ইন্টার মায়ামিতে মেসির আয় বছরে ৭০ থেকে ৮০ মিলিয়ন ডলার, জানালেন জর্জ মাস

ওয়াশিংটন, ৯ মার্চ – লিওনেল মেসি মেজর লিগ সকারে যোগ দেওয়ার পর থেকেই তার বিপুল পরিমাণ বেতন ও আয় নিয়ে ক্রীড়াঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা চলছে। এবার সেই আয়ের বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করেছেন ইন্টার মায়ামির অন্যতম কর্ণধার জর্জ মাস।
সম্প্রতি দেওয়া একটি সাক্ষাৎকারে তিনি জানিয়েছেন, ইন্টার মায়ামির হয়ে খেলে মেসি বছরে প্রায় ৭০ থেকে ৮০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার আয় করে থাকেন। এই বিপুল অঙ্কের অর্থের মধ্যে কেবল ক্লাবের দেওয়া মূল বেতনই সীমাবদ্ধ নয়। এর সঙ্গে বোনাস, বিভিন্ন বাণিজ্যিক চুক্তি এবং স্পন্সরশিপ থেকে প্রাপ্ত লভ্যাংশও যুক্ত রয়েছে।
জর্জ মাস তার বক্তব্যে উল্লেখ করেন, বিশ্বমানের খেলোয়াড়দের পারিশ্রমিক অনেক বেশি হওয়ায় ক্লাবের জন্য বড় মাপের স্পন্সর থাকা অত্যন্ত জরুরি। তিনি আরও জানান, মেসিকে যে অর্থ প্রদান করা হয় তার প্রতিটি পয়সাই সম্পূর্ণ সার্থক। তবে আনুষঙ্গিক সব বিষয় মিলিয়ে বছরে প্রায় ৭০ থেকে ৮০ মিলিয়ন ডলার ব্যয় হয়।
অন্যদিকে মেসির মূল বেতন তুলনামূলকভাবে অনেকটাই কম। জানা গেছে, তার বার্ষিক বেসিক বা মূল বেতন প্রায় ১২ মিলিয়ন ডলারের কাছাকাছি। তবে এর সঙ্গে বিভিন্ন পারফরম্যান্স বোনাস ও চুক্তিভিত্তিক অন্যান্য সুবিধা যুক্ত করলে তার নিশ্চিত পারিশ্রমিক ২০ মিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যায়।
পাশাপাশি মেজর লিগ সকারের সঙ্গে সম্পৃক্ত বৃহৎ প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গেও মেসির বিশেষ চুক্তি রয়েছে। উদাহরণস্বরূপ, বিখ্যাত প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান অ্যাপল এবং ক্রীড়াসামগ্রী প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান অ্যাডিডাসের সঙ্গে রাজস্ব ভাগাভাগির চুক্তি তার মোট আয়ের একটি বড় অংশ পূরণ করে। উল্লেখ্য, ২০২৩ সালে ফরাসি ক্লাব প্যারিস সেন্ট জার্মেই ত্যাগ করে যুক্তরাষ্ট্রের ইন্টার মায়ামিতে নাম লেখান এই আর্জেন্টাইন মহাতারকা।
তার এই আগমনের পর থেকেই ইন্টার মায়ামির জনপ্রিয়তা, টিকিট বিক্রি এবং স্পন্সরশিপ থেকে আয় অভাবনীয় মাত্রায় বৃদ্ধি পেয়েছে। ফুটবল বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্রের ফুটবলে মেসির এই আগমন দেশটির ক্রীড়া খাতে এক বিশাল বাণিজ্যিক বিপ্লব ঘটিয়েছে।
এম ম/ ৯ মার্চ ২০২৬









