ফুটবল

ব্রাজিল ও পর্তুগালের বিদায়ে ঢাকার জার্সির বাজারে মন্দা, চাহিদার শীর্ষে আর্জেন্টিনা

ঢাকা, ১১ জুলাই – বিশ্বকাপের নকআউট পর্ব থেকে ব্রাজিল ও পর্তুগালের বিদায় বাংলাদেশের ফুটবল জার্সির বাজারে নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। ঢাকার বিভিন্ন স্পোর্টস জোন ও দোকানগুলোতে এসব দলের জার্সির বিক্রি উল্লেখযোগ্য হারে কমে যাওয়ায় অনেক ব্যবসায়ী আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন।

তবে বাজারে এখনো লিওনেল মেসি ও আর্জেন্টিনার জার্সির ব্যাপক চাহিদা লক্ষ্য করা গেছে। একই সাথে ফুটবলারদের পারফরম্যান্সের ভিত্তিতে কিছু নতুন ডিজাইনের কনসেপ্ট জার্সিও বিক্রি ধরে রাখতে ব্যবসায়ীদের সাহায্য করছে। দেশের জনপ্রিয় স্পোর্টস গিয়ার ও জার্সি প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠানের উদ্যোক্তাদের মতে, টুর্নামেন্টের বড় দলগুলো বিদায় নিলে সেই দলের সমর্থকরা আর নতুন করে জার্সি কিনতে আগ্রহী হন না।

ডিয়ার ফ্রেন্ডস প্রতিষ্ঠানের মালিক লিটন রুবেল জানান, অভিজ্ঞ ব্যবসায়ীরা সাধারণত টুর্নামেন্ট শুরুর আগেই তাদের মূল স্টক শেষ করার পরিকল্পনা করেন। তবে যারা বিশ্বকাপ চলাকালীন চড়া দামে নতুন করে জার্সি সংগ্রহ করেন, তারাই এখন সবচেয়ে বেশি ঝুঁকির মুখে পড়েছেন। বড় দলের বিদায়ে সেই বিনিয়োগ এখন অনেকের আটকে গেছে।

তিনি আরও জানান, দল বিদায় নিলেও কোনো কোনো ক্ষেত্রে ব্যক্তিগত পারফরম্যান্সের কারণে নির্দিষ্ট দেশের জার্সির চাহিদা বাড়তে পারে। যেমন নরওয়ে ব্রাজিলকে হারানোর পর দেশটির জার্সির চাহিদা হঠাৎ বেড়েছে। এছাড়া কিলিয়ান এমবাপের দুর্দান্ত খেলার কারণে ফ্রান্সের জার্সির প্রতিও দর্শকদের আগ্রহ রয়েছে।

অন্যদিকে ক্লথিস্টের মালিক তানভিরের মতে, বাংলাদেশের বাজারে আর্জেন্টিনা ও লিওনেল মেসির সমর্থক বেশি হওয়ায় সেই জার্সির বাজার সবসময়ই স্থিতিশীল থাকে। বাজার সঠিক বিশ্লেষণ না করে যারা অন্য দলের জার্সি অধিক পরিমাণে মজুদ করেছিলেন, তারাই লোকসানের মুখে পড়েছেন।

ব্যবসায়ীদের মতে, পর্তুগাল বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে গেলেও ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর ব্যক্তিগত জনপ্রিয়তার কারণে পর্তুগাল বা আল নাসরের ৭ নম্বর জার্সির একটি স্থায়ী বাজার সারা বছরই থাকে। এছাড়া বর্তমানে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে জনপ্রিয় হওয়া বিভিন্ন কনসেপ্ট জার্সির চাহিদাও বাড়ছে। প্রচলিত জাতীয় দলের জার্সির চাহিদা কিছুটা কমলেও এসব নতুন ডিজাইনের জার্সি ব্যবসায়ীদের কিছুটা স্বস্তি দিচ্ছে।

এস এম/ ১১ জুলাই ২০২৬


Back to top button
🌐 Read in Your Language