অস্ট্রেলিয়া

অভিবাসী দমনের জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে ক্ষমা চাইলেন নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

ওয়েলিংটন, ০১ আগস্ট – প্যাসিফিক দ্বীপবাসীদের বিরুদ্ধে ১৯৭০ এর দশকে অভিবাসন দমন অভিযানের জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে ক্ষমা চেয়েছেন নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী জেসিন্ডা আর্ডার্ন। অকল্যান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার, প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপের গণ্যমান্য ব্যক্তি এবং সরকারি কর্মকর্তাদের সমাবেশে বক্তব্যকালে তিনি ক্ষমা প্রার্থনা করেন।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ডন রেইড তাদের লক্ষ্য করেছিল যাদের ভিসার মেয়াদ শেষ হয়ে গিয়েছিল। তাদের মূল দেশে নির্বাসন দেওয়া হয়। বেশিরভাগ ভিসা অতিথিরা যুক্তরাজ্য, অস্ট্রেলিয়া এবং দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে আসা সত্ত্বেও তারা প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপপুঞ্জকে অসমভাবে প্রভাবিত করেছে।

জেসিন্ডা আর্ডার্ন এখন একটি আনুষ্ঠানিক ও অনির্ধারিত ক্ষম জারি করেছেন। বলেন, নিউজিল্যান্ডের প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপপুঞ্জের সম্প্রদায়গুলো এখনো ভোগে এবং দাগ বহন করে চলেছে। তিনি আশা করছেন যে, ক্ষমা কিছুটা হলেও এতে প্রলেপ দেবে।

টঙ্গার রাজকুমারী মেল সুইলিকুতাপু নিউজিল্যান্ড সরকারের তার জনগণের সঙ্গে অমানবিক এবং অন্যায় আচরণ মোকাবিলার প্রচেষ্টাকে স্বাগত জানিয়েছেন। তিনি ক্ষমা প্রার্থনাকে সম্প্রদায়ের জন্য একটি নতুন ভোর হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

১৯৭০ এর দশকের শুরুর দিকে ডন রেইডস দেখেছে যে, সরকারি বাহিনী ভিসা অতিবাহিত থাকা লোকদের বাড়ি এবং কর্মস্থলে ভোরবেলা অভিযান শুরু করেছে।

নিউজিল্যান্ড দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শেষ হওয়ার পর প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপপুঞ্জ থেকে হাজার হাজার অভিবাসীদের স্বাগত জানিয়েছিল। মূলত উন্নতিশীল অর্থনীতির জন্য শ্রমিকের প্রয়োজন থেকেই তাদের স্বাগত জানানো। ১৯৭৬ সালের দিকে দেশটির সরকার জানিয়েছিল, সেখানে ৫০ হাজারের অধিক প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপবাসী আছে।

কিন্তু ১৯৭০ এর দশকের গোড়ার দিকে অর্থনৈতিক সংকটের কারণে বেকারত্ব বৃদ্ধি পায়। তখন কিছু রাজনীতিবিদ এবং সংবাদমাধ্যম অভিবাসীদের ওপর আক্রমণ শুরু করে।

সূত্র : ইত্তেফাক
এন এইচ, ০১ আগস্ট


Back to top button
🌐 Read in Your Language