গোপালগঞ্জ

গোপালগঞ্জে নির্বাচনে ১৯ প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত, তিনটি আসনেই বিএনপির জয়

গোপালগঞ্জ, ১৫ ফেব্রুয়ারি – ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে গোপালগঞ্জের তিনটি সংসদীয় আসনে মোট ৩০ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। তবে নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী এসব প্রার্থীদের মধ্যে ১৯ জন প্রার্থী নির্বাচনী বিধি অনুযায়ী জামানত হারিয়েছেন। নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা অনুসারে জামানত রক্ষা করার জন্য প্রার্থীকে মোট ভোটের এক অষ্টমাংশ ভোট পেতে হয় কিন্তু ১৯ জন প্রার্থী তা অর্জন করতে পারেননি।

ফলে তারা তাদের জামানত হারিয়েছেন। এদিকে ৩টি আসনে বিএনপির তিন প্রার্থী জয়ী হয়েছেন। এছাড়া দলীয় হিসেবে জামায়াতের একজন প্রার্থী এবং জামায়াত এনসিপি সমর্থিত বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের দুই প্রার্থী এবং গণঅধিকার পরিষদের একজন প্রার্থী জামানত রক্ষা করতে সক্ষম হয়েছেন। এর পাশাপাশি বিএনপির এক বিদ্রোহী প্রার্থী ও এক স্বতন্ত্র প্রার্থীও জামানত রক্ষা করেছেন। আসনভিত্তিক ফলাফলে দেখা যায় গোপালগঞ্জ ১ আসনে মোট ভোট পড়েছিল ১ লাখ ৯৮ হাজার ৪৪৭টি যার মধ্যে বৈধ ভোট ছিল ১ লাখ ৯১ হাজার ৯৭৯টি।

এখানে সবচেয়ে কম ভোট পেয়েছেন বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির প্রার্থী নিরদ বরণ মজুমদার যিনি পেয়েছেন মাত্র ৩৪৯ ভোট। এছাড়া এই আসনে জাতীয় পার্টির সুলতান জামান খান ৬২১ ভোট এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. কাইউম আলী খান ২ হাজার ১৮০ ভোট পেয়েছেন। গোপালগঞ্জ ২ আসনে সর্বনিম্ন ভোট পেয়েছেন গণফোরামের শাহ মফিজ যিনি মাত্র ২১৫ ভোট পেয়েছেন। তার পরেই আছেন গণঅধিকার পরিষদের দীন মোহাম্মদ যিনি ৩০৫ ভোট পেয়েছেন। গোপালগঞ্জ ৩ আসনে গণফোরামের দুলাল চন্দ্র বিশ্বাস ২৬৯ ভোট পেয়ে সর্বনিম্ন ভোট পেয়েছেন।

এই নির্বাচনে জামানত হারানোর ঘটনা গোপালগঞ্জের রাজনৈতিক পরিবেশে নতুন আলোচনার সৃষ্টি করেছে এবং বিশেষ করে জামানত রক্ষা করা প্রার্থীদের মধ্যে বিএনপির প্রার্থীদের বিজয় রাজনৈতিক দলের মধ্যে বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। জামায়াতের প্রার্থীরা এবং অন্যান্য ছোট দলগুলোর প্রার্থীদের কিছু সাফল্য রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। এ নির্বাচনে জামানত হারানোর ঘটনা রাজনীতিকদের মধ্যে গভীর আলোচনা তৈরি করেছে এবং এটি ভবিষ্যতে আসন্ন নির্বাচনে রাজনৈতিক কৌশল ও ভোটারদের আচরণের উপর গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলবে বলে বিশেষজ্ঞরা ধারণা করছেন।

এ এম/ ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬


Back to top button
🌐 Read in Your Language