দক্ষিণ এশিয়া

হিজাব মামলায় ভিন্নমত সুপ্রিম কোর্টের দুই বিচারপতির, মামলা যাচ্ছে বৃহত্তর বেঞ্চে

নয়াদিল্লী, ১৩ অক্টোবর – কর্ণাটকে হিজাবকাণ্ডের রায় নিয়ে ভিন্ন মত জানিয়েছেন ভারতীয় সুপ্রিম কোর্টের দুই বিচারপতি। এ কারণে বিতর্কের অবসান করতে মামলাটি তিন সদস্যের বৃহত্তর বেঞ্চে পাঠাতে ভারতের প্রধান বিচারপতির কাছে অনুরোধ জানিয়েছেন তারা। খবর টাইমস অব ইন্ডিয়ার।

বৃহস্পতিবার (১২ অক্টোবর) স্থানীয় সময় সকাল সাড়ে ১০টার দিকে (বাংলাদেশ সময় বেলা ১১টা) ভারতের সর্বোচ্চ আদালতে আলোচিত এ মামলার রায় ঘোষণা হওয়ার কথা ছিল।

গত ২২ সেপ্টেম্বর ১০ম দিনের মতো যুক্তিতর্কের শুনানি শেষে রায় ঘোষণা স্থগিত করেন বিচারপতি হেমন্ত গুপ্তা এবং সুধাংশু ধুলিয়ার বেঞ্চ। বেঞ্চের নেতৃত্বে থাকা বিচারপতি গুপ্তা আগামী রোববার (১৬ অক্টোবর) অবসরে যাচ্ছেন। এ কারণে এ সপ্তাহেই মামলাটির রায় ঘোষণা হবে বলে আশা করা হচ্ছিল। কিন্তু বিচারপতিদের মতপার্থক্যের কারণে সেটি আবারও পিছিয়ে গেলো।

এদিন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে হিজাব নিষিদ্ধ করার বিষয়ে কর্ণাটক সরকারের আদেশ বহাল রাখার পক্ষে অবস্থান নেন বিচারপতি গুপ্তা। তিনি আবেদনকারীদের আপিল খারিজ করে দেন।

কিন্তু বিচারপতি ধুলিয়া বলেছেন, তার কাছে মুসলিম মেয়ে শিশুদের শিক্ষাই বেশি গুরুত্বপূর্ণ। এ কারণে বিচারপতি গুপ্তার সঙ্গে মতপার্থক্য তৈরি হয়েছে।

এর আগে, সর্বোচ্চ আদালতে যুক্তিতর্ক চলাকালে আবেদনকারীদের পক্ষে উপস্থিত আইনজীবীরা জোর দিয়ে বলেছিলেন, মুসলিম ছাত্রীদের হিজাব পরতে বাধা দেওয়া তাদের শিক্ষাজীবনকে বিপণ্ন করবে। এমন সিদ্ধান্তের কারণে তারা ক্লাসে যাওয়া বন্ধ করে দিতে পারে।

কর্ণাটকে হিজাবকাণ্ডের রায় নিয়ে ভিন্ন মত জানিয়েছেন ভারতীয় সুপ্রিম কোর্টের দুই বিচারপতি। এ কারণে বিতর্কের অবসান করতে মামলাটি তিন সদস্যের বৃহত্তর বেঞ্চে পাঠাতে ভারতের প্রধান বিচারপতির কাছে অনুরোধ জানিয়েছেন তারা। খবর টাইমস অব ইন্ডিয়ার।

বৃহস্পতিবার (১২ অক্টোবর) স্থানীয় সময় সকাল সাড়ে ১০টার দিকে (বাংলাদেশ সময় বেলা ১১টা) ভারতের সর্বোচ্চ আদালতে আলোচিত এ মামলার রায় ঘোষণা হওয়ার কথা ছিল।

গত ২২ সেপ্টেম্বর ১০ম দিনের মতো যুক্তিতর্কের শুনানি শেষে রায় ঘোষণা স্থগিত করেন বিচারপতি হেমন্ত গুপ্তা এবং সুধাংশু ধুলিয়ার বেঞ্চ। বেঞ্চের নেতৃত্বে থাকা বিচারপতি গুপ্তা আগামী রোববার (১৬ অক্টোবর) অবসরে যাচ্ছেন। এ কারণে এ সপ্তাহেই মামলাটির রায় ঘোষণা হবে বলে আশা করা হচ্ছিল। কিন্তু বিচারপতিদের মতপার্থক্যের কারণে সেটি আবারও পিছিয়ে গেলো।

এদিন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে হিজাব নিষিদ্ধ করার বিষয়ে কর্ণাটক সরকারের আদেশ বহাল রাখার পক্ষে অবস্থান নেন বিচারপতি গুপ্তা। তিনি আবেদনকারীদের আপিল খারিজ করে দেন।

কিন্তু বিচারপতি ধুলিয়া বলেছেন, তার কাছে মুসলিম মেয়ে শিশুদের শিক্ষাই বেশি গুরুত্বপূর্ণ। এ কারণে বিচারপতি গুপ্তার সঙ্গে মতপার্থক্য তৈরি হয়েছে।

এর আগে, সর্বোচ্চ আদালতে যুক্তিতর্ক চলাকালে আবেদনকারীদের পক্ষে উপস্থিত আইনজীবীরা জোর দিয়ে বলেছিলেন, মুসলিম ছাত্রীদের হিজাব পরতে বাধা দেওয়া তাদের শিক্ষাজীবনকে বিপণ্ন করবে। এমন সিদ্ধান্তের কারণে তারা ক্লাসে যাওয়া বন্ধ করে দিতে পারে।

রাজ্য সরকারের এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে উদুপির কয়েকজন ছাত্রী কর্ণাটক হাইকোর্টে রিট করেন। তারা আদালতে দাবি করেন, হিজাব পরা তাদের মৌলিক অধিকারের মধ্যে পড়ে। কোনোভাবেই তা বাতিল করা যাবে না।

তবে ১০ ফেব্রুয়ারি কর্ণাটক হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি রিতুরাজ অবস্তি, বিচারপতি কেএস দীক্ষিত এবং বিচারপতি জেএম খাজি অন্তর্বর্তী রায়ে বলেন, যতদিন না রায় ঘোষণা হচ্ছে, কর্ণাটকে স্কুল-কলেজ খুলতে পারে। কিন্তু কোনো শিক্ষার্থী ধর্মীয় প্রতীকসম্বলিত কোনো পোশাক পরে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যেতে পারবে না।

এই মামলায় শুরু থেকে কর্ণাটক সরকার বলে এসেছে, হিজাব পরা ইসলামের বাধ্যতামূলক অনুশীলনের মধ্যে পড়ে না। গত ১৫ মার্চ কর্ণাটক হাইকোর্টও রাজ্য সরকারের পক্ষেই রায় দেন। সেদিন হাইকোর্টের তিন বিচারপতি বলেন, ইসলাম ধর্মে হিজাব পরা বাধ্যতামূলক নয়। এ কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এটি পরা নিষিদ্ধ করার অধিকার রয়েছে স্থানীয় সরকারের।

পরে এ রায়ের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে আবেদন করেন ভুক্তভোগীরা।

সূত্র: জাগোনিউজ
আইএ/ ১৩ অক্টোবর ২০২২


Back to top button
🌐 Read in Your Language