বিদেশি বিনিয়োগকারীদের ৫ শতাংশ পর্যন্ত লভ্যাংশ পাঠাতে লাগবে না বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমতি

ঢাকা,০৪ নভেম্বর-বিদেশি বিনিয়োগকারীদের জন্য লভ্যাংশ নিজ দেশে পাঠানোর প্রক্রিয়া সহজ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এখন থেকে অগ্রাধিকার শেয়ারের বিপরীতে ৫ শতাংশ পর্যন্ত লভ্যাংশ পাঠাতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের আগাম অনুমতি নিতে হবে না।
মঙ্গলবার এ বিষয়ে একটি সার্কুলার জারি করা হয়েছে। এটি বৈদেশিক মুদ্রা লেনদেনে নিয়োজিত দেশের সব অথরাইজড ডিলার (এডি) ব্যাংকে পাঠানো হয়েছে।
সার্কুলারে বলা হয়েছে, এ ধরনের শেয়ার ইস্যুর বিপরীতে বিনিয়োগের অর্থ বৈধ ব্যাংকিং চ্যানেলের মাধ্যমে বৈদেশিক মুদ্রায় বাংলাদেশে আনতে হবে।
উল্লেখ্য, প্রেফারেন্স বা অগ্রাধিকার শেয়ার হলো এমন এক ধরনের শেয়ার, যার মালিকরা সাধারণ শেয়ারহোল্ডারদের তুলনায় কিছু বাড়তি সুবিধা পান। কোম্পানি লভ্যাংশ দিলে তারা আগে নির্দিষ্ট হারে তা পান। একইভাবে, কোম্পানি বন্ধ বা অবসায়িত হলে বিনিয়োগের অর্থ ফেরত পাওয়ার ক্ষেত্রেও তারা অগ্রাধিকার পান। তবে সাধারণত এসব শেয়ারের মালিকদের ভোট দেওয়ার অধিকার থাকে না।
সার্কুলারে আরও বলা হয়েছে, অগ্রাধিকার শেয়ারের লভ্যাংশের হার যদি শেয়ারের অভিহিত মূল্যের (ফেস ভ্যালু) ৫ শতাংশের বেশি না হয়, তাহলে কোম্পানিগুলোকে এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের আগাম অনুমতি নিতে হবে না। তবে লভ্যাংশের হার ৫ শতাংশের বেশি হলে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পূর্বানুমতি লাগবে। এর মধ্যে অংশগ্রহণমূলক (পার্টিসিপেটিং) বা পরিবর্তনযোগ্য (অ্যাডজাস্টেবল) লভ্যাংশের হারও অন্তর্ভুক্ত। এসব ক্ষেত্রে কোম্পানিগুলোকে তাদের মনোনীত এডি ব্যাংকের মাধ্যমে যথাযথ কারণ উল্লেখ করে আবেদন জমা দিতে হবে।
অগ্রাধিকার শেয়ার ইস্যুর ১৪ দিনের মধ্যে সংশ্লিষ্ট এডি ব্যাংককে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ বৈদেশিক মুদ্রা বিনিয়োগ বিভাগে প্রতিবেদন পাঠাতে হবে। একইভাবে, শেয়ারের অর্থ ফেরত বা রিডেম্পশনের টাকা বিদেশে পাঠানোর ৩০ দিনের মধ্যে পরবর্তী প্রতিবেদন জমা দিতে হবে।
যে ব্যাংক বা চ্যানেলের মাধ্যমে মূল বিনিয়োগের অর্থ বাংলাদেশে আনা হয়েছে, লভ্যাংশ ও রিডেম্পশনের অর্থও সেই একই এডি ব্যাংকের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট দেশে পাঠাতে হবে।
এস এম/ ০৪ নভেম্বর ২০২৬







