জাতীয়

নির্বাচন ও গণভোট ঘিরে আগে-পরে ৭ দিন মাঠে থাকবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী

ঢাকা, ০৭ জানুয়ারি – আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে কেন্দ্র করে ভোটের আগে ও পরে মোট সাত দিন মাঠে থাকবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। এ সময়ে পুলিশ, আনসার ও ভিডিপির পাশাপাশি সশস্ত্র বাহিনী, বিজিবি, কোস্টগার্ড ও র‍্যাব দায়িত্ব পালন করবে।

মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জারি করা এক পরিপত্রে এ তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়েছে, নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে ‘ইন এইড টু দ্য সিভিল পাওয়ার’-এর আওতায় সশস্ত্র বাহিনী মোতায়েন করে বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তা দেওয়া হবে।

পরিপত্র অনুযায়ী, দুই ধাপে নিরাপত্তা ব্যবস্থা কার্যকর থাকবে। প্রথম ধাপে বর্তমানে মোতায়েন থাকা বাহিনী দায়িত্ব পালন অব্যাহত রাখবে। দ্বিতীয় ধাপে ভোটকেন্দ্রিক নিরাপত্তার জন্য ৮ থেকে ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত মোট সাত দিন অতিরিক্ত বাহিনী মাঠে থাকবে।

নির্বাচনী এলাকায় সশস্ত্র বাহিনী, বিজিবি, কোস্টগার্ড, র‍্যাব, পুলিশ, এপিবিএন ও আনসার ব্যাটালিয়ন মোবাইল ও স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে কাজ করবে। জেলা, উপজেলা ও থানা পর্যায়ে দায়িত্ব পালন করবে বিজিবি, র‍্যাব, এপিবিএন ও আনসার ব্যাটালিয়ন। উপকূলীয় এলাকায় দায়িত্ব থাকবে কোস্টগার্ডের। সব বাহিনী রিটার্নিং কর্মকর্তার নির্দেশনা অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করবে।

নিরাপত্তা তদারকিতে একটি কেন্দ্রীয় ‘আইনশৃঙ্খলা সমন্বয় সেল’ গঠন করা হবে, যেখানে প্রতিটি বাহিনীর একজন করে প্রতিনিধি থাকবেন। পাশাপাশি জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ একটি বিশেষ টিম গঠন করা হবে, যা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও স্থানীয় সমন্বয় সেলের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখবে।

এ ছাড়া নিরাপত্তা ঝুঁকি বিবেচনায় প্রয়োজনে ভোটকেন্দ্রগুলোতে অতিরিক্ত ফোর্স মোতায়েন করা হবে। নির্বাচন সুষ্ঠু করতে যৌথ বাহিনীর মাধ্যমে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার, সন্ত্রাসী গ্রেপ্তার এবং চেকপয়েন্ট বসিয়ে তল্লাশি অভিযান পরিচালনার নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে।

এনএন/ ০৭ জানুয়ারি ২০২৬


Back to top button
🌐 Read in Your Language