ভবানীপুর থেকে তৃণমূলের প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দিলেন মমতা

কলকাতা, ৮ এপ্রিল – পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি ভবানীপুর বিধানসভা আসন থেকে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। বুধবার স্থানীয় সময় সকাল সাড়ে দশটার দিকে তিনি এই মনোনয়নপত্র জমা দেন। এদিন কালীঘাটের বাসভবন থেকে বেরিয়ে বেশ কিছুটা পথ পায়ে হেঁটে আলিপুর সার্ভে ভবনে পৌঁছান তিনি। তার সঙ্গে ছিলেন কলকাতার মেয়র ও মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম, তৃণমূলের কাউন্সিলার ও মমতার আত্মীয় কাজরি বন্দ্যোপাধ্যায়, ফিরহাদ হাকিমের স্ত্রী ইসমাত হাকিম, কন্যা প্রিয়দর্শিনী হাকিমসহ তৃণমূলের একাধিক নেতা।
দলীয় নেত্রীকে স্বাগত জানাতে রাস্তার দুই পাশে অসংখ্য মানুষের জমায়েত ছিল। তারা স্লোগান দিয়ে মমতাকে অভিনন্দন জানান এবং অনেকেই মোবাইলে ছবি তোলেন। উচ্ছ্বসিত জনতার উদ্দেশ্যে মমতা ব্যানার্জিকে হাত নাড়তে এবং হাত জোড় করে নমস্কার জানাতে দেখা যায়। মনোনয়নপত্র জমা দেওয়াকে কেন্দ্র করে আলিপুরে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার সময় প্রস্তাবক হিসেবে তার সঙ্গে ছিলেন সমাজের বিভিন্ন ধর্মের কয়েকজন ব্যক্তি। তাদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন ইসমাত হাকিম, তৃণমূল কংগ্রেস কাউন্সিলার বাবলু সিং এবং চিত্র পরিচালক নিশপাল সিং রানে।
মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার পর সকাল সাড়ে এগারোটার দিকে তিনি সার্ভে ভবন থেকে বেরিয়ে গণমাধ্যমের কর্মীদের সঙ্গে কথা বলেন। তিনি জানান যে তার ধর্ম, কর্ম, বর্ণ এবং আন্দোলন সবকিছুই ভবানীপুরকে ঘিরে আবর্তিত হয়। ভবানীপুরের মানুষদের ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি তৃণমূল কংগ্রেস এবং জোড়া ফুল প্রার্থীদের ভোট দেওয়ার জন্য বাংলার মানুষকে আহ্বান জানান।
এরপর পায়ে হেঁটে বাড়িতে ফিরে তিনি নির্বাচনি প্রচারণায় অংশ নিতে হুগলির উদ্দেশ্যে রওনা হন। প্রসঙ্গত, ২০১১ সালে প্রথম পশ্চিমবঙ্গে ক্ষমতায় আসে তৃণমূল কংগ্রেস। সেবার ভবানীপুর আসন থেকে উপনির্বাচনে জয়ী হয়ে মুখ্যমন্ত্রী হন মমতা ব্যানার্জি এবং ২০১৬ সালেও একই কেন্দ্র থেকে তিনি জয়লাভ করেন। তবে ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে ভবানীপুরের বদলে তিনি নন্দীগ্রাম আসন থেকে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন।
এস এম/ ৮ এপ্রিল ২০২৬









