ভারত থেকে আমদানি করা ১৩৫ টন চাল পরীক্ষা, রিপোর্টে উদ্বেগের কারণ নেই

ঢাকা,২৭ অক্টোবর-ক্ষতিকর উপাদান আছে কি না, তা নিশ্চিত হতে ভারত থেকে আমদানি করা ১৩৫ টন চালের নমুনা আরও পরীক্ষার জন্য বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটে পাঠানো হয়েছে।
সরকারিভাবে (জিটুজি) পদ্ধতিতে ভারত থেকে আমদানি করা এসব চালের নমুনা গত ১৭ আগস্ট চট্টগ্রামের হালিশহর সিএসডি (কেন্দ্রীয় খাদ্য গুদাম) থেকে সংগ্রহ করে অধিকতর পরীক্ষার জন্য ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটে পাঠানো হয়। এসব চালে আফলাটক্সিনের মতো ক্ষতিকর উপাদান থাকতে পারে বলে সন্দেহ হওয়ায় আরও পরীক্ষার উদ্যোগ নেয় খাদ্য অধিদপ্তর।
গাজীপুরের ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের শস্যমান ও পুষ্টি বিভাগের মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. শরীফা সুলতানা দীপ্তি বলেন, পরীক্ষার প্রতিবেদন খাদ্য বিভাগের কাছে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। শুধু আফলাটক্সিন নয়, ধাপে ধাপে প্রতিটি বিষয় পরীক্ষা করা হয়েছে। পরীক্ষায় যা পাওয়া গেছে, তা নির্ধারিত মাত্রা অতিক্রম করেনি। তাই এ নিয়ে দুশ্চিন্তার কিছু নেই।
হালিশহর সিএসডির ব্যবস্থাপক ইকবাল মাহমুদ বলেন, খাদ্য বিভাগের একটি দল এসে ১৩৫ টন চালের নমুনা পরীক্ষার জন্য নিয়ে যায়। চালানটি থেকে এসব চাল আলাদা করা হয়েছিল। নমুনা সংগ্রহের পর খাদ্য বিভাগ থেকে চালগুলো বিতরণ স্থগিত রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়। সেই নির্দেশনা অনুযায়ী, এসব চালের বিতরণ বন্ধ রাখা হয়েছে।
জানা গেছে, ভারত থেকে একটি জাহাজে করে চালের চালানটি আমদানি করা হয়। চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে পৌঁছানোর পর গত ২৪ ও ২৫ জুলাই চালগুলো খালাস করা হয়। তবে চালের মান নিম্নমানের হতে পারে এবং এতে ক্ষতিকর উপাদান থাকতে পারে বলে সন্দেহ হওয়ায় ১৩৫ টন চাল থেকে নমুনা সংগ্রহ করে অধিকতর পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়।
গত ১৭ আগস্ট গাজীপুরের ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের শস্যমান ও পুষ্টি বিভাগের মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. শরীফা সুলতানা দীপ্তির নেতৃত্বে দুই সদস্যের একটি দল চট্টগ্রামে আসে। দলটি হালিশহর ও দেওয়ানহাট সিএসডির কয়েকটি স্তূপ থেকে চালের নমুনা সংগ্রহ করে।
খাদ্য বিভাগের চট্টগ্রামের চলাচল ও সংরক্ষণ নিয়ন্ত্রক মো. সাকিব রেজওয়ান জানান, ভারত থেকে আমদানি করা চালের একটি চালানের অল্প কিছু চালে আফলাটক্সিনের মাত্রা কিছুটা বেশি পাওয়া যাওয়ায় অধিকতর পরীক্ষার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল।
এস এম/ ২৭ অক্টোবর ২০২৬







