পশ্চিমবঙ্গ

মুকুলের বিধায়ক পদ খারিজ এখন সময়ের অপেক্ষামাত্র, দাবি শুভেন্দুর

কলকাতা, ১৭ জুন – কৃষ্ণনগর উত্তরের বিধায়ক মুকুল রায়ের বিধায়ক পদ খারিজ হওয়াটা এখন সময়ের অপেক্ষামাত্র। এমনই দাবি রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর।

বিজেপি ছেড়ে ঘাসফুল শিবিরে ফিরলেও এখনও বিধায়ক পদে ইস্তফা দেননি মুকুল রায়। বৃহস্পতিবার শুভেন্দু বলেছেন, ‘মুকুল রায়ের বিধায়ক পদ খারিজের দাবিতে সব প্রক্রিয়া শেষ। আজ বিধানসভার রিসিভ সেকশন বন্ধ ছিল। শুক্রবার সকাল এগারোটায় ফের বিধানসভায় যাওয়া হবে। রিসিভ সেকশন বন্ধ থাকলে অধ্যক্ষকে ইমেল পাঠানো হবে।’

এই প্রসঙ্গে শুভেন্দুকে কটাক্ষ করে তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষ, “এ ব্যাপারে শুভেন্দুর আগে উচিত তাঁর বাবা শিশির অধিকারীকে দলত্যাগ বিরোধী আইনের পাঠ দেওয়া। ”

প্রসঙ্গত, বিধায়ক পদ থেকে ইস্তফা দেওয়ার জন্য মুকুল রায়কে দুদিন আগে সময় দিয়েছিল বিজেপি। তার মধ্যে তিনি ইস্তফা না দিলে দলত্যাগ বিরোধী আইন প্রয়োগ করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। মুকুলকে নিশানা করে এমনটাই জানিয়েছিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। এমনকি বুধবারের মধ্যে বিধানসভার স্পিকারের কাছে মুকুলের বিরুদ্ধে আবেদন জানাবেন বলেও জানিয়েছেন তিনি। ইতিমধ্যেই রাজ্যপালকে নালিশ ঠুকেছেন শুভেন্দু অধিকারী। তার প্রেক্ষিতে রাজ্যপাল সোমবার বলেন, ‘‌আমি জানতে পারলাম গত ১০ বছরে পশ্চিমবঙ্গে দলত্যাগ বিরোধী আইন প্রয়োগই করা হয়নি। আমি আশ্বস্ত করছি, পশ্চিমবঙ্গে এই আইন কার্যকর করা হবে। আমি নিশ্চিত করব যাতে কার্যকর হয়।’‌ যদিও তৃণমূল সাংসদ সুখেন্দুশেখর রায়ের পাল্টা দাবি, দলত্যাগ বিরোধী আইন কার্যকর করার প্রক্রিয়ায় রাজ্যপালের কোনও ভূমিকাই নেই৷

সোমবার মোট শুভেন্দু সহ মোট ৫১ জন বিধায়ক রাজভবনে গিয়েছিলেন৷ ফলে প্রশ্ন উঠছে, বিজেপি-র বাকি বিধায়করা কোথায় গেলেন? কারণ মুকুলকে বাদ দিলেও রাজ্যে বিজেপি-র বিধায়ক সংখ্যা ৭৪৷ শুভেন্দুর অবশ্য দাবি, রাজ্যপাল ৩০ জনকে নিয়ে আসারই অনুমতি দিয়েছিলেন৷ অতি উৎসাহে কিছু বিধায়ক চলে এসেছেন বলেও দাবি করেন বিরোধী দলনেতা৷ তৃণমূলের অবশ্য পাল্টা কটাক্ষ, কেন বাকি বিজেপি বিধায়করা রাজ ভবনে গেলেন না তা অন্তর্তদন্ত করে দেখুক বিজেপি৷

সূত্র : কলকাতা২৪
এম এউ, ১৭ জুন

Back to top button