দক্ষিণ এশিয়া

এক পরিবারের ৫ সদস্যকে হত্যা করে লাশ পুড়িয়ে মাটিচাপা দিয়েছে বাড়িওয়ালা

নয়াদিল্লি, ০১ জুলাই – ভারতের মধ্যপ্রদেশে এক পরিবারের ৫ সদস্যকে হত্যা করে লাশ পুড়িয়ে মাটিচাপা দিয়েছে তাদের বাড়িওয়ালা।

নিখোঁজের এক মাস পর তথ্যপ্রযুক্তির মাধ্যমে হত্যাকারীকে গ্রেফতার করে তাদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে পাশের একটি জমির আট ফুট মাটির নিচ থেকে।

পুলিশ বলছে, আগে থেকে ৮ থেকে ১০ ফুট গভীরতার পাঁচটি গর্ত করে তাদের হত্যার পর লাশ পুড়িয়ে মাটি চাপা দেয়া হয়। খবর এনডিটিভির।

মঙ্গলবার সন্ধ্যায় মধ্যপ্রদেশ রাজ্যের দেওয়াস জেলার একটি গ্রাম থেকে পুলিশ গলে যাওয়া মরদেহগুলো উদ্ধার করে।

পুলিশ জানিয়েছে, প্রতিটি মরদেহই বিবস্ত্র অবস্থায় ছিল। হত্যার শিকার ৫ জন হলেন- গৃহবধূ মমতা (৪৫), তার দুই মেয়ে রূপালী (২১) ও দিব্য (১৪) এবং মমতার দেবরের দুই মেয়ে। ১৩ মে থেকে তারা সবাই নিখোঁজ ছিলেন।

পুলিশ জানায়, নিহতদের মধ্যে কোনো একজনের সঙ্গে বাড়িওয়ালার প্রেমের সম্পর্ক ছিল।এর জের ধরেই নৃশংস ওই হত্যাকাণ্ড ঘটেছে।

পুলিশ প্রধান অভিযুক্ত সুরেন্দ রাজপুতসহ মোট ছয়জনকে গ্রেফতার করেছে। আরও ৭ আসামিকে খুঁজছে পুলিশ।

হত্যাকারীরা ওই পাঁচজনকে শ্বাসরোধ করে হত্যার পর তাদের মরদেহ পুড়িয়ে ফেলে। এরপর দ্রুত পঁচে যাওয়ার জন্য তাদের মরদেহে ইউরিয়া সার ও লবণ মেখে আলাদা গর্তে ফেলে মাটি চাপা দেয়।

পুলিশ কর্মকর্তা সিভ দয়াল সিং গণমাধ্যমকে জানান, হত্যার মূল পরিকল্পনাকারী সুরেন্দ্র চৌহান। তিনি সবাইকে গলাটিপে হত্যা করেন এবং গ্রেফতার বাকি পাঁচজন গর্ত করে।

নিখোঁজের পর থানায় জিডি করলে আসামিরা প্রতারণার আশ্রয় নেন। হত্যাকাণ্ডের শিকার রূপালীর ফেসবুক আইডি থেকে সুরেন্দ্র একটি পোস্ট দেন।

তাতে লেখা ছিল, আমি একজনকে ভালবেসে বাড়ি ছেড়েছি, সঙ্গে আমার মা, ছোট বোন এবং দুই চাচাতো বোনও আছে। তোমরা আমাদের জন্য চিন্তা করোনা। আমরা ভালোই আছি।

কিন্তু দীর্ঘ এক মাসেও তারা ফিরে না আসায় পুলিশ তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে মোবাইল ফোনটি সুরেন্দ্র চৌহানের কাছ থেকে উদ্ধারের পর হত্যাণ্ডের রহস্য উন্মোচিত হয়।

তথ্যসূত্র: নতুন সময়
এস সি/০১ জুলাই


Back to top button
🌐 Read in Your Language