৪০০ ডলারে ‘ব্রিগেডিয়ার জেনারেল’ পদ কেনেন নারী চিকিৎসক ঈশিতা

ঢাকা, ০১ আগস্ট – রাজধানীর মিরপুর থেকে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক এবং দেশি ও বিদেশী সংস্থার ভুয়া প্রতিনিধি পরিচয়ে প্রতারণার অভিযোগে কথিত তরুণ চিকিৎসক বিজ্ঞানী ও গবেষক ওরফে বিশিষ্ট আলোচক ওরফে ডিপ্লোম্যাট ওরফে বিগ্রেডিয়ার জেনারেল ওরফে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ইশরাত রফিক ঈশিতা (আইপিসি) ও সহযোগী মো. শহিদুল ইসলাম দিদারকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-৪ ।
র্যাব বলছে, ইশরাত রফিক ঈশিতা প্রতারণার কৌশল হিসেবে নিরাপত্তা বাহিনীর র্যাংক ব্যাচ ও পদ অর্জনের চেষ্টা চালান। সে ফিলিপাইনে পরিচালিত একটি ওয়েবসাইট (আইপিএই.ফিল.কম) থেকে ৪০০ ডলারের বিনিময়ে সামরিক বাহিনীর ন্যায় ‘বিগ্রেডিয়ার জেনারেল’ পদটি বাগিয়ে নেন।
এসময় তার কাছ থেকে ভুয়া আইডি কার্ড, ভিজিটিং কার্ড, ভুয়া সীল, সার্টিফিকেট, প্রত্যয়নপত্র, পাসপোর্ট, ল্যাপটপ, ৩০০ পিছ ইয়াবা, ৫ বোতল বিদেশি মদ এবং মোবাইল উদ্বার করা হয়।
রোববার বিকেল সাড়ে ৪টায় কারওয়ান বাজার র্যাব মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান র্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন।
কমান্ডার খন্দকার আল মঈন বলেন, ঈশিতা ইন্টারন্যাশনাল পুলিশ অর্গানাইজেশন, কাউন্টার ক্রাইম ইন্টেলিজেন্স অর্গানাইজেশন ইত্যাদি সদস্য পদের ভুয়া সনদ তৈরি করে প্রচারণা চালিয়ে থাকেন।
তিনি আরো বলেন, গ্রেপ্তার ইশরাত রফিক ঈশিতা করোনা মহামারিকে পুঁজি করে ভার্চুয়াল জগতে প্রতারণায় সক্রিয় ছিলেন। এ সংক্রান্ত বিষয়ে আলোচক ও প্রশিক্ষকের ভূমিকায় অবতীর্ণ হন। তিনি অনলাইনে করোনা প্রশিক্ষণ কোর্সের আয়োজন ও সার্টিফিক প্রদান করে প্রচার-প্রচারণা করেছেন। সে বিভিন্ন বিদেশিদের ভুয়া সার্টিফিকেট প্রচারণা করে অন্যান্যদের অর্থের বিনিময়ে সার্টিফিকেট নিতে আকৃষ্ট করতেন।
তিনি আরো জানান, গ্রেপ্তাররা যোগসাজশে আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংস্থার ভুয়া সদস্য, কর্ণধার বা দূত হিসেবে দেশে/বিদেশে প্রতারণা ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে অপরাধ কার্যক্রমের সাথে যুক্ত রয়েছে। তাদের আরো বেশ কয়েকজন সহযোগী সম্পর্কে তথ্য পাওয়া গেছে। এসব বিষয়ে অনুসন্ধান অব্যাহত রয়েছে। গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন বলেও জানান র্যাবের এই কর্মকর্তা।
সূত্র: বাংলাদেশ জার্নাল
এম ইউ/০১ আগস্ট ২০২১









