চট্টগ্রাম

চট্টগ্রামে বিধিনিষেধ অমান্য করায় ২১৫ মামলা

চট্টগ্রাম, ২৬ জুলাই – সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে দোকানপাট-শপিংমল খোলা রাখা, অপ্রয়োজনে রাস্তায় ঘুরাঘুরি করাসহ বিভিন্ন অপরাধে ২১৫ মামলায় ৬৩ হাজার ৭০০ টাকা জরিমানা আদায় করেছে চট্টগ্রামে ভ্রাম্যমাণ আদালত।

রোববার চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন, বিআরটিএ ও চসিকের ২১ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নগরীর বিভিন্ন স্থানে অভিযান পরিচালনা করে এই অর্থদণ্ড দেন। জরিমানার পাশাপাশি অভিযানকালে সাধারণ মানুষকে স্বাস্থ্যবিধি প্রতিপালনে সচেতন করা হয়।

নগরীর বন্দর, পতেঙ্গা ও ইপিজেড- এই তিন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট রেজওয়ানা আফরিন ২৪টি মামলায় মোট ৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড আদায় করেন। চকবাজার, বাকলিয়া ও কর্ণফুলী এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট উমর ফারুক ৮টি মামলায় ২৩০০ টাকা জরিমানা আদায় করেন। পাশাপাশি আকবরশাহ, বায়েজিদ, হালিশহর ও পাহাড়তলী এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট সুরাইয়া ইয়াসমিন ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট নূরজাহান আক্তার সাথী ২৪টি মামলায় মোট ৬৮৫০ টাকা অর্থদণ্ড আদায় করেন।

এদিকে, খুলশী, চান্দগাঁও ও পাঁচলাইশ এলাকায় অভিযান পরিচালনা করেন এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট হুছাইন মুহাম্মদ ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট আব্দুল্লাহ আল মামুন ২২টি মামলায় ১১ হাজার ১০০ টাকা জরিমানা আদায় করেন। এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট শাহিদা ফাতেমা চৌধুরী ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট খিন ওয়ানু চকবাজার, বাকলিয়া ও কর্ণফুলী এলাকায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে ১৪ টি মামলায় ৪১০০ টাকা এবং চান্দগাঁও, পাঁচলাইশ ও খুলশী এলাকায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. রাজিব হোসেন ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট প্লাবন কুমার বিশ্বাস ১০টি মামলায় ৩৮০০ টাকা অর্থদণ্ড আদায় করেন।

অন্যদিকে, নতুনব্রিজ, মইজ্জারটেক এলাকায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে বিআরটিএ’র এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট শান্তনু কুমার দাস ৮টি মামলায় ৩৪০ টাকা অর্থদণ্ড আদায় করেন। বাকলিয়া, চকবাজার, চান্দগাঁও, পাঁচলাইশ, হালিশহর, পাহাড়তলী, লালখান বাজার এলাকায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মারুফা বেগম নেলী ১৩টি মামলায় ২২০০ টাকা অর্থদণ্ড আদায় করেন।

এ বিষয়ে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ওমর ফারুক বলেন, করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের সংক্রমণ বিস্তার রোধে জেলা প্রশাসন নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করে আসছে। সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী আমাদের এ অভিযান অব্যাহত থাকবে।

সূত্র : বাংলাদেশ জার্নাল
এন এইচ, ২৬ জুলাই

Back to top button