নতুন সরকারের সামনে অর্থনীতি পুনরুদ্ধার ও কর্মসংস্থান সৃষ্টির বড় চ্যালেঞ্জ

ঢাকা, ২২ ফেব্রুয়ারি – গত ১২ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভূমিধস জয়ের মাধ্যমে সরকার গঠন করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বা বিএনপি। তবে দায়িত্ব নেওয়ার পরপরই নতুন সরকারের সামনে প্রধান চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে দেশের স্থবির অর্থনীতি, উচ্চ মূল্যস্ফীতি এবং বেকারত্ব সমস্যা। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল বা আইএমএফ-এর তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের জুনে সমাপ্ত অর্থবছরে বাংলাদেশের অর্থনীতির প্রবৃদ্ধি ৩ দশমিক ৭ শতাংশ হয়েছে, যা আগের বছরের তুলনায় কম। চীনা সংবাদমাধ্যম সাউথ চায়না মর্নিং পোস্টের এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে।
কাউন্টারপয়েন্ট-এর সম্পাদক জাফর সোবহান এশিয়া সোসাইটি পলিসি ইনস্টিটিউট আয়োজিত এক ওয়েবিনারে বলেন, বর্তমান সরকারকে তরুণদের জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও আর্থিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে হবে। তিনি ঢাকার উচিত মুদ্রার স্থিতিশীলতা রক্ষা এবং খেলাপি ঋণের হার কমানোর দিকে নজর দেওয়া বলে মন্তব্য করেন। নবনিযুক্ত অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী খালিলুর রহমানের অভিজ্ঞতা এই সংকট মোকাবিলায় সহায়ক হতে পারে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন।
এদিকে নভেম্বরে বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে বেরিয়ে উন্নয়নশীল দেশে উন্নীত হবে, যা বাণিজ্যিক সুবিধা হ্রাসের কারণে রপ্তানি আয়ে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। অক্সফোর্ড ইকোনমিক্সের মতে, এরপর বাংলাদেশকে ভিয়েতনাম ও ভারতের সঙ্গে তীব্র প্রতিযোগিতায় নামতে হবে। পররাষ্ট্রনীতির ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নে উদ্যোগী হবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞ শ্রীরাধা দত্তের মতে, দুই দেশের মধ্যে সাম্প্রতিক টানাপোড়েন থাকলেও সহযোগিতার সুযোগ রয়েছে এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার স্বার্থে একযোগে কাজ করা প্রয়োজন।
এস এম/ ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬









