আসাম

CAA বিরোধী আন্দোলনের জেরে আটক ছিলেন দেড় বছর, মুক্তি পেলেন অখিল গগৈ

গুয়াহাটি, ০১ জুলাই – অভিযোগ প্রমাণ করা যায়নি। অবশেষে সিএএ হিংসা সংক্রান্ত একটি মামলা থেকে অখিল গগৈকে মুক্তি দিল এনআইএ। শীঘ্রই তাঁকে জেল থেকে ছাড়া হবে বলে সূত্রের খবর। গগৈয়ের আইনজীবী জানিয়েছেন, সিএএ হিংসার ছাবুয়া মামলা থেকে এনআইএ তাঁকে অব্যহতি দিয়েছে।কারণ এই মামলায় তাঁর জড়িত থাকার প্রমাণ মেলেনি।

দেশদ্রোহী প্রমাণিত হল না
সিএএ নিয়ে হিংসা ছড়ানোর অভিযোগ ছিল অসমের শিবসাগরের বিধায়ক অখিল গগৈয়ের বিরুদ্ধে। দুটি মামলায় তাঁর বিরুদ্ধে এনআইএ তদন্ত শুরু করেছিল। নাগরিকত্ব আইন পাশের পর অসমে হিংসায় প্ররোচনা দেওয়া এবং হিংসার পরিবেশ তৈরি করার অভিযোগ উঠেছিল তাঁর বিরুদ্ধে। দেশদ্রোহিতার ধারায় তাঁর বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েিছল। কিন্তু তা আর প্রমাণ করতে পারেনি এনআইএ।

জেলে অখিল গগৈ
২০১৯ সাল থেকেই জেলে রয়েছেন অখিল গগৈ। তারপর থেকে গুয়াহািট মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন তিনি। সূত্রের খবর কিছুদিনের মধ্যেই তাঁকে সেখান থেকে ছাড়া হতে পারে। সিএএ বিরোধিতায় হিংসার প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগে অখিল গৈগইয়ের বিরুদ্ধে গুয়াহাটি এবং ছাবুয়া থানায় এফআইআর দায়ের করা হয়েছিল। ২০১৯ সালের ডিসেম্বর মাসে তাঁকে গ্রেফতার করে পুলিশ। তারপর থেকে জেলেই রয়েছেন তিনি।

মামলা তুলে নিল এনআইএ
অখিল গগৈয়ের বিরুদ্ধে মামলা প্রত্যাহার করে নিয়েছে এনআইএ। তাঁর বিরুদ্ধে হিংসায় প্ররোচনা দেওয়া, অপরাধের ষড়যন্ত্র, দাঙ্গায় প্ররোচনা দেওয়া, দেশের অবমাননা করা সহ একাধিক ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছিল। এমনকী মাওবাদী সংগঠনের সমর্থন অখিল কাজ করেন বলে মামলায় দাবি করা হয়েছিল। কিন্তু কোনও অভিযোগই প্রমাণ করতে পারেনি এনআইএ।

ছাড়া হবে অখিলকে
সূত্রের খবর কয়েকদিনের মধ্যেই তাঁকে জেল থেকে ছাড়া হবে। কয়েকদিন আগেই অবশ্য অখিল গগৈকে প্যারোলে মুক্তি দিয়েছিল এনআইএ। অসমের জোরহাটে নিজের বাড়িতে গিয়েছিলেন তিনি। সেখানে তাঁর মাকে দেখতে গিয়েছিলেন অখিল গগৈ।

সূত্র: ওয়ান ইন্ডিয়া
এম ইউ/০১ জুলাই ২০২১

Back to top button