নয়াদিল্লিতে আবারও বেড়েছে বায়ুদূষণ
নয়াদিল্লি, ০৪ ডিসেম্বর – ভারতের নয়াদিল্লিতে আবারও বেড়েছে বায়ুদূষণ। পরিবেশের এমন বিপর্যয়ে শঙ্কিত স্থানীয়রা। দূষণের প্রভাব থেকে বাঁচতে সূর্যোদয় ও সূর্যাস্তের সময় বাসিন্দাদের ঘরের বাইরে বের না হওয়ার নির্দেশ দিয়েছে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ। দূষণের মাত্রা কমাতে এরই মধ্যে নানা ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে তারা। খবর টাইমস অব ইন্ডিয়ার।
ভারতের দিল্লির বায়ুদূষণ পরিস্থিতি দিন দিন অবনতির দিকে যাচ্ছে। বায়ুদূষণের প্রভাবে ধোঁয়াই আচ্ছন্ন থাকছে দিল্লির বেশিরভাগ এলাকা। দূষণের মাত্রা এতটাই তীব্র যে, দিনের বেলাতেও গাড়িগুলোকে চলতে হচ্ছে হেডলাইট জ্বালিয়ে। দিল্লির বাতাসের গুণমান বা এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্স স্বাভাবিকের চেয়ে কয়েকগুণ বেড়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্টরা।
ভারতে বায়ুদূষণের কারণে হৃদ্রোগে আক্রান্তের ঝুঁকি বাড়ছে বলে জানিয়েছেন গবেষকরা। এছাড়া শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যায় যারা ভুগছেন তারাই বেশি ঝুঁকিতে রয়েছেন বলেও উল্লেখ করা হয়।
এদিকে শীতের কুয়াশা ছাড়াও যানবাহন ও কলকারাখানার কালো ধোঁয়া, শস্য পোড়ানোর কারণে দিল্লি ও এর আশপাশের এলাকায় ক্রমেই বাড়ছে বায়ুদূষণ। তবে, শীতের আগমনে তাপমাত্রা ক্রমাগত কমতে থাকায়, বায়ুদূষণ সহসাই কমার কোনো সম্ভাবনা নেই বলে জানিয়েছে দেশটির আবহাওয়া বিভাগ।
নয়াদিল্লির একজন বাসিন্দা বলেন, যারা হাঁটতে বা দৌড়াতে বের হন; দূষণের কারণে তাদের শ্বাস নিতে অনেক সমস্যা হয়। নিশ্বাস নিলে মনে হয় আমি সিগারেটের ধোঁয়া নিচ্ছি। এমন পরিবেশে সবচেয়ে বেশি অসুবিধায় পড়ছেন বয়স্ক ও শিশুরা। আরেকজন বলেন, আমাদের গ্রামে আকাশ পরিষ্কারভাবে দেখা যায়। কিন্তু এখানে কিছুই ঠিকমতো দেখা যায় না।
এদিকে বায়ুদূষণের সবচেয়ে বেশি প্রভাব থাকে সূর্যাস্ত এবং সূর্যোদয়ের সময়। স্বাস্থ্য সুরক্ষার কথা বিবেচনা করে এ সময় বাসিন্দাদের বাইরে বের না হওয়ার পরামর্শ দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। পাশাপাশি দূষণের মাত্রা কমাতে যানবাহনের জ্বালানি হিসেবে পরিষ্কার তেল ব্যবহার, রাস্তায় পানি ছিটানো, ঠান্ডা আবহাওয়ায় বর্জ্য পদার্থ পোড়ানোর মতো নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।
সূত্র: সময় টিভি
আইএ/ ০৪ ডিসেম্বর ২০২২









