জাতীয়

নতুন আইন আদতে কার্যকর হয়নি : ইলিয়াস কাঞ্চন

ঢাকা, ২২ অক্টোবর- দুই যুগের বেশি সময় ধরে নিরাপদ সড়কের দাবিতে আন্দোলন করে যাচ্ছেন চিত্রনায়ক ইলিয়াস কাঞ্চন। তিনি চেষ্টা করছেন, সড়ক নিরাপদ করতে। একপর্যায়ে গড়ে তোলেন নিরাপদ সড়ক চাই নামের একটি সংগঠন। তার স্ত্রী জাহানারা কাঞ্চনের মৃত্যু দিবসকে কেন্দ্র করে জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। এখন জাতীয়ভাবে দিবসটি উদযাপিত হচ্ছে। এ নিয়ে সংগঠনটির চেয়ারম্যান ইলিয়াস কাঞ্চন বলেন, এত বছরেও কাঙ্খিত অর্জন হয়নি। নতুন আইন গত বছরের নভেম্বর থেকে কার্যকরের গেজেট প্রকাশ করে সরকার। কিন্তু আদতে কার্যকর হয়নি। কারণ পরিবহন নেতাদের আপত্তি। চালকসহ সাধারণ মালিকরা আইনটি মানতে চাইলেও পরিবহন নেতারা এর বিরোধিতা করেন। আন্দোলন করেন।

ইতোমধ্যে তারা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে নানা রকম মন্তব্য করেছেন, আলটিমেটাম দিয়েছেন। আসলে নৈরাজ্য ঠেকানো আমাদের কাজ, তাদের কাজ নৈরাজ্য জিইয়ে রাখা। আমরা ১১১টি সুপারিশ করেছি। সেগুলো মানলে এবং পরিবহন আইনটি কার্যকর হলে সড়কে শৃঙ্খলা আসবে।

ইলিয়াস কাঞ্চন আরও বলেন, পরিবহন নেতা শাজাহান খান আমার ইমেজ ক্ষুণ করে বক্তব্য দিয়েছেন। আমি আমার ছেলেসহ সবাই নাকি সংগঠনের নামে কোটি কোটি টাকা কামিয়েছি। এ জন্য আইনের আশ্রয় নিয়ে জানতে চেয়েছি, কোথা থেকে এ টাকা এনেছি তা তুলে ধরতে। তারা এর জবাব না দিয়ে এখন বলছে, আমি মামলা করায় যে মঞ্চে যাব সেখানে তারা থাকবে না। এমনকি এ দিবস না মানারও হুমকি দিয়েছেন। তাদের দরকার প্রমাণ করা কীভাবে টাকা এনেছি। তা না করে হুমকি দিচ্ছে। শুনলাম তারা এনজিও ব্যুরোসহ বিভিন্ন দপ্তরে যাচ্ছে রেজিস্ট্রেশন বাতিল করতে। আমি বলি, ২০১৬ সালের ডিসেম্বরের আগে রেজিস্ট্রেশনও ছিল না। জাতিসংঘসহ আন্তর্জাতিক সংগঠনের কিছু কর্মসূচির স্বার্থে রেজিস্ট্রেশন করেছি। এ সংগঠন নিজেদের টাকা দিয়ে চলছে ১২ বছরেরও বেশি সময় ধরে।

আরও পড়ুন: সাভারে ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক অবরোধ করে পোশাক শ্রমিকদের বিক্ষোভ

নিরাপদ সড়ক চাইয়ের চেয়ারম্যান ইলিয়াস কাঞ্চন বলেন, পরিবহন সেক্টরে যারা নেতৃত্ব দিচ্ছেন তারা আইনের বিরোধিতা করেন। এখন মহাসড়কে চার লেন ও ডিভাইডার, হাইওয়ে পুলিশ সবই আন্দোলনের ফসল। এক দিনে সব হয় না। দিবসকে কেন্দ্র করে ব্যাপক প্রচার চলে। সেটি ভালো দিক। মানুষ উপকৃত হচ্ছে। চালকদের আমরা প্রশিক্ষণ দিই, এটা তাদের কাজ। করোনায় তারা শ্রমিকদের পাশে ছিল না; আমরা ভূমিকা রেখেছি।

সূত্র: আমাদের সময়
এম এন / ২২ অক্টোবর

Back to top button