হোয়াইট হাউসে ডিভোর্সের জন্য দিন গুনছিলেন মেলানিয়া

ওয়াশিংটন, ২৪ জানুয়ারি- ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে সম্পর্ক অনেক দিন ধরেই ভালো যাচ্ছিল না মেলানিয়া ট্রাম্পের। এই টানাপোড়েনের প্রভাব পড়েছিল হোয়াইট হাউসেও। অনেকটা নিঃসঙ্গ হয়ে পড়েছিলেন মেলানিয়া। ট্রাম্পের প্রেসিডেন্টের মেয়াদ শেষ হওয়ার জন্য অপেক্ষা করছিলেন তিনি; প্রতি মুহূর্তেই যেন দিন গুনছিলেন বিচ্ছেদের জন্য। ট্রাম্প-মেলানিয়া একই বাসভবনে থাকলেও থাকতেন পৃথক পৃথক কক্ষে।
ট্রাম্প দম্পতির ঘনিষ্ঠ সূত্রের বরাত দিয়ে এসব তথ্য দিয়েছে মিরর অনলাইন। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প আর ফার্স্ট লেডি মেলানিয়ার হোয়াইট হাউসে থাকার শেষ সময়ের দিকের কিছু ঘটনার কথাও জানিয়েছে তারা।
হোয়াইট হাউসের সাবেক এক কর্মী বলেন, ট্রাম্পের মেয়াদ শেষ হওয়ার জন্য অপেক্ষা করছিলেন মেলানিয়া। ট্রাম্পকে ডিভোর্স দিয়ে একটা মুক্ত জীবন যাপনের জন্য প্রতিটা মিনিট গুনছিলেন তিনি।
একটি সূত্র জানিয়েছে, সম্পর্কের তিক্ততা এমন পর্যায়ে পৌঁছেছিল যে, এক কক্ষে থাকতেন না ট্রাম্প-মেলানিয়া। প্রেসিডেন্ট আর তার সন্তানদের জন্য নির্ধারিত কক্ষে থাকতেন মেলানিয়া। আগের প্রেসিডেন্টরা যেটাকে অধ্যায়ন কক্ষ হিসেবে ব্যবহার করতেন; সেখানেই নিজের জন্য কক্ষ বানিয়ে থাকতেন ট্রাম্প।
আরও পড়ুন : আবারও ভাইরাল মেলানিয়া ট্রাম্পের ভিডিও
মেলানিয়ার ঘনিষ্ঠ বন্ধু এবং ‘মেলানিয়া ও আমি’ বইয়ের লেখক স্টিফ্যানি উইনস্টোন ওকফ বলেছেন, আলাদা আলাদা কক্ষে বাস করতেন এই দম্পতি। তাদের আসলে ‘নামমাত্র’ বিয়ের সম্পর্ক ছিল। ৫০ বছর বয়সী মেলানিয়া ও ৭৪ বছরের ট্রাম্পের দিনের রুটিনও ভিন্ন ভিন্ন বলে জানান তিনি।
গত ৩ নভেম্বরের নির্বাচনে হেরে ২০ জানুয়ারি হোয়াইট হাউস ছাড়েন ডোনাল্ড ট্রাম্প। শেষ বারের মতো হোয়াইট হাউস ছাড়ার সময় অবশ্য ট্রাম্পকে স্ত্রী মেলানিয়ার হাত ধরেই বের হতে দেখা গেছে। তারা এখন একটি রিসোর্টে দিন কাটাচ্ছেন। এই দম্পতির ব্যক্তিগত সম্পর্ক এখন কোন পর্যায়ে আছে তা নিয়ে অবশ্য তেমন কোনও সংবাদ এখনও পর্যন্ত মেলেনি।
সূত্র: সমকাল
আর/০৮:১৪/২৪ জানুয়ারি









