তে ০ থেকে ৯০-এ উঠে যায়!’ পরদিন মালিহা উপহার পেল… একটি ওজন মাপার যন্ত্র!

ওজন কমছে…বাড়ছে…

অনেক দিন পর হোস্টেল থেকে বাড়ি ফিরেছে মৌ। ফ্রিজ খুলে সে দেখে, ফ্রিজের ভেতর ভীষণ সুশ্রী একটি মেয়ের ছবি রাখা। মৌ ছুটে গেল মায়ের কাছে, ‘মা, ফ্রিজের ভেতর একটা সুন্দরী মেয়ের ছবি রাখা দেখলাম।’ মা: হুম্। এটাকে বলে ‘পিকচার ডায়েট’। যখনই আমি কোনো খাবার নেওয়ার জন্য ফ্রিজ খুলি, মেয়েটাকে দেখলেই আমার মনে হয়, আমাকেও ওর মতো সুন্দরী হতে হবে। তখন আর খাওয়া হয় না। মৌ: বাহ্! দারুণ। তা উপকার পাচ্ছ? মা: পাচ্ছি আবার পাচ্ছি না। মৌ: কেমন? মৌ: আমার ওজন কমেছে আট কেজি। কিন্তু বারবার ফ্রিজ খোলার কারণে তোর বাবার ওজন ১০ কেজি বেড়েছে!

ম্যাসেজ সেন্ডিং ফেইল

টিটু : এইমাত্র স্যার ম্যাসেজ পাঠিয়েছেন। মিঠু: কী লিখছে? টিটু: স্যার আজ নাকি এক্সট্রা ক্লাস নেবেন।  মিঠু: আজ তো শুক্রবার। টিটু : তাহলে কী করবো? মিঠু: ‘ম্যাসেজ সেন্ডিং ফেইল’ লিখে পাঠিয়ে দে।

বুদ্ধিমান পুরুষের বউ থাকে নাকি

অফিস থেকে খুব দেরি করে ক্লান্ত হয়ে ঘরে ফিরলেন স্বামী। কিন্তু তার প্রতিদিনই এরকম দেরি করে বাসায় ফেরা দেখে স্ত্রীর মনে খুব সন্দেহ হলো। তাই কৌতূহলী হয়ে একদিন বাসায় ফেরার সঙ্গে সঙ্গে- স্ত্রী: তোমার অফিস তো শেষ হয়ে গেছে সেই কখন। এতক্ষণ কোথায়, কার সঙ্গে কী করলে? স্বামী: বুদ্ধিমান বউরা কখনও স্বামীকে এভাবে প্রশ্ন করে না। স্ত্রী: বুদ্ধিমান পুরুষরাও বউকে না বলে কোথাও দেরি করে না, বুঝলে? স্বামী : ধুর! কী যে বলো! বুদ্ধিমান পুরুষদের আবার বউ থাকে নাকি!

মশার ওভারটাইম…

মন্টু একদিন দুপুরে বসে আছে। হঠাৎ একটা মশা এসে মন্টুকে কামড় দিলো। . .. . . মন্টু :- (রেগে গিয়ে) এখন দিনের বেলায়ও কামড় দিতে হবে? . . . . . মশা:- কি করমু সাহেব? গরীব মশা আমি। মা-বাবা হাসপাতালে ভর্তি। ঘরে বিয়ের উপযুক্ত বোন আছে। সেদিন তার বিয়ে ঠিক হইছে। ছেলে পক্ষ ১লিটার রক্ত যৌতুক দাবি করছে। তাই ওভারটাইম করতেছি।

 1 2 3 >  শেষ ›
Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে