জাতীয় পার্টিকে নির্বাচন থেকে বাদ দেওয়ার রিটের শুনানি ১১ জানুয়ারি পর্যন্ত মুলতবি

ঢাকা, ০৮ জানুয়ারি – আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জাতীয় পার্টি (জিএম কাদের), জাতীয় পার্টির (একাংশ) আনিসুল ইসলাম মাহমুদ এবং জেপি নেতা আনোয়ার হোসেন মঞ্জুর নেতৃত্বাধীন জাতীয় গণতান্ত্রিক ফ্রন্ট (এনডিএফ)-এর প্রার্থীদের অংশগ্রহণ থেকে বিরত রাখতে নির্দেশনা চেয়ে দায়ের করা রিটের শুনানি মুলতবি করেছেন হাইকোর্ট। পরবর্তী শুনানির জন্য আগামী ১১ জানুয়ারি দিন ধার্য করা হয়েছে।
বুধবার (৭ জানুয়ারি) বিচারপতি রাজিক-আল-জলিল ও বিচারপতি আনোয়ারুল ইসলামের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ শুনানি শেষে এ আদেশ দেন। রিটের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী এ এস এম শাহরিয়ার কবির।
ভোলার বাসিন্দা ও জুলাই অভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারী আবদুল্লাহ আল মাহমুদ গত রোববার (৪ জানুয়ারি) এ রিট দায়ের করেন। রিটে আইন সচিব, স্বরাষ্ট্র সচিব, মন্ত্রিপরিষদ সচিব, প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও নির্বাচন কমিশন সচিবকে বিবাদী করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জাতীয় পার্টির (জিএম কাদের) অংশ ২৪৩ আসনে প্রার্থী ঘোষণা করেছে। গত ২৬ ডিসেম্বর গুলশানে এক অনুষ্ঠানে দলটির মহাসচিব শামীম হায়দার পাটোয়ারী চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করেন। অন্যদিকে, জাতীয় পার্টি (আনিসুল ইসলাম) ও জেপির নেতৃত্বে গঠিত জাতীয় গণতান্ত্রিক ফ্রন্ট ১১৯ আসনে ১৩১ জন প্রার্থী দিয়েছে, যা গত ২৩ ডিসেম্বর ঘোষণা করা হয়।
রিটকারীর আইনজীবী এ এস এম শাহরিয়ার কবির আদালতে বলেন, আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন ১৪ দলীয় মহাজোট জাতিসংঘের প্রতিবেদন অনুযায়ী মানবাধিকার লঙ্ঘনের সঙ্গে সম্পৃক্ত। ওই জোটে জাতীয় পার্টিসহ কয়েকটি দল অন্তর্ভুক্ত ছিল। সংবিধানের ৬৬(২)(ঙ) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী এসব দলের নেতারা নির্বাচনের অযোগ্য হতে পারেন বলেও তিনি দাবি করেন।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, গত বছরের ১২ মে আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ, সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় প্রজ্ঞাপন জারি করেছিল। তার মতে, জাতীয় পার্টি ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠন হওয়ায় নির্বাচন কমিশনের উচিত তাদের প্রার্থীদের নির্বাচনে অংশগ্রহণের বৈধতা পুনর্বিবেচনা করা।
এনএন/ ০৮ জানুয়ারি ২০২৬









