উত্তর আমেরিকা

হোয়াইট হাউসের চিফ অব স্টাফের নাম ঘোষণা বাইডেনের

ওয়াশিংটন, ১২ নভেম্বর- মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে জেতার কয়েক দিনের মধ্যে হোয়াইট হাউসের চিফ অব স্টাফের নাম ঘোষণা করলেন জো বাইডেন। তার দীর্ঘদিনের সহকর্মী রন ক্লেইন এই পদ পাবেন।

এদিকে হোয়াইট হাউস না ছাড়ার ব্যাপারে এখনো অনড় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এত কিছুর পরেও তার সহযোগীরা বলছেন, ট্রাম্পই প্রেসিডেন্ট থেকে যাবেন।

কিন্তু নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট বাইডেন তার কাজ শুরু করে দিয়েছেন। তিনি করোনা টাস্কফোর্স গঠন করে ফেলেছেন। এবার হোয়াইট হাউসের চিফ অব স্টাফের নামও জানিয়ে দিলেন।

ডয়চে ভেলে জানায়, ১৯৮০ সাল থেকে বাইডেনের সঙ্গে আছেন ক্লেইন। প্রথমে সিনেটের বিচারবিভাগীয় কমিটিতে, তারপর ভাইস প্রেসিডেন্টের চিফ অব স্টাফ হিসেবে। বারাক ওবামা যখন মার্কিন প্রেসিডেন্ট, তখনও তিনি হোয়াইট হাউসে উচ্চ পদে ছিলেন। আল গোর যখন ভাইস প্রেসিডেন্ট তখন তিনি ভাইস প্রেসিডেন্টের চিফ অব স্টাফ ছিলেন।

হোয়াইট হাউসে চিফ অব স্টাফের গুরুত্ব অপরিসীম। তিনি প্রেসিডেন্টের প্রতিদিনের কর্মসূচি ঠিক করেন। তাকে বলা হয় গেটকিপার। প্রেসিডেন্টের কাছে পৌঁছাতে গেলে আগে তার অনুমোদন লাগে। তার নিয়োগ প্রায়শই রাজনৈতিকভাবে হয় এবং এর জন্য সিনেটের অনুমোদন লাগে না।

ক্লেইনের বিপুল প্রশংসা করে বাইডেন বলেন, ‘ক্লেইনের অভিজ্ঞতা অপরিসীম। তিনি বিভিন্ন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের সঙ্গে কাজ করেছেন। হোয়াইট হাউসের চিফ অব স্টাফ হতে গেলে এটাই দরকার। আমরা একটা সংকট সময়ের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছি। আমাদের দেশকে ঐক্যবদ্ধ করা আপাতত সব চেয়ে বড় কাজ।’

ক্লেইন জানিয়েছেন, ‘নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট আমার ওপর আস্থা রেখেছেন জেনে গর্বিত। হোয়াইট হাউসে তাকে সাহায্য করার জন্য মুখিয়ে আছি। নতুন প্রেসিডেন্ট ও ভাইস প্রেসিডেন্টের একটা উচ্চাকাঙ্ক্ষী পরিকল্পনা আছে। তারা পরিবর্তন আনতে চান। ক্ষত সারিয়ে দেশকে আবার ঐক্যবদ্ধ করতে চান।’

২০০০ সালের মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচন নিয়ে একটি সিনেমা হয়েছিল। তার নাম ছিল ‘রিকাউন্ট’। সেখানেও তৎকালীন ভাইস প্রেসিডেন্টের চিফ অব স্টাফ ক্লেইনের ভূমিকা ছিল। সেখানে অবশ্য কেভিন স্পেসি তার ভূমিকায় অভিনয় করছিলেন।

সূত্র: দেশ রুপান্তর

আর/০৮:১৪/১২ নভেম্বর


Back to top button
🌐 Read in Your Language